বুরুন্ডি পাহাড়ের পথে...
নমস্কার বন্ধুরা,
গালুডি ব্যারেজ পর্ব শেষ করে যাত্রাপথ এগিয়ে গেলো পরবর্তী গন্তব্যের দিকে। দ্বিচক্র যানে চেপে যাত্রা শুরু হলো ঘাটশিলা শহরের দিকে বুরুন্ডি পাহাড়ে। গালুডি ব্যারেজ থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে বুরুন্ডি ছিল ঘাটশিলা ভ্রমণের শেষ অধ্যায়। গালুডি ব্যারেজে ও সূবর্ণরেখা নদী পেছনে ফেলে কিছুটা এগোতে ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকলো প্রকৃতির ভাষা ও দৃশ্যপট। গালুডি ব্যারেজ সংলগ্ন অঞ্চলের খোলা শান্ত পরিবেশ থেকে ঢুকে পড়লাম সবুজ ঘাসে মোড়া পথে। মাঝে মধ্যে দুপাশে বিস্তৃত বনাঞ্চল, কোথাও লালচে মাটি। কিছুটা পথ এগিয়ে যেতেই পৌঁছলাম ন্যাশনাল হাইওয়েতে। রাস্তা ধরে এগোতে থাকলাম এবং ঘাটশিলা শহর পৌঁছাবার কিছুটা দূর আগেই বাঁদিকে পড়লো যাওয়ার পথ।
সকালে পাহাড়ের গা লাগোয়া কুয়াশা তখন আর নেই, রোদের তীব্রতাও বেশি নয়। নরম রোদ, হালকা বাতাস আর পরিস্কার আকাশ। সিংভূমের যেখানে গেছি সেখানে রাস্তায় খুবই সুন্দর। ন্যাশনাল হাইওয়েতে রাস্তা মসৃণ। যেই বুরুন্ডি যাওয়ার পথ ধরলাম শুরু হল এবড়ো খেবড়ো ও উঁচুনিচু পথ। পথ যতটা খারাপ ছিল পথের দুপাশের প্রকৃতির সৌন্দর্য যতটাই সুন্দর। যত এগোতে থাকলাম রাস্তার কোলাহল যেন ধীরে ধীরে নিঃশব্দে পরিণত হলো, মাঝে দু একটা ঘর বাড়ি দেখতে পাচ্ছিলাম বটে কিন্তু সেটা যে এতই কম পুরো পথে হয়তো হাতে গোনা বিশটা কিংবা প্রচেষ্টায় বাড়ি নজরে এলো। তবে কোলাহল দূরে সরে তার জায়গা নিলো পাখির ডাক, পাতা ঘষার আওয়াজ ও অদ্ভূত নীরবতা। দূর যেতেই ফের সুন্দর মুসলিম রাজশাহী পৌঁছে গেলাম।
ধীরে ধীরে চোখের সামনে পাহাড়ের টিলা গুলো ভেসে উঠতে থাকলো। বুঝলাম বুরুন্ডি পাহাড়ের দিকে চড়ছি। বুরুন্ডি পাহাড়ের যত কাছাকাছি পৌঁছাতে থাকলাম প্রকৃতির পরিবর্তন আরও স্পষ্ট হতে থাকলো। সমতল রাস্তা ধীরে ধীরে উঁচু হতে শুরু করলো। একটা সময় উপরে চড়তে চড়তে পাহাড়ের উপরে পৌছে গেলাম। একদিকে পাহাড়ের গায়ে লেগে আছে গাছপালা, আর অন্য পাশে রয়েছে গভীর খাদ। খাদ বললেও হয়তো বলাটা ভুল হবে, খাদে মূলত গাছের মেলা। পথ আরো খাড়া উড়তে থাকলো সেই সাথে সবুজ গাছপালা ঘেরা পরিবেশ আরো বাড়তে থাকল।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS







