গল্প :- ভালোবাসা বিশ্বাস অর্জন করতে হয়। (প্রথম পর্ব)
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আমাদের আশেপাশে প্রায় বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। যেই ঘটনা গুলো অনেক সময় শিক্ষনীয় হয়ে থাকে। কখনো কখনো দুর্ঘটনা, আবার কখনো মর্মান্তিক ঘটনা। এজন্য আজকে আবার ও একটা কাহিনী নিয়ে হাজির হলাম। আশা করি আমার লেখাটা পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
আচ্ছা আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ভালোবাসা নিয়ে বাস্তবে একটি গল্প। ভালোবাসা বিশ্বাস অর্জন করতে হয়। বিশ্বাস ছাড়া ভালোবাসা হয় না। আবার সব মানুষকে বিশ্বাস করা যায় না। কারণ বিশ্বাস যে রাখতে পারে তাকে বিশ্বাস করা যায়। আর যে মানুষ বিশ্বাস রাখতে পারেনা তাকে বিশ্বাস করা যায় না। তারপরও মানুষ ভালবাসার মানুষকে বিশ্বাস করে। আর এই বিশ্বাসের মর্যাদা কিন্তু ভালোবাসার মানুষগুলো দিতে পারেনা। অনেক সময় ভালোবাসার প্রতারণার কারণে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যায়। তেমনি একটি ভালবাসার গল্প আমি আপনাদের মাঝে তুলে ধরব। আমার শাশুড়ির বাবার বাড়ির একটি ঘটনা।
তাদের বাড়ি তার ভাইয়ের মেয়ে এবং আর চাচাতো ভাইয়ের ছেলের প্রেমের কাহিনী। আমার শাশুড়ি ভাতিজির নাম হচ্ছে রুবি। আর তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলের নাম হচ্ছে কামাল। দুজন কিন্তু পড়ালেখা করে আর পড়ালেখা অবস্থায় তাদের প্রেম হয়। আর ফ্রেমের সম্পর্ক প্রথমে অনেক মধুর হয়। পরবর্তীতে এই সম্পর্কের কারণে অনেক সময় মা বাবা পর্যন্ত কষ্ট হয়। রুবি যখন স্কুলে পড়তে তখন কিন্তু কামাল কলেজে পড়তেন। আর তাদের বাড়ি থেকে হাইস্কুল ফ্রাই ৪ কিলোমিটার দূরে। আর রুবি সব সময় স্কুলে যায় তবে মা বাবা তেমন খেয়াল করতেন না। মনে করতেন মেয়ে স্কুলে লেখাপড়া করতে যাই।
কামাল যখন রুবি স্কুলে যায় তখন পথে দাঁড়িয়ে থাকে তখন একসাথে দুইজন কথা বলতে বলতে যায়। আর রুবির বাবা ওই সময় বিদেশ থাকতেন বিদায় এত কিছু বুঝতেন না। আর বিদেশ পর্যন্ত খবর সেই পাই নাই। এদিকে দুজনের ভালবাসার ধীরে ধীরে গভীর হয়ে উঠলো। আর তারা স্কুলে যাওয়ার সময় কথা বলতে এবং বাড়িতে সময় পেলে কথা বলবেন। তবে রবির মা অনেকবার রুবিকে শাসন করেছেন কিন্তু সেই শুনতেন না। যখন রুবি এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে পাস করলেন তখন সে কলেজে ভর্তি হলেন। আর কলেজে যখন পড়ালেখা অবস্থায় তার জন্য অনেক বিয়ে শাদী আসতেন। তখন রুবির মা-বাবা দেখল তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য। আর ওই সময় রবি অনেক বায়না ধরতেন এবং বলতো সে এখন বিয়ে বসবে না।
আর রবি ওই সময় বলতেন সেই পড়ালেখা করবে এবং নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াবে। আর ওই সময় রবির বাবা বিদেশ থেকে বললেন সে যদি পড়ালেখা করে তাকে পড়ালেখা করানোর জন্য। এবং কলেজের দিনগুলো যতই যাচ্ছে ততই তাদের কথা আরো বাড়তে লাগলো। এই নিয়ে বাড়িতেও কিন্তু অনেক কথাবার্তা হচ্ছিল। কামাল এবং রুবির পরিবার একজনের সাথে একজন তেমন কথা বলেন এবং সম্পর্ক ভালো না। তবে কামানের বাবা দেশে নিজের জায়গায় সম্পত্তি চাষ করে। আর রবির বাবা বিদেশ তাই রুবিদের টাকা-পয়সাও আছে। তবে কামাল পড়ালেখা করে এই হিসেবে বাড়িতে সবাই তাকে ভালো পায়।
আর যখন একসময় তাদের বিয়ের কথা উঠলেন তখন রুবির মা বলতে লাগলো কামালদের ওইখানে তার মেয়ে বিয়ে দেবে না। এদিকে কামালের মা বাবা রুবিকে তার ছেলের বউ হিসেবে বিয়ে করাবে না। যদিও দুইজন চায় তারা একে অপরকে বিয়ে করে সুখী করতে। তবে পরিবারের কারণে তারা কিন্তু ঝামেলায় পড়ে গেল। এক সময় কামালের বাবা তাকে ঢাকা পাঠালেন এবং ওখানে থাকার জন্য বললেন। আর কামাল ওইখানে গেলেন এবং অনেকদিন থাকলেন। আর এদিকে কিন্তু রবি কামারের জন্য অপেক্ষা করে। আর ভালোবাসা তাকে মোবাইলে কল করবে কথা বলবে তার খোঁজখবর নেবে। আজ এই পর্যন্ত পরবর্তীতে পরের পর্ব নিয়ে হাজির হব। আশা করি আজকের পর্ব আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। (চলবে)



Congratulations!
Your post has been manually upvoted by the SteemPro team! 🚀
This is an automated message.
If you wish to stop receiving these replies, simply reply to this comment with turn-off
Visit here.
https://www.steempro.com
SteemPro Official Discord Server
https://discord.gg/Bsf98vMg6U
💪 Let's strengthen the Steem ecosystem together!
🟩 Vote for witness faisalamin
https://steemitwallet.com/~witnesses
https://www.steempro.com/witnesses#faisalamin