লাইফস্টাইল পোস্ট || হসপিটাল থেকে ফেরার পথে মাউরা হোটেলে নাস্তা করার অনুভূতি
আসসালামু আলাইকুম,
আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা ,আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি।
প্রতিদিনের মতো আজকেও আমি আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি একটি লাইফস্টাইল পোস্ট শেয়ার করবো আপনাদের সাথে। সপ্তাহ দুয়েক আগে আমার ছেলেকে নিয়ে হসপিটালে গিয়েছিলাম ও হসপিটাল থেকে ফেরার পথে ঐতিহ্যবাহী মাউরা হোটেলে গিয়ে নাস্তা করেছিলাম এবং সেই অনুভূতি আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আমার ছেলে সাকাফ তখন জ্বরে ভুগছিলো। তো আমি সকালে ঘুম থেকে উঠে হসপিটালে ফোন দিয়ে এপয়েন্টমেন্ট নিলাম। তো সকাল ৯.৩০টার দিকে হসপিটালে থাকতে হবে আমাদের। তারপর আমি এবং আমার ওয়াইফ নাস্তা না করেই সাকাফ কে নিয়ে বের হয়ে গেলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই হসপিটালে পৌঁছে গিয়েছিলাম। তারপর ডক্টর দেখিয়ে আমরা কালিবাজার চলে গেলাম মেডিসিন কিনতে। কারণ হসপিটালের ফার্মেসী তখন বন্ধ ছিলো। তো কালিবাজারে গিয়ে ফার্মেসী থেকে ঔষধ কিনে আমরা মাউরা হোটেলে প্রবেশ করলাম।
কারণ আমরা তখন প্রচন্ড ক্ষুধার্ত ছিলাম। তখন খুব সম্ভবত সকাল ১০.৩০টা বেজে গিয়েছিল। তো মাউরা হোটেলে ঢুকেই আমাদের দুজনের জন্য রুটি, মুগ ডাল,ডিম ওমলেট অর্ডার দিলাম। হোয়াইট চিকেন স্যুপ অর্ডার দিয়েছিলাম,কিন্তু ওয়েটার বললো চিকেন স্যুপ শেষ হয়ে গিয়েছে। মাউরা হোটেলের চিকেন স্যুপ আমার বরাবরই খুব পছন্দ। তাই চিকেন স্যুপ না পেয়ে একটু খারাপ লাগলো। যাইহোক খাবার অর্ডার দেওয়ার পর আমরা দু'জন গল্প করতে লাগলাম। তাছাড়া সাকাফ তো বসে থাকতে চাচ্ছিলো না। তাই মাঝেমধ্যে তাকে নিয়ে হোটেলের ভিতরে একটু হাঁটাহাঁটি করলাম। মাউরা হোটেলে কাস্টমার প্রায় সবসময়ই বেশি থাকে। বিশেষ করে এই হোটেলের মাংসের আইটেম গুলো খেতে জাস্ট অসাধারণ লাগে। তখন কিছুটা বেলা হয়ে গিয়েছিল বলে কাস্টমার তুলনামূলকভাবে কম ছিলো। যাইহোক ওয়েটার আমাদের টেবিলে খাবার দিয়ে যাওয়ার পর, আমার ওয়াইফকে বললাম খাবার খেতে।
কারণ আমার কোলে তখন সাকাফ ছিলো। তাকে কোলে না নিলেই কান্নাকাটি করে। তো আমি ভাবলাম আমার ওয়াইফ নাস্তা করার পর আমি নাস্তা করবো সাকাফকে তার কাছে দিয়ে। কিন্তু ওয়াইফ বললো আমাকে আগে নাস্তা করতে। তো সাকাফকে তার কাছে দিয়ে আমি তাড়াতাড়ি নাস্তা করে নিলাম এবং তারপর ওয়াইফকে নাস্তা করতে বললাম। ওয়াইফ নাস্তা করার সময় আমি সাকাফকে নিয়ে হাঁটাহাঁটি করতে লাগলাম। পাশাপাশি ২ কাপ চায়ের অর্ডার দিলাম। কারণ মাউরা হোটেলের চা পান করতে দারুণ লাগে। ওয়াইফের নাস্তা করা হয়ে গেলে আমরা চা পান করে, বিল মিটিয়ে হোটেল থেকে বের হয়ে গেলাম। তারপর অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা বাসায় পৌঁছে গিয়েছিলাম। তো ওয়াইফকে নিয়ে ঐতিহ্যবাহী মাউরা হোটেলে নাস্তা করে খুব ভালো লেগেছিল। আর এই অনুভূতি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পেরে আরও বেশি ভালো লাগছে।
পোস্টের বিবরণ
| ক্যাটাগরি | লাইফস্টাইল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @mohinahmed |
| ডিভাইস | Samsung Galaxy S24 Ultra |
| তারিখ | ৮.১২.২০২৫ |
| লোকেশন | w3w |
বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই। আপনাদের কাছে পোস্টটি কেমন লাগলো, তা কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আবারো ইনশাআল্লাহ দেখা হবে অন্য কোনো পোস্টে। সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার পরিচয়
🥀🌹আমি মহিন আহমেদ। আমি ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলায় বসবাস করি এবং আমি বিবাহিত। আমি এইচএসসি/ইন্টারমিডিয়েট পাশ করার পর, অনার্সে অধ্যয়নরত অবস্থায় দক্ষিণ কোরিয়াতে চলে গিয়েছিলাম। তারপর অনার্স কমপ্লিট করার সুযোগ হয়নি। আমি দক্ষিণ কোরিয়াতে দীর্ঘদিন ছিলাম এবং বর্তমানে বাংলাদেশে রেন্ট-এ- কার ব্যবসায় নিয়োজিত আছি। আমি ভ্রমণ করতে এবং গান গাইতে খুব পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি এবং আর্ট করতেও ভীষণ পছন্দ করি। আমি স্টিমিটকে খুব ভালোবাসি এবং লাইফটাইম স্টিমিটে কাজ করতে চাই। সর্বোপরি আমি সবসময় আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আন্তরিকতার সহিত কাজ করতে ইচ্ছুক।🥀🌹










ডেইলি টাস্ক স্ক্রিনশট এবং লিংক:
https://x.com/mohin3242127/status/1997971994554618005?t=hTLaXArKIscgAOdYc4KS2Q&s=19
https://x.com/mohin3242127/status/1997973037338267736?t=0fNp0_XB1Dmv4joSboq1Xg&s=19
X-promotion