সুপার সিক্সে ইন্ডিয়ার বিগ জয়!

in আমার বাংলা ব্লগ22 hours ago
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।

1000071385.png

Image Created by OpenAI

আজকে আপনাদের সাথে খেলাধুলা বিষয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করে নেবো। অনেকদিনের অনূর্ধ্ব ১৯ এর ম্যাচগুলো দেখা হচ্ছিলো না। আসলে এদিক থেকেও আমাদের ভারত ভালোই খেলে যাচ্ছে। এখন বর্তমানে গ্রুপ সিক্স এর খেলা হচ্ছে। ভারত মোটামুটি একটা শক্ত জায়গায় অবস্থান করছে। গতকাল যে খেলাটা ছিল সেটা একদম একটা নরমাল খেলার মতো খেলা হয়েছে। কারণ জীম্বাবুয়ে তেমন একটা ভালো অবস্থানে নেই। জীম্বাবুয়ে বর্তমানে যাদের অভিজ্ঞতা আছে, ওদের একটু বর্তমানে খেলাটা ভালো হচ্ছে। কিন্তু বাচ্চাদের অভিজ্ঞতা একদম শুন্য বলা যায়।

ইন্ডিয়া বর্তমানে সবদিক থেকে, বিশেষ করে টি২০ তে একটা ভালো অবস্থান তৈরী হয়েছে। তবে ইন্ডিয়ার ফিল্ডিংটা বিগত কিছু ম্যাচে দেখা যাচ্ছে, খুবই খারাপ। এমন স্টেজে গেছে যে, কোচ চেঞ্জ না করলে আর উপায় নেই। তবে যাইহোক, গতকালের ম্যাচে জীম্বাবুয়ে টস জিতেছিল এবং আগে ব্যাটিং করতে পাঠিয়েছিলো ইন্ডিয়াকে। ইন্ডিয়ার এই একটা সমস্যা অর্থাৎ তারা আগে ব্যাটিং করলে একটা আলাদা দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। কারণ জিততে গেলে রান ৩০০+ করতে হবে। তবে যাইহোক, জীম্বাবুয়ের মতো এমন প্লেয়ারদের সাথে খেলতে গেলে বেশি একটা চাপের প্রয়োজন হয় না। ইন্ডিয়ার এই অনূর্ধ্ব ১৯ টিমে একটা শক্তিশালী ওপেনার হচ্ছে বৈভব ছেলেটা।

এই ছেলেটা যতক্ষণ পিচে ব্যাটিং হাতে থাকে, ততক্ষণ রান রেট আকাশে থাকে। কারণ সিঙ্গেল খুব কম নেয়। সব রান প্রায় ওভার বাউন্ডারি। বেশিই ওভার বাউন্ডারি মেরে থাকে। তাও ৭০ রানের মতো একটা ভালো পার্টনারশিপ হয়েছিলো। কিন্তু পরে একটা বাড়তি চাপ পড়ে গিয়েছিল। কারণ পরপর ৩ টে উইকেট পড়ে গিয়েছিল। তবে একজন বেশ ধরে ধরে ভালো ব্যাটিং করছিলো, রান রেটটাকে ভালো স্থায়ী করে দিয়েছিলো। ইন্ডিয়ার এই একটা জায়গায় অবস্থান শক্ত হয়ে গেছিল। একজনের সেঞ্চুরি অনেক উপকারে এসেছিল। এই সেঞ্চুরি যেনো একটা আশীর্বাদ ছিল। সম্মিলিত ভাবে মোটামুটি ৩০০ করে দিয়েছিলো। এটা জীম্বাবুয়ের জন্য একটা কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল।

জীম্বাবুয়ে পরে এই রানের লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য ওপেন করতে নামে। কিন্তু কপাল খারাপ ছিল। ওপেনই দুটো উইকেট রান না করেই পড়ে গেলো। রান রেট জিরো ছিল তখন বলা যায়। তার পরে দুইজন টোটাল পার্টনারশিপ ৪০ করে আউট হয়ে গেলো, যেটা একটা মারাত্মক পেসার পুরো টিমের উপরে। পরে দুইজন ৯০ রানের একটা পার্টনারশিপ করলো আর ওটাই সর্বোচ্চ রান ছিল। ওর ভিত্তিতেই টোটাল ১৪৮ রানে অলআউট হয়ে গেলো। ইন্ডিয়া এই ম্যাচ ২০০ রানের উপরে জিতেছে। এদিকে তো প্লাস পয়েন্ট আছে একটা এবং সেই সাথে অলআউট করার জন্যও একটা প্লাস পয়েন্ট আছে।


শুভেচ্ছান্তে, @winkles


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png