"কৃষ্ণসায়র ফুলমেলা"(কয়েকটি প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি পর্ব: 53)
নমস্কার
"কৃষ্ণসায়র ফুলমেলা"
কয়েকটি প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি পর্ব: 53
কৃষ্ণসায়র পার্ক,বর্ধমানের এক অন্যতম জায়গা।আর সেই পার্কে গতবছর ফুলমেলা হয়েছিল।ইউনিভার্সিটির বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে আমিও গিয়েছিলাম সেই মেলা ঘুরতে।যেটা ছিল নানান রঙিন ফুলের সমাহারে ফুলমেলা।আর আমি শীতকালেই সংগ্রহ করেছিলাম নানারকমের ছবিগুলো।তো আমাদের বর্ধমান ইউনিভার্সিটি ও কৃষ্ণসায়র উৎসব কমিটির যৌথ উদ্যোগে একটি ফুলের মেলার আয়োজন করা হয়।যেখানে কৃষি-শিল্প-চিত্র ও পুষ্প সব মিলিয়ে জমজমাট এক মিলনমেলা দেখতে পাওয়া গিয়েছিল।এই ফুলের মেলায় মানুষ তার সত্যিকারের ফুলের গাছসহ নানা উদ্ভিদ নিয়ে আসে শুধুমাত্র মানুষের দর্শনের জন্য।তেমনি আবার ফুলের পাশাপাশি মানুষ তার সৃজনশীলতা প্রকাশ করেছে নানা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপস্থাপন করে।তো আমি আজ সেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য এর ফটোগ্রাফি শেয়ার করবো।আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের সকলের কাছে এই ফটোগ্রাফিগুলি।তো চলুন শুরু করা যাক---
কয়েকটি প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি:
এটি একটি মানুষের তৈরি প্রাকৃতিক দৃশ্য।ঠিক যেন একফালি সৃজনশীলতা ধরা দিয়েছে তার এই ছোট্ট উদ্যোগে।বাক্সবন্দী করার মতোই বড় কিছুকে ছোট্ট জায়গায় বন্দি করে তারই সুন্দরতা বুঝানোর একটুকরো প্রচেষ্টা।মানুষ তার মন থেকে সজ্জিত করে ফুটিয়ে তুলেছে নিজস্ব সত্ত্বাগুলোকে।গাছের উপর ঘর,সিঁড়ি এবং দোলনা সবই তৈরি করা হয়েছে এখানে।
এগুলো হচ্ছে সুন্দর ফুলদানী।যা খুবই যত্ন করে ডিজাইন করা হয়েছে।আর ফুলগুলো একেবারেই সত্যিকারের মতোই লাগছে দেখতে।ঘর সাজানোর জন্য এই মাটির পাত্রগুলি খুবই উপর্যুক্ত।যেগুলো বেশ শৌখিন,ছোট-বড় অনেক পাত্র -ই ছিল।
এটি হচ্ছে আরেকটি দৃশ্য।যেটিকে কাঁচের জারের মধ্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।যেখানে ফুল,পাখি,পাথর,মাটি,পাতাবাহার ও বিভিন্ন ধরনের সাকুলেন্ট ও ক্যাকটাস দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে। প্রত্যেকটি দৃশ্যই বেশ আকর্ষণীয় ছিল।আর এগুলোর গায়ে ওই মানুষের নামও লেখা ছিল।
এটি একটি ছবি তোলার জন্য ডেকোরেশন করা ছিল মেলার মধ্যে।মানুষ তার মন মতো ছবি ক্যাপচার করতে পারবে এখানে।তাই আমার বন্ধু- বান্ধবীরা মিলে এখানে কয়েকটি ছবি ক্যাপচার করেছিলাম।আর্টিফিশিয়াল ফুল ও লতাপাতা দিয়ে সুসজ্জিত ছিল জায়গাটি।
এখানে অনেক হনুমান থাকে।গাছের ডালে কিংবা নীচে যারা পুরো পরিবার নিয়ে বসে থাকে।আর মানুষ খাবার হাতে করে নিয়ে গেলেই টুপ করে দৌড়ে নিয়ে পালিয়ে যায় গাছের মাথায়।ওদের বসতি এইখানের বড় বড় গাছে।
এটি একটি সন্ধ্যার পূর্ব মুহুর্তের দৃশ্য।যেটি সূর্য অস্ত যাবার সময়।নারিকেল গাছের ফাক দিয়ে শেষ আলোক রশ্নি উকি দিচ্ছিল।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমানের গোলাপবাগ |
| আমার পরিচয় |
|---|











টাস্ক প্রুফ:
কমেন্টস লিংক--
https://x.com/green0156/status/2003069584358932648?t=hq8oKds3vGYgjVWyF5tevA&s=19
https://x.com/green0156/status/2003071563621708022?t=SEZIH-5oAPNLc7thxR_cxg&s=19