আমার পরিবর্তন।
হ্যালো বন্ধুরা
সবাইকে আমার নমস্কার,আদাব।আশাকরি আপনারা সকলেই ভালো আছেন,সুস্থ আছেন?ঈশ্বরের অশেষ কৃপায় আমিও পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে ভালো আছি,সুস্থ আছি।
আমার ইউজার নেম @bristychaki আমার বাবা-মার দেওয়া নাম অতসী রানী বকসী।বৈবাহিক সুত্রে আমি বকসী থেকে চাকী তে এসেছি।আর আমি আমার হাসবেন্ড এর ইচ্ছে কে সন্মান জানিয়ে নিজের পদবি পরিবর্তন করেছি।আমি বাবা-মার একমাত্র কন্যা সন্তান।তিন ভাইয়ের একমাত্র ছোট বোন।আমি বিবাহিত এবং দুই কন্যা সন্তানের জননী।আর এই পরিচয়ে আমি গর্বিত।আমার খুব অল্প বয়সেই বিয়ে হয়ে যায় তাই নিজেকে সেভাবে গড়ে তোলার মতো সুযোগ হয়নি।স্বামী সন্তান নিয়ে খুব ভালো দিন কাটছিলো তা বলবো না তার কারন হলো সমস্যা সবার জীবনেই কমবেশি থাকে ঠিক তেমনি আমার জীবনেও ছোটখাটো সমস্যা ছিলো।

অল্প বয়সে বিয়ে হওয়ার কারনে জ্ঞানের অভাব ছিলো। কার সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় কিভাবে মিশতে হয় একেবারেই জানতাম না।তার জন্য অনেক কথা শুনতে হয়েছে।আমি ছোটবেলা থেকেই খুব মিশুক এবং সহজসরল প্রকৃতির ছিলাম তাই জীবনে অনেক হোঁচট খেতে হয়েছে।মানুষের কাছে যেমন ঠকেছি ঠিক তেমনি হাসবেন্ড এর কাছে কটুক্তি হজম করতে হয়েছে।কারো দুঃখ কষ্ট দেখলে নিজেকে সামলে রাখতে পারতাম না তার ভালো করার জন্য ব্যকুল হয়ে পড়তাম।নিজে না খেয়ে মানুষকে খাওয়াতে পছন্দ করতাম।নিজের একটা শখের জিনিস যদি কেউ পছন্দ করতো তাহলে সাথে সাথে তাকে সেই শখের জিনিস দিয়ে দিতাম।মানুষের মুখের উপরে কোনো কথা না বলতে পারতাম না যে যেরকম ভাবে বলতো তাই সহজেই মেনে নিতাম।মানুষ কে খুশি করাই যেনো আমার জীবনের ব্রত ছিলো।আমার সবচেয়ে বড় দোষ ছিলো মানুষকে খুব সহজেই বিশ্বাস করে ফেলি এবং নিজের ক্ষতি করে হলেও অন্যের ভালো করি।আর এটাই আমার হাসবেন্ড এর সবচেয়ে
অপছন্দের কারন ছিলো।সে খুবই বাস্তববাদী মানুষ তাই কে ভালো কে মন্দ বুঝতে পারতো কিন্তু আমি সেগুলো বুঝতাম না আর তখনি লেগে যেতো ঝামেলা।আস্তে আস্তে যতদিন যাচ্ছে আমার ধারণা ততটাই পাল্টে যাচ্ছে।যে মানুষ গুলোকে বিশ্বাস করতাম ভালোবাসতাম সেই মানুষ গুলোই আমার ক্ষতির কারন হয়েছে বারবার।আমি মানুষ কে যতই মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসি সেই মানুষ গুলোই আমার কষ্টের কারন হয়ে যায়,তাদের কাছ থেকেই আমি সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাই।
হঠাৎ ২০২১ সালে আমার মা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তখন জীবনের চরম বাস্তবতার স্বীকার হই।দুই মাস মায়ের সাথে জীবন যুদ্ধে নেমেছিলাম।যে আমি আগে কখনো মানুষের সাথে ঠিকঠাক মতো কথা বলতে পারতাম না সেই আমি কোথায় হাসপাতাল কোথায় ডাক্তার কোথায় টেস্ট কোথায় রিপোর্ট দাপিয়ে বেড়িয়েছি শুধুমাত্র মাকে সুস্থ করার জন্য।মেজো বৌদিকেও হাসপাতে ভর্তি করানো হয়েছে। তখন একা মাঝে মধ্যে হাসপাতাল থেকে রাত করে বাসায় ফিরতাম তখন নিজের ভিতরে কি পরিমাণ ভয় করতো আর কি যে অসহায় লাগতো তা বলে বোঝাতে পারবো না।তারপরও সাহস নিয়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করতাম যাতে কেউ বুঝতে না পারে আমি ভয় পাচ্ছি।এভাবেই দুইমাস পার হয়ে যায়।কিন্তু দুই মাস এগারো দিনের দিন জীবন যুদ্ধে হেরে যাই আমার মা আমাদের ছেড়ে পরপারে চলে যান।পুরো পৃথিবী জুড়ে আমার আর কিছু রইলো না এরকম পরিস্থিতিতে পড়লাম।মায়ের কাজ শেষ করে যেদিন আমার বাসায় ফিরবো সেদিন আমি কিছুতেই বাড়ি ছেড়ে আসতে পারছিলাম না মনে হচ্ছে আমি বাসায় কি করে থাকবো তখন আমি একজনের পায়ে ধরে কান্না করেছিলাম।(তার নাম উল্লেখ করে তাঁকে ছোট করতে চাই না)যে আমার সাথে কিছুদিন থাকার জন্য সে কিছুতেই আমার সাথে আসলো না বরং তার ভাইকে ভাইফোঁটা দেওয়ার জন্য চলে গেলো। অনেক কষ্ট নিয়ে বাসায় আসলাম মায়ের অসুস্থতার কষ্ট তাঁর মৃত্যু আমাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছিলো।আর সেই সাথে তখন কিছু মানুষের আচরণ সেগুলো কিছুতেই মন থেকে মুছে ফেলতে পারছিলাম না।আস্তে আস্তে আমি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে শুরু করলাম।আমি তখন কোনোভাবেই নিজেকে শান্ত রাখতে পারছিলাম না বারবার শুধু মনে হতো আমার এ জীবন রাখবো না। বেশ কয়েকবার আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু শেষ মুহূর্তে হঠাৎ করে হুঁশ ফিরে এসে তখন মেয়েদের কথা মনে পড়লে আবার থেমে গেছি।এভাবে বেশ কয়েকবার আত্মহত্যা করতে গিয়ে ফিরে এসেছি।
আমার মেয়েরা আমাকে দেখলে ভয় পেতো কাছে আসার সাহস পেতো না আমার অবস্থা এতটাই বিভৎস রকমের হয়েছিলো।আমার হাসবেন্ড বিষয় গুলো বুঝতে পেরে খুব তাড়াতাড়ি আমাকে চিকিৎসার জন্য বগুড়ায় নিয়ে গেলো সবরকম পরীক্ষানিরীক্ষা করে ডাক্তার চিকিৎসা দিলো।তখন ঔষধ খেতাম আর সারাদিন রাত ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পার করতাম।কখন দিন কখন রাত কিছুই বুঝতাম না।
অসুস্থতা কাটিয়ে সবেমাত্র ভালোর দিকে তখনকার ছবি।

ঔষধ খেয়ে মোটামুটি একটা পর্যায়ে আসলাম।তারপর ঈশ্বরের আশীর্বাদের মতো @shuvo35,ভাই @hiramoni ভাবির সাথে পরিচয়।ভাবি আমার দিন রাত কান্নাকাটি দেখতো আর বলতো আপনি আমাদের কাজে যুক্ত হন তাহলে কষ্ট কিছটা হলেও কমবে।আমি শুরুতে রাজি ছিলাম না তার কারন এগুলো সম্পর্কে কোনো ধারণা আমার ছিলো না।ভাবি যখনই বাসায় আসতো তখনি আমাকে কাজের ব্যাপারে বলতো।তারপর একদিন আমার হাসবেন্ড কে বললাম ও শুনে বললো কেমন কি কিছুই তো জানিনা তারপরও দেখো তুমি যদি ভালো মনে করো তাহলে কাজ করে দেখো।তারপর আমি নিজে নিজেই একটা স্টিমিট আইডি খুলে শুভ ভাইকে জানালাম কাজ করবো।তারপর ক্লাস করা পরীক্ষা পোস্ট লেখা নতুন কিছু শেখা জানার আগ্রহে কখন যে নিজের কষ্ট গুলো ভুলতে শিখে গেলাম বুঝতেই পারলাম না।আমার পরিবর্তন দেখে আমার হাসবেন্ড খুবই খুশি তখন সে আমাকে সবসময়ই উৎসাহ দিতে লাগলো যাতে আমি কাজ টা করি।
আস্তে আস্তে আমি অনেকটাই মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে গেলাম।আমি আবার আগের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করতে লাগলাম। আমার বাচ্চাদের কেয়ার করা সবার সাথে হাসিতামাশা করা কাজকর্ম ঠিকঠাক মতো করা।সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে গেছে।এভাবেই আমার পরিবর্তন ঘটতে লাগলো।এখন আমি মানসিকভাবে অনেকটাই শক্তিশালী এখন কোনকিছুতেই আর কষ্ট পাই না,কাউকে নিয়ে ভাবার টাইম নেই আমি নতুন করে বাঁচতে শিখেছি হাসতে শিখেছি,ভালো থাকতে শিখেছি।আর এতেই ঘটে গেলো আবারও বিপত্তি। কিছু কিছু মানুষ আমার এই পরিবর্তন টাকে সহজ ভাবে মেনে নিতেই পারছে না।সেগুলো আজ আর বলবো না অন্য দিন শেয়ার করবো আপনাদের সাথে।
আমার বাংলা ব্লগ আমার জীবনের বেঁচে থাকার অবলম্বন আমার ভালো থাকার কারন।তাই যতদিন ভালো থাকবো ততদিন এই প্রাণের কমিউনিটির সাথে নিজেকে যুক্ত রাখবো।অসুস্থতার কারনে মাঝে মাঝে কাজ থেকে বিরতি নিতে হয় কিন্তু মনে প্রাণে সবসময়ই যুক্ত থাকার চেষ্টা করি।স্টিমিট এ আমার নতুন করে বেঁচে উঠার গল্প রেখে দিলাম আমি না থাকলেও যেনো আমার গল্প গুলো থেকে যায়।


বর্তমান সময়ে সহজ সরল মানুষকে সবাই ঠকায়। আপনার পোস্ট পড়ে বেশ ভালো লাগলো আপু। তবে আপনার মায়ের মৃত্যুর খবরটা শুনে অনেকটাই খারাপ লাগলো। বর্তমানে ক্যান্সার হলে বেশিরভাগ রোগী মারা যায়। আপনি ভয়কে জয় করে নিজেকে পরিবর্তন করেছেন। এটা খুবই ভালো বিষয়। এরকম একটা পোস্ট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন আপু সহজসরল মানুষ কে প্রতি পদে পদে ঠকতে হয়।আমিও জীবনে বহুবার ঠকেছি আর নতুন করে শিখেছি।ক্যান্সার যে মরণঘাতী রোগ তা আসলেই সত্যি।সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনার জীবন বৃত্তান্ত পড়ে খুব খারাপ লাগলো। আপনি বাবা-মার একমাত্র কন্যা সন্তান। বিয়ের পরে নিজের পদবী পরিবর্তন করেছেন। মায়ের মৃত্যু এবং মানুষের কিছু আচরণে আপনার ভারসাম্য পরিবর্তন হয়। আর এর ফলে আপনি কিছু কিছু সময় কঠিন পরিস্থিতি সম্মুখীন হন। এমনকি নিজের জীবন শেষ করে দেয়ার মত কিছু সময় চলে আসে। যখন আপনার হুঁশ ফেরে তখন আপনি আপনার মেয়েদের কথা মনে পড়ে আবার সেখান থেকে অভিনয় ফিরে আসেন। আপনার এই কঠিন পরিস্থিতি দেখে আপনার সন্তানরা আপনার কাছে আসতে ভয় পেত। আপনার এই লেখা গুলো যখন পড়ছিলাম তখন নিজের কাছে খুব খারাপ লাগছিল আপু। ধন্যবাদ জানাই শুভ ভাই এবং হীরামনি ভাবিকে যিনারা আপনাকে কাজের মধ্যে নিয়ে আসে এবং আপনার আস্তে আস্তে পরিবর্তন হয়। সবই সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ। খুব এখন আপনি অনেক সুস্থ আছেন এবং ভালো আছেন।
হ্যাঁ ভাইয়া আমার জীবনে অনেক কঠিক সমস্যা সম্মুখীন হতে হয়েছে যা ওভারকাম করা খুবই কঠিন ছিলো।হঠাৎ করেই আমার বাংলা ব্লগ এ আসা আর আমার জীবনের মোড় ঘুরে যাওয়া সবকিছুই যেনো ঈশ্বরের আশীর্বাদের মতো হয়েছে।আর আজ তাই আপনাদের সবার ভালোবাসায় আমি নতুন করে বাঁচতে শিখেছি ভালো আছি।দোয়া করবেন ভাইয়া। ধন্যবাদ।
কখন যে চোখের কোনে পানি চলে এসেছে, তা যেন বুঝে উঠতেই পারিনি। অন্তত এটা ভেবে ভালো লাগছে যে, কিছুটা হলেও আপনার কঠিন সময়ে নিজেকে যুক্ত করতে পেরেছি। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা, আপনার জন্য খুবই জরুরী। এবারও আপনার কাছ থেকে ভাইফোঁটা নেওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকলাম। আপনার আগামী দিনগুলো দুশ্চিন্তা মুক্ত ও সুন্দর হোক এমনটাই প্রত্যাশা ব্যক্ত করি। 🙏
