থার্টি ফার্স্ট নাইটে বন্ধুদের সাথে বারবিকিউ পার্টি করার অনুভূতি
আসসালামু আলাইকুম,
আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা ,আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি।
প্রতিদিনের মতো আজকেও আমি আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি একটি লাইফস্টাইল পোস্ট শেয়ার করবো আপনাদের সাথে। থার্টি ফার্স্ট নাইটে বন্ধুদের সাথে বারবিকিউ পার্টি করেছিলাম এবং আজকে সেই অনুভূতি আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আসলে বন্ধু বান্ধবদের সাথে বারবিকিউ পার্টি করার মজাই আলাদা। তো প্রতি বছর শীতকালে আমরা বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করে থাকি। অর্থাৎ শীতকালে বেশ কয়েকদিন আমরা বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করে থাকি এবং থার্টি ফার্স্ট নাইটে স্পেশাল আয়োজন করা হয়। তো আমরা আগে থেকেই ভেবে রেখেছিলাম এবারও থার্টি ফার্স্ট নাইটে স্পেশাল আয়োজন করবো। তাই সেদিন সকালে ৪টা বড় সাইজের কোরাল মাছ,২ কেজি বড় চিংড়ি এবং ৭ কেজি মুরগি কিনলাম।
কারণ সেদিন প্রায় ১৪/১৫ জনের আয়োজন করেছিলাম। তো সবকিছু কেনার পর বন্ধু শাকিল তার বাসায় নিয়ে গেলো। তারপর সে বাসায় নিয়ে গিয়ে সব প্রসেসিং করলো। অর্থাৎ মেরিনেট করে রেখে দিলো। তারপর সন্ধ্যার পরপর আমরা সবাই আমাদের ফ্রেন্ডের বাসার ছাঁদে চলে গেলাম বারবিকিউ পার্টি করতে। প্রথমে চিংড়ি মাছ এবং আস্ত মুরগি বারবিকিউ করা শুরু করলাম। সবাই যার যার মতো করে হেল্প করতে লাগলাম। আসলে সবাই হেল্প করলে দ্রুত সবকিছু হয়ে যায়। পাশাপাশি আমরা আড্ডাও দিতে লাগলাম। এরইমধ্যে দেখলাম চিংড়ি মাছ গুলো বারবিকিউ করা হয়ে গিয়েছে। তো আমরা চিলি সস এবং সালাদ দিয়ে চিংড়ি মাছ বারবিকিউ খেতে লাগলাম। চিংড়ি মাছ বারবিকিউ খেতে দারুণ লেগেছিল। তারপর বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর দেখলাম মুরগি বারবিকিউ করা হয়ে গিয়েছে।
যেহেতু প্রথমে শুধুমাত্র একটি মুরগি বারবিকিউ করা হয়েছিল,সেহেতু সবাই খাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়লো হা হা হা। আসলে বন্ধু বান্ধব সবাই মিলে এভাবে খাওয়া দাওয়া করার মজাই আলাদা। যাইহোক এরপর আবার মুরগির শিক কাবাব তৈরি করা হলো এবং সেগুলো খেয়ে সবারই পেট ভরে গিয়েছে। কিন্তু তখনও ৪টা কোরাল মাছ বারবিকিউ করা বাকি ছিলো আমাদের। তো ২টি কোরাল মাছ বারবিকিউ করে খাওয়ার পর,সবাই সিদ্ধান্ত নিলাম ২টি কোরাল মাছ রেখে দিবো ফ্রিজে। কারণ সবাই অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেছিলাম সেদিন। তারপর সবকিছু গুছিয়ে আমরা রাত ১০টার পর বাসায় চলে এসেছিলাম। সবমিলিয়ে সেদিন দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছিলাম আমরা এবং সেই অনুভূতি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে।
পোস্টের বিবরণ
| ক্যাটাগরি | লাইফস্টাইল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @mohinahmed |
| ডিভাইস | Samsung Galaxy S24 Ultra |
| তারিখ | ৪.১.২০২৬ |
| লোকেশন | মদনপুর,নারায়ণগঞ্জ,ঢাকা |
বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই। আপনাদের কাছে পোস্টটি কেমন লাগলো, তা কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আবারো ইনশাআল্লাহ দেখা হবে অন্য কোনো পোস্টে। সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার পরিচয়
🥀🌹আমি মহিন আহমেদ। আমি ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলায় বসবাস করি এবং আমি বিবাহিত। আমি এইচএসসি/ইন্টারমিডিয়েট পাশ করার পর, অনার্সে অধ্যয়নরত অবস্থায় দক্ষিণ কোরিয়াতে চলে গিয়েছিলাম। তারপর অনার্স কমপ্লিট করার সুযোগ হয়নি। আমি দক্ষিণ কোরিয়াতে দীর্ঘদিন ছিলাম এবং বর্তমানে বাংলাদেশে রেন্ট-এ- কার ব্যবসায় নিয়োজিত আছি। আমি ভ্রমণ করতে এবং গান গাইতে খুব পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি এবং আর্ট করতেও ভীষণ পছন্দ করি। আমি স্টিমিটকে খুব ভালোবাসি এবং লাইফটাইম স্টিমিটে কাজ করতে চাই। সর্বোপরি আমি সবসময় আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আন্তরিকতার সহিত কাজ করতে ইচ্ছুক।🥀🌹














