লাইফস্টাইল পোস্ট || হসপিটাল থেকে বাসায় ফেরার পথে ডিনার করার অনুভূতি
আসসালামু আলাইকুম,
আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা ,আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি।
প্রতিদিনের মতো আজকেও আমি আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি একটি লাইফস্টাইল পোস্ট শেয়ার করবো আপনাদের সাথে। গত সপ্তাহে ওয়াইফকে নিয়ে হসপিটালে গিয়েছিলাম এবং বাসায় ফেরার পথে বাহিরে ডিনার করেছিলাম। আজকে সেই অনুভূতি আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আসলে হসপিটালে যেতে যেতে আর ভালো লাগে না। কারণ বিগত ২/৩ বছর ধরে পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়ে হসপিটালে নিয়মিত যাতায়াত করতে করতে এক প্রকার ক্লান্ত হয়ে গিয়েছি। তবুও অসুস্থ হলে তো কিছুই করার থাকে না। বাধ্য হয়ে ঠিকই হসপিটালে যেতে হয়। তো সেদিন ওয়াইফকে নিয়ে হসপিটালে গিয়ে প্রথম একটি টেস্ট করালাম। তারপর রিপোর্ট নিয়ে ডক্টর দেখালাম।
ডক্টর দেখাতে দেখাতে রাত ৮টা বেজে গিয়েছিল। কিন্তু হসপিটালে অনেকক্ষণ সময় লেগেছে বলে,দুজনেরই ক্ষুধা লেগে গিয়েছে। যদিও হাতে একেবারে কম সময় ছিলো। কারণ আমার টুইন ছেলেকে বাসায় রেখে গিয়েছিলাম। তাই বাসা থেকে বারবার ফোন দিচ্ছিলো বাসায় ফিরতে আর কতক্ষণ লাগবে। কারণ আমার টুইন ছেলে আমাকে এবং আমার ওয়াইফকে দেখতে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করেছে। তাই আমরা ভাবলাম অল্প সময়ের মধ্যে খাওয়া দাওয়া শেষ করে বাসায় ফেরা যাক। তাই সুলতান ডাইন রেস্টুরেন্টে না ঢুকে,আমরা সুমাইয়া বিরিয়ানি হাউজে ঢুকে পড়লাম। কারণ সুলতান ডাইন রেস্টুরেন্টে গেলে অর্ডার দিয়ে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। তাছাড়া চাষাড়ার মোড় থেকে সুলতান ডাইন রেস্টুরেন্টে যেতে হলে ৫ মিনিট হাঁটতে হয়।
তাই চাষাড়া মোড়ের পাশেই অবস্থিত সুমাইয়া বিরিয়ানি হাউজে ঢুকে পড়লাম। তাছাড়া সুমাইয়া বিরিয়ানি হাউজের কাচ্চি বিরিয়ানি আমার বরাবরই খুব পছন্দ। তো আমরা ভিতরে ঢুকে সাথে সাথে খাবার অর্ডার দিলাম। আমার জন্য কাচ্চি বিরিয়ানি অর্ডার দিলাম এবং আমার ওয়াইফের জন্য মোরগ পোলাও অর্ডার দিলাম। কারণ সে খাসির মাংস খেতে পারে না। তো অর্ডার দেওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যেই খাবার হাজির হয়ে গেলো। আমাদের দু'জনেরই সর্দি ঠান্ডা ছিলো। তাই বোরহানি কিংবা কোল্ড ড্রিংকস অর্ডার দেইনি। যাইহোক আমরা দু'জন তাড়াতাড়ি খাবার খাওয়া শুরু করলাম। কারণ আমাদের হাতে সময় খুবই কম ছিলো। সেদিনের কাচ্চি বিরিয়ানির স্বাদ মনে হয় বেশিই ছিলো হা হা হা।
কারণ পেটে বেশি ক্ষুধা থাকলে নাকি সব খাবারের স্বাদ অনেক বৃদ্ধি পায়। আমার ওয়াইফ বললো মোরগ পোলাও এর স্বাদও নাকি ভালো। তো আমরা অল্প সময়ের মধ্যেই খাওয়া দাওয়া শেষ করে ফেললাম। ওয়াইফকে জিজ্ঞেস করেছিলাম ফিরনি খাবে নাকি। কারণ সে ফিরনি খেতে খুবই পছন্দ করে। কিন্তু হাতে সময় কম ছিলো বলে,সে ফিরনি খেতে চায়নি। যাইহোক আমরা বিল মিটিয়ে সুমাইয়া বিরিয়ানি হাউজ থেকে বের হয়ে গেলাম এবং অল্প সময়ের মধ্যেই বাসায় পৌঁছে গিয়েছিলাম। আসলে হাতে সময় কম ছিলো বলে,ফটোগ্রাফিও সেভাবে করা হয়নি। তবে ওয়াইফকে নিয়ে সুমাইয়া বিরিয়ানি হাউজে ডিনার করে খুবই ভালো লেগেছিল। আর এতো সুন্দর অনুভূতি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পেরে আরও বেশি ভালো লাগছে।
পোস্টের বিবরণ
| ক্যাটাগরি | লাইফস্টাইল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @mohinahmed |
| ডিভাইস | Samsung Galaxy S24 Ultra |
| তারিখ | ১৭.১১.২০২৫ |
| লোকেশন | চাষাড়া,নারায়ণগঞ্জ,ঢাকা |
বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই। আপনাদের কাছে পোস্টটি কেমন লাগলো, তা কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আবারো ইনশাআল্লাহ দেখা হবে অন্য কোনো পোস্টে। সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার পরিচয়
🥀🌹আমি মহিন আহমেদ। আমি ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলায় বসবাস করি এবং আমি বিবাহিত। আমি এইচএসসি/ইন্টারমিডিয়েট পাশ করার পর, অনার্সে অধ্যয়নরত অবস্থায় দক্ষিণ কোরিয়াতে চলে গিয়েছিলাম। তারপর অনার্স কমপ্লিট করার সুযোগ হয়নি। আমি দক্ষিণ কোরিয়াতে দীর্ঘদিন ছিলাম এবং বর্তমানে বাংলাদেশে রেন্ট-এ- কার ব্যবসায় নিয়োজিত আছি। আমি ভ্রমণ করতে এবং গান গাইতে খুব পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি এবং আর্ট করতেও ভীষণ পছন্দ করি। আমি স্টিমিটকে খুব ভালোবাসি এবং লাইফটাইম স্টিমিটে কাজ করতে চাই। সর্বোপরি আমি সবসময় আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আন্তরিকতার সহিত কাজ করতে ইচ্ছুক।🥀🌹









ডেইলি টাস্ক স্ক্রিনশট এবং লিংক:
https://x.com/mohin3242127/status/1990422537663324249?t=cTtIh5oGYlb77p0Ba4CezQ&s=19
X-promotion