ফটোগ্রাফি:- গ্রামীণ প্রকৃতি।
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ- ২২ শে মার্চ, শনিবার, ২০২৫ খ্রিঃ।
আমি আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
কভার ফটো
কয়েকটি ফটোগ্রাফি একত্রিত করে সুন্দর একটি কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।
আমি আজকে আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি প্রতিনিয়ত আমার বাংলা ব্লগে নতুন নতুন পোস্ট শেয়ার করতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে। আমরা সবাই আমাদের চারপাশের প্রকৃতিকে অনেক বেশি ভালোবাসি। আমার কাছে মনে হয় প্রকৃতি আমাদের জীবন প্রকৃতি আছে বলেই আমরা জীবিত আছি। আর এই প্রকৃতিকে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখার দায়িত্বটাও আমাদের। প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য আমাদের প্রত্যেকের হৃদয়কে মুগ্ধ করে। প্রকৃতির সাথে সুন্দর সময় কাটাতে আমরা সবাই অনেক পছন্দ করি। আমি গ্রামে গেলে সব সময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝেই ঘুরে বেড়ায় আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমার ফোনের ক্যামেরায় বন্দি করে রাখি। ব্যক্তিগতভাবে প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করতে ভীষণ পছন্দ করি আর ফটোগ্রাফির ভেতরেই আনন্দ খোঁজার চেষ্টা করি। আমি বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ফটোগ্রাফি করেছি যেগুলো আমি এখন আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। তাহলে চলুন দেরি না করে আমার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আসি।
প্রথম ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৩ ই জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া
আমার প্রথম ফটোগ্রাফিতে রয়েছে শীতের সকালের সূর্য উদয়ের দৃশ্য। গ্রামে গিয়ে সকালে ঘুম থেকে উঠে মাঠে গিয়ে সূর্যোদয়ের দৃশ্য দেখতে ভীষণ ভালো লাগে। শীতের সকালে প্রচন্ড কুয়াশা ভেদ করে যখন সূর্যের আলো গায়ে এসে লাগে তখন খুব সুন্দর অনুভূতি হয়। সকালে সূর্যোদয়ের দৃশ্য দেখলে সারাটা দিন খুবই ভালো যায়। আর এমনিতেও খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠা আমাদের শরীরের জন্য ভীষণ উপকার। সকালে ঘুম থেকে উঠে সূর্য উদয়ের দৃশ্য দেখা হৃদয়ের প্রশান্তি।
দ্বিতীয় ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৩ ই জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া
আমার দ্বিতীয় ফটোগ্রাফিতে রয়েছে নদীর দৃশ্য। নদীর অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবসময় আমাকে মুগ্ধ করে। আমাদের বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ এই দেশে জলের মতো ছড়িয়ে রয়েছে হাজারো নদী। আমাদের দেশের প্রতিটি নদী যেন আমাদের সাথে কথা বলে। আমরা আমাদের নদীগুলোর কাছে হৃদয়ের সুখ দুঃখ গুলো শেয়ার করি। যেকোনো সময়ে নদীর পাড়ে গিয়ে বসে সময় কাটাতে ভীষণ ভালো লাগে।
তৃতীয় ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া
আমার তৃতীয় ফটোগ্রাফিতে রয়েছে এ গ্রামীন মেঠো পথের দৃশ্য। গ্রামে গিয়ে এরকম রাস্তাতে বাইক নিয়ে ঘুরে বেড়াতে ভীষণ ভালো লাগে। যদিও এই রাস্তাটা একটু বেশিই ধুলো আছে কারণ এটা নদীর ভেতরের একটি রাস্তা। আমরা নদীর ভেতরে একটা পিকনিকের জন্য বাইক নিয়ে সবাই মিলে গিয়েছিলাম সেখানে নদীর চরের উপরে পিকনিক করেছিলাম। আমি বন্ধুর বাইকে বসে এই ফটোগ্রাফিটি করেছিলাম।
