লাইফ স্টাইল - " বাড়িতে এসে ও ছেলের জন্য পাখি কেনা "
হ্যালো বন্ধুরা,
মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে ভালো আছি।
বন্ধুরা,আমি @shimulakter"আমার বাংলা ব্লগ" এর একজন নিয়মিত ও অ্যাক্টিভ ইউজার।বাংলায় ব্লগিং করতে পেরে আমার অনেক বেশী ভালো লাগা কাজ করে মনের মাঝে।তাইতো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত মনের নানান অনুভূতি গুলো নিয়ে নানা রকমের পোস্ট শেয়ার করে থাকি।আজ ও আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিযে।আশাকরি সবাই সঙ্গেই থাকবেন।
বাড়িতে এসে ও ছেলের জন্য পাখি কেনাঃ
বন্ধুরা,আজ আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।আজকে আমি শেয়ার করে নেবো একটি লাইফ স্টাইল পোস্ট।মনের অনুভূতি গুলো আপনাদের কাছে প্রকাশ করতে না পারলে একদম ই ভালো লাগে না।তাইতো আজ হাজির হয়ে গেছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।শ্বশুরবাড়িতে এসেছি প্রায় এক সপ্তাহ হয়ে গেলো।সবাই মিলে খুব আনন্দেই দিনগুলো কেটে গেলো।আবার চলে যেতে হবে শহরের ইট-বালিতে ঘেরা শহরে।অনেকদিন আগে ঢাকার কাঁটাবন থেকে ছেলেকে একটি বাজিরিগর পাখি কিনে দেয়া হয়েছিল।সেই পাখি নিয়ে আমি একটি পোস্ট ও দিয়েছিলাম।আমি ভেবেছিলাম কিছুদিন পর আরো একটি পাখি আমি কিনে দেবো।কিন্তু দুঃখের বিষয় পাখির খাঁচার দরজা খোলা ছিল সামান্য সেই সুযোগে পাখিটি উড়ে চলে গেছে।ছেলের মন খুব খারাপ হয় তখন।কিন্তু আবার পাখি কেনার কথা বলতে ওর পাপার কাছে ছেলে সাহস পায়নি তখন।
এবার বাড়িতে এসে আবার বায়না ধরলো ওর পাপার কাছে পাখি কেনার জন্য।কিন্তু আমি এখন পাখি কেনার কথা বারন করেছিলাম।কারন সামনে ফাইনাল এক্সাম।এই সময় পাখি নিয়ে সময় নষ্ট করবে তাই পাখি কেনার জন্য আমি না করেছিলাম।ছেলেকে ওর পাপা ও খুব বুঝিয়েছিল।কিন্তু ছেলে তার পাপাকে দুই/তিনদিন ধরে ঘ্যান ঘ্যান করতে করতে অবশেষে গতকালকে পাখির দোকানে গিয়ে এবার এক জোড়া পাখি দুজন মিলে কিনে নিয়ে এলো।এর সাথে পাখির খাবার ও।
সময় কাটছে ভালো ই বাড়িতে।নতুন করে যোগ হলো সুন্দর এই পাখি দুটো।ছেলে সকালে আজ ঘুম থেকে উঠেই পাখির খাবার দিয়ে নিজেও নাস্তা করে পড়তে বসে গেলো।পাখিদের বসার জন্য গাছের ডাল ভেঙে খাঁচার মধ্যে দিয়ে দিল।এরপর আজ সন্ধ্যায় রুমের দরজা জানালা আটকে কিছু সময়ের জন্য পাখি দুটোকে ছেড়ে উড়তে দিল মন খুলে।এখন ভাবছি পাখি দুটো ঢাকা গেলে কি করে নিয়ে যাই।কারন যাওয়ার সময় বাসে করে যাব আমরা।
পাখি দুটোর কি নাম দেওয়া যায় তাই ভেবে যাচ্ছে আমার ছেলে।আমি বলেছি তুমি সময় নিয়ে সুন্দর দুটো নাম রেখো ওদের।ছেলে এখন ইউ টিউবে পাখির ভিডিও গুলো দেখছে।পাখির যত্ন বিষয়ে সে ধারনা নিচ্ছে।আমার দেবরের মেয়ে ও এসে যোগ দিচ্ছে কিভাবে পাখিকে লালনপালন করতে হয় তা জানতে।কারন সেও নাকি পাখি কিনবে।দেবরের মেয়ে ময়না অথবা টিয়া পাখি কিনবে।কথা বলা পাখি গুলো একটু বেশীই ভালো লাগে আমার।
স্কুল ছুটির এই সময়গুলো বেশ ভালো ই কেটে গেলো।আর মাত্র ২/৩ দিন আছে স্কুল খোলার।ঢাকা যেতে হবে।আমার জা ও খুলনা চলে যাবে।বাড়িটি আবার নিশ্চুপ হয়ে থাকবে।সবাই একসাথে এলে সময়গুলো ভীষণ আনন্দে কাটে।সুন্দর অনুভূতি সুন্দর করে শেয়ার করে নিলাম। আশাকরি আপনাদের কাছে আমার অনুভূতি গুলো ভালো লেগেছে।
পোস্ট বিবরন
| শ্রেণী | লাইফ স্টাইল |
|---|---|
| ক্যামেরা | Galaxy A16 |
| পোস্ট তৈরি | @shimulakter |
| লোকেশন | ঝালকাঠী,বাংলাদেশ |
আজ এখানেই শেষ করছি।আবার হয়ত হাজির হয়ে যাব অন্য কোন পোস্টে ভিন্ন কিছু অনুভূতি নিয়ে।সবাই সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে
আমার পরিচয়
আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।আমি বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি (জিওগ্রাফি)কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ।ভালোবাসি বই পড়তে,নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।






ছোট বাচ্চারা পাখি নিয়ে খেলাধুলা করতে এমনিতে বেশি পছন্দ করে। আর এটি শুনে ভালো লাগলো আগের পাখি চলে যাওয়ার পর আবার পাখি কিনে দিলেন ছেলেকে। আর এসব পাখি যখন লালন পালন করা হয় অনেক অনেক ধরনের নাম রাখে। ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি দেখে।
পাখি কিন্তু লালন পালন করতে কম বেশি সবাই পছন্দ করে। আর ছোট বাচ্চারা কিন্তু একটু বেশি পছন্দ করে পাখি লালন পালন করতে। তবে ছেলের জন্য পাখি কিনেছেন ভালই করলেন। আর এই পাখিগুলো যখন আওয়াজ করে তখন শুনতেও ভালো লাগে।