প্রকৃতির সাথে অনুভূতির ভিন্নতা || Original Photography by @hafizullah
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবংসুস্থ আছি। সময়ের সাথে সাথে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। সত্যি বলতে শীতের উষ্ণতা যেমন কমেছে ঠিক তেমনি কাজের ব্যস্ততাও বেড়েছে। আরো একটা বিষয় বেড়েছে, কেন জানি এটা নিয়ে কেউ কিছু বলছে না। অবশ্য আমরা ছোটবেলা হতেই এটা দেখে আসছি। তখন অবশ্য অতো কিছু বুঝি নাই এখন যত কিছু বুঝি হি হি হি। না না না তখনও একটা প্রশ্ন মাথার ভিতর ঘুড়তে থাকতো আর সেটা হলো সবাই শীতকাল আসলে বিয়ের জন্য এতো পাগল হয় কেন?
হি হি হি, এই উত্তরটা বোধহয় আপনারা আমার থেকে বেশী জানেন। আমি এমনিতে একটু ছোট মানুষ, বুদ্ধিশুদ্ধিও খুব একটা নেই, তাই সঠিকভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করতে পারলাম না। সে যাইহোক, কারো পৌষ মাস আর কারো সর্বনাশ, এখন কার পৌষ মাস হলো আর কার সর্বনাশ হলো সেটা নিয়ে আমি চিন্তিত নই, তবে কিছু বিয়ের দাওয়ারত খেতে পারবো সেটা নিয়েই আপাদত চঞ্চল থাকার চেষ্টা করছি। সত্যি আজও একটা বিয়ের দাওয়াত আছে, রাতে ঘুমাতে একটু দেরী হয়েছিলো আর তাই সকালেও দেরীতে উঠেছি, সেই জন্য পোষ্ট লিখতেও দেরী হলো আজ।
প্রকৃতি সত্যি অনন্য এক বিষয়, আমাদের সুবিধার জন্য প্রকৃতি তার ঋতুগুলো দারুণভাবে সাজিয়ে তোলে, দেখুন শীতের সিজনটা প্রকৃতি যেন আপন মহিমা মিশিয়েই চারপাশের প্রকৃতিকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলে, আর সেই সুন্দর মুহুর্তগুলোকে আমরা প্রকৃতির নানা কিছুকে সঙ্গে নিয়ে উপভোগ করার চেষ্টা করি। আমরাও শীতের সকালে ছোটবেলা দারুণভাবে উপভোগ করতাম, তখন অবশ্য খেজুরের রস বেশ সহজলভ্য ছিলো এবং সেটা নিয়ে এতোটা আতংকও ছিলো না। এখন যেমন নানা রোগ নিয়ে নানা মত প্রচার হচ্ছে এবং কাচা খেজুরের রস খেতে সবাইকে নিষেধ করা হচ্ছে।
কিন্তু আমরা সকালের শুরুতেই রস পেয়ে যেতাম, সাথে থাকতো গুড়ের মুড়িমোয়া। এই মোয়াটা এখন অবশ্য সেভাবে পাওয়া যায় না, কারণ আমাদের সময় সেগুলো একটু ভিন্ন রকমের ছিলো। আমাদের সকালের নাস্তাই হতো এটা, নানুর বাড়িতে চলে যেতাম শীত উপভোগ করার জন্য। সকালে একগ্লাস খেজুরের রস এবং সাথে চার পাঁচটে মুড়ির মোয়া। পরিচিত এক বিক্রতা ছিলো তার নাম ছিলো মিন্টু। সকাল সাতটার দিকে উনি চলে আসতেন, উনার কাস্টমারও ছিলো কমন, সবার বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মুড়ির মোয়া দিতে আসতেন।
এই বিষযটির সঠিক অনুভুতি আপনি কিন্তু অন্য সিজনে পাবেন না, এটা শুধুমাত্র শীতকালের জন্যই প্রযোজ্য। আবার বর্ষায় গমর গরম খিচুরির সাথে কয়েক পদের ভর্তা এবং ভাজাপোড়া দারুণ এক অভিজ্ঞতার জন্ম দেয়। এই বিষয়গুলো সত্যি আমার কাছে দারুণ লাগে, মাঝে মাঝে অবশ্য অবাকও হয়ে যাই। প্রকৃতির এমন পরিবর্তন এবং তার সাথে সাথে আমাদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির পরিবর্তন, নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য দারুণ একটা বিষয়। প্রকৃতির এমন পরিবর্তন আছে বলেই হয়তো আমাদের জীবনের মাঝে বৈচিত্রতা এখনো টিকে আছে।
তারিখঃ মার্চ ২১, ২০২৫ইং।
লোকেশনঃ ধামরাই, মানিকগঞ্জ।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR







