'শিবরাত্রির মেলার কিছু ফটোগ্রাফি"
নমস্কার
শিবরাত্রির মেলার কিছু ফটোগ্রাফি:
কয়েক দিন ধরেই চলছিলো আমার এম.এ থার্ড সেমিস্টারের ফাইনাল এক্সাম।আর সেটা শেষ হলেই প্রত্যেকের মাথায় থাকে কোথাও না কোথাও ঘুরতে যাওয়ার।আর এক দারুণ অনুভূতির মাঝে মুক্ত বাতাসে প্রাণ খুলে শ্বাস নিতে।তেমনি আবার কেউ বা ছোটে ভালো কিছু খাওয়ার স্বাদ গ্রহণ করতে।তেমনি আমরা গিয়েছিলাম মেলা ঘুরতে।সেটিও আবার বর্ধমানের বিখ্যাত একশত আট মন্দিরের শিবরাত্রি উপলক্ষে।
এই মন্দিরের আলাদা বিশেষত্ব রয়েছে।তো সেখানে দিনের বেলাও অনেক দোকান খোলা ছিল বিভিন্ন ধরনের।যেমন-ফুলের দোকান,কসমেটিকস,বিভিন্ন ধরনের মূর্তি আর বিভিন্ন ধরনের থালা-বাসনের দোকান ছিল।
তো সেখান থেকে আমরা বিভিন্ন কসমেটিকস কেনাকাটা করার সঙ্গে সঙ্গে বাটি, প্লেট ইত্যাদি রকমারি জিনিস কিনেছিলাম।তাছাড়া ঝুড়ি কেনার জন্য দেখেছিলাম, কিন্তু মন মতো না হওয়াতে কিনতে পারি নি।তবুও আমরা ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম বিভিন্ন জিনিস ও দাম করছিলাম সেটা খুবই মজার বিষয় ছিল।
এখানে নানা ধরনের কানের দুল ছিল।তাছাড়া ঠাকুরের মূর্তি,জীবজন্তুর মূর্তি,বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্র ও ফলমূল ছিল।যেগুলো সবই রঙিন ও মাটির তৈরি ছিল।সম্ভবত পোড়ামাটির ,যেগুলোকে একদম বাস্তবের মতোই রুপ দেওয়া হয়েছিলো।এগুলো ঘর সাজানোর জন্য দারুণ উপযোগী।
| আশা করি আমার আজকের অনুভূতিগুলি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে।পরের দিন আবার নতুন কোনো বিষয় নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে, ততক্ষণ সকলেই ভালো ও সুস্থ থাকবেন। |
|---|
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|








অসাধারণ ফটোগ্রাফি রিপা রায় আপু @green015 বর্ধমানের ১০৮ মন্দিরের শিবরাত্রের মেলার বর্ণনা এবং পোড়ামাটির শোপিসগুলোর ছবি দেখে খুব ভালো লাগলো। পরীক্ষার পর এমন রঙিন মেলায় ঘুরে বেড়ানো সত্যিই মনকে সতেজ করে দেয়। আপনার কেনাকাটার অভিজ্ঞতা এবং মেলার আমেজ শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার সুন্দর মতামত প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ আপু আপনাকেও।