চতুর্থ ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া
আমার চতুর্থ ফটোগ্রাফি তে রয়েছে আখের খোলার দৃশ্য। এই দৃশ্যগুলো সাধারণত গ্রাম অঞ্চলেই দেখা যায়। তবে যত সময় যাচ্ছে ততই এসব দৃশ্যগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। গ্রাম অঞ্চলে কয়েক বছর আগেও এইসব দৃশ্য প্রচুর পরিমাণে দেখা যেতো। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন শীতের সময় আখের খোলা মানেই সন্ধ্যার পরে আড্ডাখানা। আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে এই আখের খোলায় গিয়ে আখ খেয়েছিলাম।
পঞ্চম ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৪ ই জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া
আমার পঞ্চম ফটোগ্রাফিতে রয়েছে আখের গুড়ের কুলা। আপনারা যারা গ্রামে থাকেন তারা এসব শব্দগুলোর সাথে পরিচিত। আমাদের এদিকে শীতের সময় যখন আখ মাড়াই করা হয় তখন বেশিরভাগ খোলাতেই আখের গুড়ের এই কোলা দেখা যায়। অনেক বড় বড় এই কোলাগুলোতে আড়াই মন থেকে তিন মন পর্যন্ত আখের গুড় থাকে। আমরা আখের খোলাতে গিয়ে গরম গরম গুড় খেয়েছিলাম ভীষণ ভালো লেগেছিল।
ষষ্ঠ ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া
আমার ছোট্ট ফটোগ্রাফিতে রয়েছে সূর্যাস্তের দৃশ্য। আমরা এবছরের শুরুর দিকে নদীর চরের ভেতরের একটি আখের খোলাতে গিয়েছিলাম সেখানে গিয়েই আমরা সবাই মিলে পিকনিক করেছিলাম। বিকালের সময়টাতে আমরা আখ এবং গরম গরম গুড় খেয়েছিলাম সবাই মিলে খুবই মজা করেছিলাম। এই খোলাতে হাটাহাটি করতে করতে হঠাৎ করে চোখে পড়ে সূর্যাস্তের দৃশ্য। তারপরেই দৃশ্যটি আমার ফোনে ক্যামেরাবন্দি করে রেখেছিলাম।
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
আমি কে !
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে। আমি বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে সিভিল টেকনোলজিতে বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে লেখাপড়া করছি। আমি ভ্রমণ করতে, গান গাইতে ও শুনতে, কবিতা লিখতে ও পড়তে, আর্ট করতে, রান্না করতে ও ফটোগ্রাফি করতে খুবই পছন্দ করি। "আমার বাংলা ব্লগ" আমার গর্ব "আমার বাংলা ব্লগ" আমার ভালোবাসা। আমার নিজের ভেতরে লুকায়িত সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে "আমার বাংলা ব্লগে" আমার আগমন। এই স্বল্প মানব জীবনের প্রতিটা ক্ষণ আমার কাছে উপভোগ্য। আমি মনে করি, ধৈর্যই সফলতার চাবিকাঠি।
@aongkon


Comment link:
https://x.com/aongkonbd/status/1903464030343516392?t=UNMx8XhjZcpeL-WmaqdqwQ&s=19
https://x.com/aongkonbd/status/1903397033286713834?t=EusjLPdx_uZTPfIKAkNBng&s=19
https://x.com/aongkonbd/status/1903336051739070705?t=h0rLYYYhGjnHdhr79v6WJA&s=19
0.00 SBD,
0.00 STEEM,
0.00 SP
গ্রামীণ দৃশ্যের ফটোগ্রাফি গুলো দেখলে আসলেই খুব ভালো লাগে। আপনি আজকে দারুন কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। নদীর ফটোগ্রাফিটা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। শেষে সূর্যাস্তের ফটোগ্রাফিও চমৎকার ছিল। সুন্দর কিছু গ্রামীণ দৃশ্যের ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
বাংলাদেশের গ্রামীণ চিত্র দেখতে খুবই ভালো লাগে। আপনি গ্রামের প্রকৃতির বিভিন্ন ক্যাটাগরির ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। আপনার শেয়ার করা প্রতিটি ফটোগ্রাফি আমার কাছে প্রশংসনীয় লেগেছে। এত সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।