" শ্বশুরবাড়ির আশেপাশের কিছু ফটোগ্রাফি "
হ্যালো বন্ধুরা,
মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয় "আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে ভালো আছি।আর প্রতিনিয়ত ভালো থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি।আশাকরি আপনারা ও এমনটাই চেষ্টা করে যাচ্ছেন ভালো থাকার।
আমি @shimulakter,"আমার বাংলা ব্লগ"এর আমি একজন নিয়মিত ইউজার।আমি ঢাকা থেকে আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।প্রতিদিনের মতো আমি আজও নতুন একটি ব্লগ নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি।আমি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করি নতুন নতুন কিছু নিয়ে পোস্ট শেয়ার করতে।তার ই ধারাবাহিকতায় আজ আমি ফটোগ্রাফি পোস্ট শেয়ার করতে চলে এলাম।
শ্বশুরবাড়ির আশেপাশের কিছু ফটোগ্রাফিঃ
বন্ধুরা,আজ আবার হাজির হয়েছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।আজ শেয়ার করে নেবো ফটোগ্রাফি পোস্ট।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।আর সবুজ প্রকৃতির সান্নিধ্যে থেকে ফটোগ্রাফি করবো না তা কি হয়।তাইতো ছুটিতে যখন বাড়িতে গিয়েছিলাম তখন প্রকৃতির সান্নিধ্যে থেকে বেশকিছু ফটোগ্রাফি আমি আমার মোবাইলে ধারন করেছিলাম।শ্বশুরবাড়ির চারপাশটা সবুজের সমারোহ।আজকের ফটোগ্রাফি গুলো সেই পরিবেশ থেকেই নেয়া।আশাকরি আমার মতো আপনাদের কাছেও আজকের ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লাগবে।
আমার ঘুম খুব সকালেই ভাঙে।ঘুম খুব সকালে ভাঙে বললে ভুল হবে।আমি মোবাইলে এলার্ম দিয়ে খুব সকালেই ঘুম থেকে উঠি।কারন প্রতিদিন সকালে ১ ঘন্টা হেঁটে আসা এটা একান্ত ই আমার সময়।সবাই যখন ঘুমে থাকে সেই সময়টাতে আমি হাঁটি।বাড়িতে গিয়েও তাই করেছি।অবশ্য একা সেটা সম্ভব হত না।আম্মু ছিল,আম্মুকে নিয়েই এক ঘন্টা হেঁটেছি প্রতিদিন।হেঁটে আসতে আসতে ভোরের সূর্য খানিকটা উঁকি দিচ্ছিল সেই সময়টাতে আমি বাসায় এসে বারান্দা থেকে বেশকিছু ফটোগ্রাফি করি।প্রথম ফটোগ্রাফিটি আমার শ্বাশুড়ি মায়ের লাগানো চালতা গাছের।সূর্যের আলো পরাতে গাছের পাতাগুলো চকচক করছিল। দেখে এতো ভালো লাগছিল।তাই দেরী না করে সাথে সাথে ই বারান্দা দিয়ে ফটোগ্রাফিটি আমি করে নেই।
এরপর আমি আমার বেডরুমের জানালা দিয়ে নীচের ফটোগ্রাফি গুলো করি।আমার শ্বশুরবাড়ির আশেপাশে সবুজ প্রকৃতির সমারোহ।যেদিকেই চোখ যায় সেদিকেই সবুজ।কিছু কিছু সবুজ নিজেদের হাতে লাগানো।আবার কিছু সবুজ অযত্নে অবহেলায গড়ে উঠে।
বাড়িতে এলে এতো সুন্দর প্রকৃতি দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই। বিশেষ করে সকালের সময়টা ভীষণ আদুরে লাগে।যারা ভোরে উঠেন ঘুম থেকে তারা এই অনুভূতি গুলো উপলব্ধি করতে পারবেন।
ভোরে ছেলেকে স্কুলে দিয়ে প্রতিদিন ই আমি হাঁটি তা প্রায় বছর পাঁচ তো হবেই।কিন্তু বাড়িতে গিয়ে এতো ভোরে উঠে কখনও বের হওয়া হয়নি।আম্মু ছিল তাই সম্ভব হয়েছে।এবার সকালে বাইরে বের হয়ে অনেক বেশি ভালো লেগেছে আমার।পথে দু একজন পথিক যারা আমার মতো ভেরে হাঁটে তাদের ছাড়া কেউ ছিলনা।কোন পরিচিত মানুষের সাথে দেখা হয়নি।এটা ভীষণ আনন্দের ছিল।খুব ইনজয় করেছিলাম প্রতিটি সকাল।গ্রামীণ সকালের সৌন্দর্য এবার দেখা হয়েছে।তাই এবার ভোরের সুন্দর অনুভূতি গুলো মনের মধ্যে গেঁথে আছে।
আজকের ফটোগ্রাফি গুলো ঠিক সকালেরই তোলা।তখন ও কেউ ঘুম থেকে উঠেনি।আমি আমার চোখের তৃপ্তি নিয়ে ফটোগ্রাফি গুলো করে নিয়েছিলাম।আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে।ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।
আজ আর নয়।আজকের ফটোগ্রাফি গুলো যদি ভালো লাগে আপনাদের কাছে তবেই আমার সার্থকতা।ভালো থাকবেন সবাই।আবার দেখা হবে অন্য কোন পোস্টে।
ধন্যবাদ সবাইকে
পোস্ট বিবরন
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি পোস্ট |
|---|---|
| ক্যামেরা | Galaxy A16 |
| পোস্ট তৈরি | @shimulakter |
| লোকেশন | ঝালকাঠি,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আমি আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি ( জিওগ্রাফি) কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ। ভালোবাসি বই পড়তে, নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।













আপনি দেখছি শ্বশুরবাড়ি তার পাশের চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। তবে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো চমৎকার হয়েছে। মনে হয় আপনি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে হারিয়ে গেলেন। ধন্যবাদ এত চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।