লাইফ স্টাইল পোস্ট -“মজাদার হালিম খাওয়ার অনুভূতি”
আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন সবাই ? আশা করি আপনারা সবাই বেশ ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। বেশ ব্যস্ততায় যাচেছ সময়। সেই সাথে তো রয়েছে প্রচুর মানসিক চাপ। সব মিলিয়ে বেশ হিমশিম খেতেই হরো চ্ছে। তবুও এরই মধ্যে চলে যাচ্ছে সময় আর দিন। আর সেই সাথে জীবন থেকে চলে গেল কিছু সুন্দর সময়ও। বুঝতেই পারলাম না সময়গুলো কখন আসলো আর কখন গেল। যাই হোক আমিও চলে আসলাম আজ আবার আপনাদের মাঝে নতুন করে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আশা করি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।

ঝেঁকে বসেছে শীত। সেই সাথে আজ জন জীবন হয়ে পড়েছে বিপুন্ন। আর সেই সাথে ধুম পড়েছে বাসায় মেহমানের সমাগম। এরই মাঝে বেশ ব্যস্ত জীবন আর সময় কোন কিছুই জানি থেমে নেই। এই তো গত কিছুদিন ধরেই বাসায় শুধু মেহমান আর মেহমান। এত এত মেহমান নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করতে হচেছ আমাকে। তবুও এরই মাঝে সেদিন চলে গেলাম দুই নোনাস আর তাদের বাচ্চাদের নিয়ে বাসার কাছের তালতলা মার্কেটে।

তালতলা মার্কেটে একটি দোকান আছে যেখানে কিনা খুব মজাদার হালিম পাওয়া যায়। আর আমার নোনাসদের সেই দোকানের হালিম বেশ পছন্দ। এমন হালিম নাকি আর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। আর সেই কারনেই তাদের কে নিয়ে চলে গিয়েছিলাম সেদিন সন্ধ্যায় একটু হালিম খেতে। আমার আবার এমন টিপস দিতে বেশ ভালোই লাগে। মনে হয় মনটা হালকা হয়ে গেল। আর সেই কারনেই তাদের কে নিয়ে চলে গেলাম। কনকনে ঠান্ডায় বের হতে যদিও কষ্ট হয়েছিল তবুও যেতে হলো এই আর কি।
আর একটি কথা না বললেই নয়। সেই হালিম ওয়ালা দোকানের মালিক কিন্তু আমার বাল্য বন্ধু। চাকুরীর পাশাপাশি তালতলা মার্কেটে একটি দোকান দিয়েছে খাবারের। ওর সেখানে গেলে আর যাই হোক না কেন বেশ মজা করে হালিম খাওয়া যায়। আমি সেখানে নেমেই আমার বন্ধুকে বললাম যে মামা হালিম দাও ভালো করে আমাদের জন্য হালিম বানাও। আমার বলার সাথে সাথে মামা তার সাঙ্গু পাঙ্গুদের কে অর্ডার করে দিলো যে ০৭টি স্পেশাল করে হালিম দাও এখানে। আর মামার কথা শুনে আমরা অপেক্ষা করতে লাগলাম।

কিছু সময় পর আমাদের সেই কাঙ্খিত স্পেশাল হালিম চলে আসলো আমাদের কাছে। আর আমদেরও অপেক্ষা শেষ হলো। বেশ গরম ধোঁয়া বের হচিছলো সেই গরম গরম হালিম হতে। আমরা বেশ মজা করে গরম গরম হালিম খেলাম আর দুষ্টামী করতে লাগলাম। তবে একটি কথা, এখানে এত এত বেশী হালিম দেয় যে পেট ভরে যায়। রাতে আর কোন রকমের খাবার খেতে মনে চায় না। আর সে কারনেই আমিও মাঝে মাঝে এখানে চলে যাই হালিম খেতে।
এরপর আমরা মজাদার হালিম খেয়ে বিল দিতে গেলাম। যদিও এখানে হালিম ৭০/- টাকা করে নেয় কিন্তু মামা আমার থেকে দাম রাখলো ৪৫০/- টাকা। মানে কম রাখলো। আমিও বেশ খুশি। আর আমার মেহমানরাও বেশ খুশি। তারপর আমরা একটু ঘুরাঘুরি করে বাসায় চলে আসলাম। যা আপনাদের সাথে আগামীতে শেয়ার করবো।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | লাইফস্টাইল |
|---|---|
| ক্যামেরা | Vivo y18 |
| পোস্ট তৈরি | @maksudakawsar |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমার পরিচিতি
আমি মাকসুদা আক্তার। স্টিমিট প্লাটফর্মে আমি @maksudakawsar হিসাবে পরিচিত। ঢাকা হতে আমি আমার বাংলা ব্লগের সাথে যুক্ত আছি। আমি একজন গৃহিনী এবং চাকরিজীবী। তারপরও আমি ভালোবাসি আমার মাতৃভাষা বাংলায় নিজের মনের কথা গুলো আমার বাংলা ব্লগের প্লাটফর্মে শেয়ার করতে। আমি ভালোবাসি গান শুনতে এবং গাইতে। আমি অবসর সময়ে ভ্রমন করতে এবং সেই সাথে সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি নিজের ক্যামেরায় বন্দী করতে ও ভালোবাসি। মাঝে মাঝে নিজের মনের আবেগ দিয়ে দু চার লাইন কবিতা লিখতে কিন্তু আমার বেশ ভালোই লাগে। সর্বোপরি আমি ভালোবাসি আমার প্রাণপ্রিয় মাকে।
.gif)
VOTE @bangla.witness as witness
OR
SET @rme as your proxy