আপনি এবং ভাবি আমার কাছে ঈশ্বরের আশীর্বাদ এর মতো।আপনারা ছিলেন বলেই আজ আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে পেরেছি।ধন্যবাদ দিয়ে আপনাকে ছোট করবো না।অবশ্যই ভাইফোঁটা পাবেন।🙏🙏
বেশিরভাগ মানুষ সহজ সরল হয়ে ঠকে এবং এক পর্যায়ে সেই মানুষটি কঠিন থেকে কঠিনতম হয়ে যায়।আপনার পোস্টের শুরতে কষ্টের কথা থাকলেও শেষ আপনার পরিবর্তন এবং ভালো থাকার কথা গুলো জানতে পেরে ভালোই লাগছে। আসলে জিবনটা এমনি কঠিন সময় গুলো একাই পার করতে হয়। আর নিজ ভালো থাকলে পুরা জগৎ কে ভালো মনে হয় কে কি বলল কে কি ভাবলো এসব ভেবে নিজের কষ্ট বাড়ানো ছারা আর কিছুই নয়।ধন্যবাদ আপনার সুখ, দুঃখের কথা শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছো মানুষ ঠকতে ঠকতে একটা সময় গিয়ে কঠিন হয়ে যায়। তখন আর কোনো দুঃখ কষ্ট তাকে ছুঁতে পারেনা।অসম্ভব সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাই তোমাকে।
এখনকার দিনে উপকার করলে মানুষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না,বরং ক্ষতি করার চেষ্টা করে। একটা সময় আমিও বিভিন্ন ভাবে উপকার করেছি মানুষের। কিন্তু নিজেকে এখন অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছি। আপনার জীবন সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পেরেছি আপু। তবে শুভ ভাই এবং হীরা আপু আপনার দুর্দিনে আপনাকে বেশ সাপোর্ট দিয়েছে। সর্বোপরি আপনার পুরো পরিবারের প্রতি শুভকামনা রইল।
আসলেই তাই এখনকার দিনে মানুষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার চেয়ে উল্টো বিপদে ফেলে।স্বার্থপর মানুষের সাথে চলার চেয়ে নিজিকে গুটিয়ে রাখাই ভালো ভাইয়া।ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনার জীবনের গল্পটা খুব ভয়ানক ছিল আপু পুরো লেখা টা পড়ে অনেক খারাপ লেগেছে। আসলে মানুষের জীবনে এমন কিছু কিছু ভয়ঙ্কর কাহিনী লোকিত থাকে। তা সবার সাথে শেয়ার না করলেই বুঝা যায় না। জীবনে অনেক সংগ্রাম করে এগিয়ে আসছেন। হয়তো আপনার পাশের মানুষ গুলো যদি আপনাকে সাপোর্ট না করতো তাহলে আপনি এভাবে সুস্থ হয়ে আসতে পারতেন না। যাক অবশেষে আপনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন এটাই হচ্ছে খুশির খবর। আপনার জীবন ভালো কাটুক মেয়েদেরকে নিয়ে এই কামনা করি।
হ্যাঁ আপু মানুষের জীবনে অনেক ভয়ংকর রকমের গল্প থাক যা সবসময় প্রকাশ করা যায় না।আসলেই আমার পাশের মানুষ গুলোর জন্যই আপনাদের সন্ধান পেয়েছি,যখন আপনাদের সাথে কথা বলি তখন খুবই ভালো লাগে মনে হয় আপনারা আমার সবচেয়ে আপন মানুষ। দোয়া করবেন আপু।ধন্যবাদ।
আপু আপনার অবস্থাটা বুঝতে পেরেছি। কি অবস্থায় পড়লে মানুষ আত্নহত্যার পর্যায়ে পৌছতে পারে। যায়হোক শুভ ভাইয়া আর হীরা ভাবির সাথে পরিচয় হয়ে ভালই হয়েছে। আশা করছি ধীরে ধীরে আপনার দিন আরো সুন্দর হবে। ধন্যবাদ।
জ্বি ভাইয়া অনেক খারাপ পরিস্থিতি থেকে আজ এখানে আসতে পেরেছি।দোয়া করবে।ধন্যবাদ।