সম্মান দিলে সম্মান পাওয়া যায়
আশা করছি আপনারা সবাই ভালো আছেন। মানুষ সামাজিক জীব হিসেবে সৃষ্টির পর থেকে সমাজে বসবাস করার ক্ষেত্রে একে অপরের সাথে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করে আসছে। আর একজন মানুষের সাথে আরেকজন মানুষের সাথে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাটাই হলো একধরনের সম্মান। আর সম্মান জিনিসটা পুরোটাই অনুভূতি বিষয়। আমরা ছোটবেলা থেকেই শিখে থাকি কিভাবে বড়দের সম্মান করতে হয়, কথা বলতে হয়।
কিন্তু বর্তমান সমাজে সম্মান দেয়ার থেকে বেয়াদবি করার সংখ্যাটা বেড়ে যাচ্ছে। এখনকার যুগের তরুণরা তারা বড়দের সম্মান করতে জানে না! আমাদের সময় গ্রামের মুরুব্বি চাচাদের দেখলে আগেই সালাম দিয়ে কুশল বিনিময় করে নিতাম। চাচারাও আমাদের খুব আদর করতো। আর এখনকার সময়ে দেখা যায় গ্রামের মুরুব্বিদের সম্মানের চোখে দেখা হয় না। তাদের মতামতকে একটা সময় অনেক গুরুত্ব দেয়া হতো কিন্তু এখন দেয়া হয় না। এখনকার মানুষ মুরুব্বিদের কথা থেকেও নিজের মতো করে ভাবতে পছন্দ করে বেশি।
কিন্তু তাদের ভাবনাও যে ভুল হতে পারে সেটা তারা বুঝতে চাই না। তারা মনে করে তাদেরটাই ঠিক। বর্তমানে যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি যেটা দেখা যায় সেটা হলো ক্ষমতার অপব্যবহার! আর ক্ষমতার বলে এখন মানুষ মানুষকে দাম দিতে চাই না। বয়সে বড় কাউকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে না। কিন্তু কথা হলো সম্মান দিলে কি সম্মান কমে যাবে অথবা আমি কি ছোট হয়ে যাবো। বরং আমার সম্মান তো বাড়বে!
আপনি যদি রিয়েল লাইফে চিন্তা করেন, আপনার বন্ধুর সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন সেটা নির্ভর করে আপনি তার সাথে কিভাবে সম্মান বজায় রেখেছেন। আপনি যদি উঠতে বসতে তাকে অসম্মান করে কথা বলেন, হেয় করেন। তাহলে দেখবেন আপনার বন্ধুত্বটা আর থাকবে না! বন্ধুত্ন টিকিয়ে রাখতে হলেও সম্মান দেয়া জরুরি! যেখানে সম্মান নেই সেখানে ভালোবাসা নেই। এজন্য অন্যকে সম্মান করুন, ভালোবাসুন। মনে রাখবেন, সম্মান দিলে সম্মান কমে না বরং বাড়ে!
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি কে?
আমার নাম হায়দার ইমতিয়াজ উদ্দিন রাকিব। সবাই আমাকে ইমতিয়াজ নামেই চিনে। পেশায় আমি একজন ছাত্র। বর্তমানে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর বিএসসি করছি ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয় (ডুয়েট) থেকে । পাশাপাশি লেখালেখি করে আসছি গত চার বছর ধরে। ভালো লাগার জায়গা হলো নিজের অনুভূতি শেয়ার করা, আর সেটা আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। নিজেকে সবসময় সাধারণ মনে করি। অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয় এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করি। বাংলা ভাষায় নিজের অভিমত প্রকাশ করতে ভালো লাগে। তাছাড়া ফটোগ্রাফি,কবিতা লেখা,গল্প লেখা ,রিভিউ,ডাই এবং আর্ট করতে ভালো লাগে। অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ভালো লাগে। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি। ভবিষ্যতে প্রিয় মাতৃভূমির জন্য কিছু করতে চাই।



