অপূর্ণতার শহর
কিছু মানুষ চলে যায়—
কিন্তু তাদের ছায়া থেকে যায়,
ঘরের কোণে, নীরব রাতে,
অকারণে ভিজে যাওয়া চোখের পাতায়।
আমি আজও তোমাকে খুঁজি—
কোনো মানুষের ভিড়ে নয়,
বরং সেই নিঃশব্দ মুহূর্তে,
যখন নিজের কাছেই নিজেকে
সবচেয়ে বেশি অচেনা লাগে।
তুমি বলেছিলে,
“ভালো থেকো।”
কী অদ্ভুত বিদায় ছিল!
তুমি ভালো থাকার দায়িত্বটা দিয়ে গেলে,
কিন্তু ভালো থাকার কারণটা
সঙ্গে করে নিয়ে গেলে।
এখন রাত হলে
জানালার পাশে বসে থাকি—
আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবি,
একই চাঁদ কি তোমার জানালাতেও আলো দেয়?
হয়তো দেয়।
হয়তো তুমি ভুলেই গেছো
আমার নাম, আমার কণ্ঠ,
আমার সেই নির্বোধ অপেক্ষা।
কিন্তু আমি ভুলিনি।
কারণ কিছু ভালোবাসা
ভুলে যাওয়ার জন্য জন্মায় না—
তারা শুধু মানুষটাকে হারিয়ে
সারাজীবন বুকের ভেতর
একটা অসমাপ্ত কবিতা হয়ে বেঁচে থাকে।
আর তুমি?
তুমি আমার সেই কবিতা—
যার শেষ লাইনটা আজও লিখতে পারিনি।
কারণ কলম থেমে যায়,
চোখ ঝাপসা হয়ে আসে,
আর হৃদয় ফিসফিস করে বলে—
“যাকে এতটা ভালোবেসেছিলাম,
তার গল্প কীভাবে শেষ লিখি?”অপূর্ণতার শহর
কিছু মানুষ চলে যায়—
কিন্তু তাদের ছায়া থেকে যায়,
ঘরের কোণে, নীরব রাতে,
অকারণে ভিজে যাওয়া চোখের পাতায়।
আমি আজও তোমাকে খুঁজি—
কোনো মানুষের ভিড়ে নয়,
বরং সেই নিঃশব্দ মুহূর্তে,
যখন নিজের কাছেই নিজেকে
সবচেয়ে বেশি অচেনা লাগে।
তুমি বলেছিলে,
“ভালো থেকো।”
কী অদ্ভুত বিদায় ছিল!
তুমি ভালো থাকার দায়িত্বটা দিয়ে গেলে,
কিন্তু ভালো থাকার কারণটা
সঙ্গে করে নিয়ে গেলে।
এখন রাত হলে
জানালার পাশে বসে থাকি—
আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবি,
একই চাঁদ কি তোমার জানালাতেও আলো দেয়?
হয়তো দেয়।
হয়তো তুমি ভুলেই গেছো
আমার নাম, আমার কণ্ঠ,
আমার সেই নির্বোধ অপেক্ষা।
কিন্তু আমি ভুলিনি।
কারণ কিছু ভালোবাসা
ভুলে যাওয়ার জন্য জন্মায় না—
তারা শুধু মানুষটাকে হারিয়ে
সারাজীবন বুকের ভেতর
একটা অসমাপ্ত কবিতা হয়ে বেঁচে থাকে।
আর তুমি?
তুমি আমার সেই কবিতা—
যার শেষ লাইনটা আজও লিখতে পারিনি।
কারণ কলম থেমে যায়,
চোখ ঝাপসা হয়ে আসে,
আর হৃদয় ফিসফিস করে বলে—
“যাকে এতটা ভালোবেসেছিলাম,
তার গল্প কীভাবে শেষ লিখি?”