মুগডাল দিয়ে লাউ ঘন্ট।
হ্যালো বন্ধুরা
সবাইকে আমার নমস্কার,আদাব।আশাকরি আপনারা সকলেই ভালো আছেন,সুস্থ আছেন?ঈশ্বরের অশেষ কৃপায় আমিও পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে ভালো আছি,সুস্থ আছি।
মাছ মাংস আমরা প্রতিদিনই খেয়ে থাকি।প্রতিদিন মাছ মাংস খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়েমি চলে আসে তখন স্বাদের ভিন্নতা আনতে নিরামিষ খাবার গুলো খুবই কাজে দেয়।আমি এমনিতেই মাছ মাংস খুব একটা পছন্দ করি না তাই নিরামিষ রান্না গুলো বেশি করা হয়ে থাকে।লাউ খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল।আমরা বেশিরভাগ সময় চিংড়ি অথবা ইলিশ মাছ দিয়ে লাউ রান্না করে থাকি যা খেতে অনেক ভালো লাগে।আমি মাঝে মাঝে নিরামিষ করে লাউ ঘন্ট রান্না করি সেটা খেতেও অনেক ভালো লাগে।আজকে আমি মুগ ডাল দিয়ে নিরামিষ করে লাউ ঘন্ট রান্না করেছি সেই রেসিপি টি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।চলুন তাহলে রেসিপি টি জেনে নেওয়া যাক।
| উপকরণ |
|---|
| লাউ |
| মুগডাল |
| কাঁচামরিচ |
| ধনেপাতা |
| শুকনামরিচ |
| আদাগুঁড়া |
| জিরাগুঁড়া |
| লবণ |
| হলুদগুঁড়া |
| তেজপাতা |
| গোটা জিরা |
| সয়াবিন তেল |
প্রথম ধাপঃ
প্রথমে কড়াই বসিয়ে দিয়েছি তারপর পরিমাণ মতো তেল দিয়ে শুকনা মরিচ তেজপাতা গোটা জিরা ফোঁড়ন দিয়ে দিয়েছি।তারপর কাঁচামরিচ ফালি গুলো দিয়ে একটু ভেজে নিয়েছি।

দ্বিতীয় ধাপঃ
এবার মুগডাল দিয়ে অল্প আঁচে নেড়েচেড়ে হালকা করে ভেজে নিয়েছি।

তৃতীয় ধাপঃ
মুগডাল ভাজা হলে কেটে রাখা লাউ গুলো দিয়ে দিয়েছি।তারপর লবণ হলুদ গুঁড়া দিয়ে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিয়েছি।

চতুর্থ ধাপঃ
লবণ হলুদ দেওয়ার পর কিছুক্ষণের জন্য ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিয়েছি।কিছুক্ষণ পর ঢাকনা খুলে দিয়েছি।

পঞ্চম ধাপঃ
এবার আদাগুঁড়া জিরাগুঁড়া দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিয়েছি।

ষষ্ঠ ধাপঃ
সামান্য একটু জল দিয়ে ঢেকে দিয়েছি যাতে করে ডাল ও লাউ গুলো সিদ্ধ হয়।কিছুক্ষণ পর ঢাকনা খুলে ভালো করে নেড়েচেড়ে কষিয়ে নিয়েছি।

সপ্তম ধাপঃ
এবার ধনেপাতা কুঁচি গুলো দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে চুলার আঁচ বন্ধ করে দিয়েছি।আর এভাবেই তৈরি হয়ে গেলো মজাদার মুগডাল দিয়ে লাউ ঘন্ট রেসিপি টি।

পরিবেশন
চুলা থেকে নামিয়ে একটা পাত্রে তুলে নিয়েছি।এখন গরম ভাতের সাথে খাওয়ার জন্য প্রস্তুত লাউ ঘন্ট রেসিপি টি।

আজ এখানেই শেষ করছি আবার দেখা নতুন কোনো রেসিপি নিয়ে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবে।ধন্যবাদ।








বুঝলাম না দিদি আমি আপনার জান হলাম কেমনে? এত সুন্দর সুন্দর রান্না বান্না করে খান। আর আমার কথা একবারও মনে করেন না। এটা কি ঠিক হলো? 😂😂😂😂😂😂😂। তা যাই হোক সুন্দর আর অসাধারন ছিল রেসিপিটি। আমি তো মুগ্ধ হয়ে গেলাম।
সুন্দর রান্না খেতে হলে আসতে হবে৷ একদিন চলে আসেন ভালো ভালো রেসিপি করে খাওয়াবো। ধন্যবাদ জান।
বাসায় প্রায়ই মুগডাল দিয়ে লাউ ঘন্ট তৈরি করি। খেতেও কিন্তু বেশ মজা লাগে। তাছাড়া কালার টি দেখে মনে হচ্ছে অনেকটাই সুস্বাদু হয়েছে। তবে আমি মাঝে মাঝে মুগ ডালের পরিবর্তে মসুর ডাল ব্যবহার করে থাকি। ধন্যবাদ আপনাকে।।
মুগডাল দিয়ে খাওয়া হয় কিন্তু কখনো মসুর ডাল দিয়ে খাওয়া হয়নি।এরপর অবশ্যই একদিন ট্রাই করবো আপু।ধন্যবাদ আপু।
ডায়েট করছি এর জন্য সবজিটা একটু বেশি খাওয়া প্রয়োজন তাই মন চাই আপনার বাসায় শিফট হয়ে যাই যেহেতু আপনি মাছ-মাংসের চেয়ে সবজিটা বেশি রান্না করেন। মুগ ডাল দিয়ে অনেক মজাদার লাউ ঘন্ট রেসিপি শেয়ার করেছেন তাছাড়া কিভাবে এমন মজার রেসিপি তৈরি করতে হয় সেটা তুলে ধরেছেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল দিদি।
ডায়েট করলে তো সবজি বেশি খেতেই হবে তা না হলে পেট ভরবে কি করে!ডায়েট করা খুবই ভালো আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো ভাইয়া।ধন্যবাদ।
মুগ ডাল দিয়ে লাউ ঘন্ট তৈরি করার দারুণ একটা রেসিপি আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। এ রেসিপিগুলো আমার কাছে খুবই ভালো লাগে বিশেষ করে গরম ভাতের সাথে।
সুন্দর করে মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই ভাইয়া।
মুগডাল দিয়ে লাউ ঘন্ট সবারই খুব পছন্দের একটি খাবার অনেকে ঠাণ্ডার কারনে এটা খেতে পছন্দ করে না।আপনি আমার অনেক পছন্দের একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।
হ্যাঁ অনেকেই মনে করে যে লাউ খেলে ঠান্ডা লাগে কিন্তু এরকম হয় বলে মনে হয় না আমার।অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনি খুব পছন্দের একটি খাবার তৈরি করেছেন আমার। মুগ ডাল দিয়ে লাউ ঘন্ট আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে আর যদি হয় সঙ্গে গরম ভাত তাহলে তো কোনো কথাই নেই। আপনার রেসিপিটি দেখেই তো লোভ লাগছে। খুবই সুন্দর ভাবে আপনি প্রতিটা ধাপ আমাদের মাঝে বর্ণনা করেছেন।
গরম ভাতের সাথে সত্যিই লাউ ঘন্ট খেতে অনেক মজা লাগে।অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
লাউ আমার কাছে খুবই প্রিয় একটি তরকারি। বিশেষ করে গরমের সময় লাউ তরকারিটা মাছ দিয়ে রান্না করে রুটি দিয়ে খেতে ভীষণ ভালো লাগে। সবচেয়ে বড় কথা লাউ তরকারিটা হল খুব রসালো একটি তরকারি। তবে আপু আপনি মুগ ডাল দিয়ে লাউয়ের ঘন্ট তৈরি করেছেন। এভাবে মুগ ডাল দিয়ে লাউ ঘন্ট করে আমার কখনো খাওয়া হয়নি। তবে আপনি যে সুন্দর করে রান্না করেছেন তাতে বোঝাই যাচ্ছে খেতে কতটা সুস্বাদু হয়েছে। এত সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
শীত গরম কাল সবসময়ই লাউ আমার অনেক প্রিয় একটি খাবার।রুটি দিয়ে খেতে ভালো লাগে আমিও অনেক বার খেয়েছি।অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
ঠিক বলেছেন আপু লাউ পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। লাউ দিয়ে চিংড়ি মাছ খেতে অনেক ভালো লাগে। তবে আজকে নতুন একটি রেসিপি শিখতে পেরে ভালো লাগলো। মুগডাল দিয়ে লাউ ঘন্ট রেসিপি দারুন হয়েছে আপু। মনে হচ্ছে খেতে অনেক মজা হয়েছিল।
জ্বি আপু লাউ চিংড়ি খেতে ভীষণ ভালো লাগে।মুগডাল দিয়ে লাউ ঘন্ট খেতে অনেক মজা হয়েছিলো আপু।ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন মুগডাল দিয়ে লাউ ঘন্ট। আসলে এর এসপির সাথে আমি বেশ পরিচিত। যেহেতু ম্যাচে থাকতে হয় তাই এই রেসিপি প্রায় প্রত্যেক দিনে খাওয়া হয়। আসলে এই রেসিপি খেতে আমার কাছে বেশ ভালই লাগে। আপনার তৈরি রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ সুস্বাদু ছিল আপু। ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে রেসিপি তৈরীর পদ্ধতি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
বাইরে থেকে যারা পড়াশোনা করে তাদের খাবারের মান প্রায় সময়ই একইধরনের হয়ে থাকে।আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।ধন্যবাদ ভাইয়া।
লাউ সব সময় মাছ দিয়ে রান্না নয়ত ভাজি করেই খাওয়া হয়। আজ আপনি মুগ ডাল দিয়ে ঘন্ট করলেন।আমি খখনও ঘন্ট করিনি।আপনার রেসিপি দেখে ভীষণ ভালো লাগলো আপু। আপনি রান্নার ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। খেতে খুব মজার হয়েছে আশাকরি। অনেক ধন্যবাদ আপু মজার এই রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু বেশিরভাগ সময় সবাই মাছ দিয়েই লাউ রান্না করে খেয়ে থাকে।আমি নিরামিষ খাবার বেশি পছন্দ করি তাই এভাবে রান্না করি।জ্বি আপু সত্যিই অনেক মজা হয়েছিলো।ধন্যবাদ আপু।