গল্প :- মা বাবাকে সবাই যত্ন করা দরকার।
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি বাস্তব গল্প শেয়ার করব। আশা করবো গল্পটি আপনাদের ভালো লাগবে। আমাদের চারপাশে প্রায় বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। যেগুলো থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়ার অনেক বিষয় রয়েছে। এজন্য এই সকল বিষয়গুলো আপনাদের শেয়ার করলে আপনারাও অনেক কিছু শিখতে পারবেন। এমনকি অনেকগুলো বিষয় সম্পর্কে অবগত হবেন। এইজন্য আমি চেষ্টা করি বিভিন্ন বিষয়গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরার জন্য। এখন মানুষের আসলে ভরসা নেই। একেকজন একেক ধরনের, এবং একেক জন একেক ধরনের মানসিকতার।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে বাস্তব একটি গল্প শেয়ার করব। আমাদের আশেপাশে অনেক পরিবার দেখা যায় যেগুলো মা-বাবাকে ঠিকমতো যত্ন করে না। আর মা বাবা আমাদেরকে অনেক কষ্ট করে লালন পালন করে এবং মানুষ করে। আর এমন সময় আসে তখন কিন্তু ছেলে মেয়েগুলো মা-বাবাকে যত্ন করে না অবহেলা করে। আর এসব কষ্টগুলো মা-বাবা কাউকে বলতে পারেনা অনেক সময় মা বাবা নিজের জীবনে শেষ মুহূর্তে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। আর মা-বাবা এই কষ্টগুলো না বলে শুধু চোখ দিয়ে পানি ঝরায়। আমাদের দূর সম্পর্কে এক আত্মীয়র পরিবারের একটি ঘটনা। একটি পরিবারে দুটি ভাই এবং দুটি বোন আছে। বলতে গেলে পরিবারটি আমার জানা মতে ছোটকাল থেকে খুব সুখী পরিবার ছিল।
বাবা ছিলেন একজন আলেম আর মা ছিল পরিবারের দায়িত্বশীল একজন মহিলা। আর পরিবারে প্রথম ছেলে বড় তারপরে দুটি মেয়ে আবার ছোট ছেলে। আর পরিবারের কিন্তু ছেলে মেয়ে সবাই বিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বিয়ে করালেন। আর মা-বাবা বৃদ্ধ বয়সে এসে সব কাজ গুলো ছেলেদের হাতে তুলে দিলেন। তবে পরিবারের বাবাটি কিন্তু দুটো মেয়েকে ভালো জায়গায় বিয়ে দিলেন। আর ছেলে দুটির নাম হচ্ছে পারভেজ এবং রাজু। আর দুটি ছেলের জন্য দুটি আলাদা আলাদা ঘর করলেন বাবা। বাবা দেশে বড় ব্যবসা করতে এবং ছেলেগুলো বিয়ে করার পর দুই ছেলেকে দুটি ব্যবসা ভাগ করে দিলেন। বাবা চিন্তা করলো পরিবারের দেখাশোনা ছেলেরা করবে। আর মা-বাবা বৃদ্ধ বয়সে বসে দিনগুলো সুন্দরভাবে কাটানোর চেষ্টা করবে।
তবে ভাগ্যের কি নির্মম ইতিহাস। ছেলে দুটিকে ব্যবসা ভাগ করে দেওয়ার পর ছেলে দুটি মা-বাবাকে খাওয়াতে রাজি না। এবং মা-বাবার দেখাশোনা করার জন্য তারা কিন্তু এক টাকাও খরচ করবে না। এবং এলাকাবাসী এবং বাড়ির লোক গুলো বসে ঠিক করে দিবে দুই ছেলে 15 দিন করে মা বাবাকে দেখাশোনা ওষুধ খরচা এবং খাওয়া-দাওয়া করাবে। আর যখন বড় ছেলে পারভেজের দিকে মা-বাবা খেতে যায় তখন পারবে কিন্তু মা-বাবার গায়ে হাত তুলে। বলতে গেলে পারভেজের ওয়াইফ মা বাবার কথা সবসময় বদনামি করে। আর এইসব কথা শুনে পারভেজ সবসময় তার মা এবং বাবার গায়ে হাত তুলেন।
আর ছোট ছেলের ঘরে যখন খাওয়া-দাওয়া করতে যাই তখন ছোট ছেলে সুন্দর করে ১৫ দিন খাওয়া দাওয়া করায়। আর বড় ছেলের কাছে যখন খাওয়া দাওয়া করতে যাই তখন কিন্তু খাওয়া-দাওয়া ঠিক মতো দেওয়া হয় না এবং মানুষের সামনে বাবা-মায়ের গায়ে হাত তুলে বিদায় এ নিয়ে মা বাবা কয়েকবার এলাকায় গ্রাম্য বিচার বসালেন। এবং বিচারের মধ্যে সার্ভিস বলে আর ভুল করবে না এই বলে আবার কথাগুলো মেনে নেই। আর কিছুদিন যাওয়ার পর আবারও সে একই রকম ব্যবহার করে। এরকম করতে করতে একদিন হঠাৎ করে পারভেজের মা বড় আকারে অসুস্থ হয়ে গেলেন। এবং তাকে তাড়াতাড়ি ছোট ছেলে বড় হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করালেন।( চলবে)
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।





https://x.com/i/status/2025562843169636807