ফটোগ্রাফি!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
আগে প্রচুর পরিমাণ ফটোগ্রাফি করা হলেও ইদানিং আমি সেরকম ফটোগ্রাফি করি না বললেই চলে। সত্যি বলতে ফটোগ্রাফি না করার কারণ ঢাকার মধ্যে আমি ফটোগ্রাফি করার সেরকম কোন জায়গা পাই না। যেদিকেই তাকাই শুধু বিল্ডিং এবং কংক্রিট। রাস্তায় শুধু যানবাহন। এইজন্য বাড়িতে গেলে প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখলেই চেষ্টা করি ফটোগ্রাফি করার। ফটোগ্রাফি গুলো ধারণ করে রাখার চেষ্টা করি। যাইহোক আজ সেরকমই আরও কিছু ফটোগ্রাফি আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করে নেব। আশাকরি আপনাদের বেশ ভালো লাগবে।
- এটা কী হয়তো বুঝতে পেরেছেন। বিয়েতে অন্যদের খাবারের থেকে বরের খাবার কিছুটা ভিন্ন হয়। বরকে অনেক বড় একটা পাএে খাবার দেওয়া হয়। আমার বন্ধু লিখনের বিয়েতে তাকে এভাবে খাবার দেওয়া হয়েছিল। ঐসময় আমি এই ফটোগ্রাফি ধারণ করেছিলাম। মোটামুটি সবকিছু গুছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল তারা।
- এটা আমার বন্ধু লিখনের বিয়ের গাড়ি। বরের গাড়ি হিসেবে যদিও সেরকম বাহারি ভাবে সাজানো হয় না কিন্তু তারপরও বেশ সুন্দর লাগছে দেখে। লিখন আমাকে গাড়িতে ওর পাশে বসতে বললেও আমি সেটা করিনি। আমি আমার আরেক বন্ধুর সাথে বাইকে করে গিয়েছিলাম। গাড়ি যাএা শুরু করার আগে এই ফটোগ্রাফি টা আমি ধারণ করেছিলাম।
- বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন ঝামেলায় পড়ে গিয়েছিলাম। লিখনের গায়ে হলুদের দিন আমার প্রথম থেকেই থাকার কথা ছিল। কিন্তু ডাক্তারের কাছে যাওয়ায় সেটা আর হয়ে উঠেনি। তবে যখন সব অনুষ্ঠান শেষ তখন আমি গিয়েছিলাম। তখন একটু ফর্মালিটির জন্য লিখনকে খাইয়ে দিয়ে আসি। যদিও তখন আর সেরকম কেউ ছিল না। এটা ঐসময় ধারণ করা।
- একদিন বিকেলে টুটুল ভাইয়ের সাথে কুষ্টিয়া হরিপুর ব্রীজে ঘুরতে গিয়েছিলাম। মোটামুটি সবকিছুই সুন্দর ছিল। ব্রীজের উপর বেশ কিছু পাখি ছিল। যদিও আমার সিঙ্গেল বড় ভাই থাকাই সেদিকে আমি তাকাইনি। আমি শুধু তাকিয়ে ছিলাম এই নয়াভিরাম প্রকৃতির দিকে। আর ঐসময় এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করা।
- হরিপুর ব্রীজটা খুব বেশি প্রশস্ত না। বলা যেতে পারে অনেক টাই সরু। যদিও এটা লোকাল রোডের ব্রীজ কিন্তু এটা আরেকটু বড় হলে ভালো হতো। অনেক সময় এই সরু রাস্তার জন্য এখানে দূর্ঘটনা ঘটে। এইজন্যই বেশ অনেক দিন ব্রীজের উপরে দাঁড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল প্রশাসন।
- এই ফটোগ্রাফি টা হরিপুর ব্রীজের নিচে থেকে করা। এর আগে আমি কখনও নীচের দিকে যায়নি। তখন সূর্য প্রায় পশ্চিম আকাশে অস্ত যাওয়ার অপেক্ষায়। সূর্যের শেষ আলোকরশ্মি নদীর পানিতে এসে পড়ছে। ঐসময় আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম। এ যেন এক অসাধারণ সৌন্দর্য। বিকেলের সব সৌন্দর্য এটা যেন নিজের মধ্যে নিয়ে নিয়েছে।
- আমাদের গ্রামের মাঠে এবার অনেক পানি হয়েছে। গতবারও হয়েছিল কিন্তু গতবার আমি বাড়ি যেতে পারিনি। এবার এত পরিমাণ পানি দেখে বেশ ভালো লাগছিল। ইচ্ছা ছিল মাছ ধরার। কিন্তু ঐরকম সময় বা প্রস্তুতি কোনটাই ছিল না। শুধুমাত্র এই সৌন্দর্য টা উপভোগ করেই ইতি টানতে হয়েছে।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।
















.png)



Daily task
https://x.com/Emon423/status/1974378724285116773?t=W0lsKlZs35ZVItnhHgfiFg&s=19
https://x.com/Emon423/status/1974379152892674540?t=l2onYpRP-IdmBiH-lnGUng&s=19
আজ আপনি এত সুন্দর এবং মনোমুগ্ধকর দেখতে ফটোগ্রাফি করেছেন দেখে তো এক নজরে তাকিয়ে ছিলাম। ধৈর্য ধরে এরকম ভাবে ফটোগ্রাফি করা হলে বেশি সুন্দর হয়। আর অনেক সুন্দর ভাবেই ফুটে ওঠে। আপনি অনেক সুন্দর করেই ফটোগ্রাফি করতে পারেন। এভাবে চেষ্টা করলে আরো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে পারবেন পরবর্তীতে। আপনার পরবর্তী ফটোগ্রাফি পোস্ট দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
ওয়াও আপনি তো দারুণ দারুণ কিছু এলোমেলো ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।আপনার তোলা প্রতিটা ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে ভাইয়া।বিশেষ করে সূর্যের সাথে ব্রিজের ফটোগ্রাফি আমার অনেক ভালো লেগেছে।ফটোগ্রাফির পাশাপাশি বেশ সুন্দর বর্ণনা উপস্থাপন করছেন।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আপনার শেয়ার করা আজকের ফটোগ্রাফি পোস্ট রীতিমতো দুর্দান্ত হয়েছে বিশেষ করে পোষ্টের নিচের বর্ণনা গুলি খুবই সুন্দর এবং গোছালোভাবে উপস্থাপন করেছেন যা পড়ে ফটোগ্রাফি সম্পর্কে খুবই সুন্দর ধারণা পেয়ে গেলাম।