গল্প :- মা বাবাকে সবাই যত্ন করা দরকার। (শেষ পর্ব)
ক্যানভা দিয়ে তৈরি,
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি বাস্তব গল্প শেয়ার করব। আশা করবো গল্পটি আপনাদের ভালো লাগবে। আমাদের চারপাশে প্রায় বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। যেগুলো থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়ার অনেক বিষয় রয়েছে। এজন্য এই সকল বিষয়গুলো আপনাদের শেয়ার করলে আপনারাও অনেক কিছু শিখতে পারবেন। এমনকি অনেকগুলো বিষয় সম্পর্কে অবগত হবেন। এইজন্য আমি চেষ্টা করি বিভিন্ন বিষয়গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরার জন্য। এখন মানুষের আসলে ভরসা নেই। একেকজন একেক ধরনের, এবং একেক জন একেক ধরনের মানসিকতার।
এরপর বড় হাসপাতালে ভর্তি করার পর অনেকদিন যাওয়ার চেয়ে হাসপাতালে ছিলেন। এবং তার এক পা এক হাত অবশ হয়ে গেলেন। এবং মহিলাটি আর চলাফেরা করতে পারেনা। এই অবস্থা দেখে তার মেয়ে দুজন মাকে নিয়ে গেলেন। বাবা ছিল ছেলেদের কাছে। আর বাবা আলেম মানুষ বিদায় সেই নামাজ পড়ে এবং ছেলেদের কাছে থাকে। আর একদিন বড় ছেলে পারভেজ দোকানে সবার সামনে বাবার গায়ে হাত তুললেন এবং তাকে জুতা দিয়ে আঘাত করলেন। আর এই কষ্ট পারভেজের বাবা সইতে পারলেন না। কাউকে কিছু না বলে সে ওইখান থেকে বাড়িতে চলে আসলেন। এবং বাড়িতে এসে নিরালা বসে অনেকক্ষণ রুমে কাঁদলেন।
আর এদিকে মেয়েগুলো এই কথা শুনে তার বাবাকে তাদের হাজবেন্ডের বাড়িতে চলে যাওয়ার জন্য বলেছেন। এবং পারভেজের বাবা বলতে লাগলো যেতে হলে উপরে যাব। আর তার কথার মধ্যে কিন্তু রহস্য ছিল কেউ বুঝতে পারে নাই। এবং একদিন সকালবেলা সেই বিষ খেলেন। এবং বিষ খাওয়ার পর রুমের মধ্যে শুয়ে রইলেন। পরবর্তীতে যখন গন্ধ লাগতে লাগলো তখন সবাই আসলেন এবং ছোট ছেলেও আসলেন। পরে তাকে তাড়াতাড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলেন। আর তারা ট্রিটমেন্ট করে বড় হাসপাতালে পাঠায়। তারপর বড় হাসপাতালে কিছুদিন সে চিকিৎসা অবস্থা ছিলেন। এবং পুরোপুরি সুস্থ হলে এবং সুস্থ হয়ে বাড়িতে আসলেন। আর আসার পর হঠাৎ করে সে আবার অসুস্থ হয়ে গেলেন।
আর অসুস্থ হয়ে মারা গেলে বাড়িতে। আর তার মৃত্যুর পর কিন্তু সবাই বলতে লাগলো সে আলেম মানুষ ছেলেদের হাতে ব্যবসা-বাণিজ্য সব দিলেন। আর ছেলে বাবার গায়ে হাত তোলার কারণে বাবা নিজেকে আর দমন করতে পারে নাই বিধায় সেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। আর এভাবে সে তার নিজের জীবন শেষ করে দিলেন। তবে বাবা-মা ছেলেমেয়েদের কাছে বড় একটা জিনিস। কিন্তু ছেলে মেয়েগুলো মা-বাবাকে সেরকম ইজ্জত না করলে পরবর্তীতে মা-বাবা কিন্তু ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। এবং পারভেজ এর পরিবারের সবাই কিন্তু পারভেজকে দোষারোপ করে তার বাবার মৃত্যুর পিছনে কারণ।
এখন বোন দুইজন আর ভাই বলতে লাগলো বাবার গায়ে হাত তোলার কারণে বাবা আজ আত্মহত্যা করেছে। আর এই কারণে এখন বোন দুজন এবং ভাই পারভেজকে ভাই বলে স্বীকার করে না। এবং বলে তার ভুলের কারণে আজ তাদের পরিবারে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটলো। অথচ তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য কোন কিছুর অভাব নেই টাকা-পয়সার। শুধু অযত্ন অবহেলার কারণে মা বাবা আজ ছেলেদের কারণে একদম নিঃস্ব হয়ে গেল। বাবা এই পৃথিবী থেকে চলে গেলেন। মা বেঁচে থেকো চলাফেরা করতে পারেনা এবং ঠিকমতো কথা বলতে পারে না। তাই আমি মনে করি প্রত্যেক ছেলে মেয়ে মা-বাবাকে সম্মান করা দরকার এবং তাদের সেবা করা দরকার। আশা করি আমার এই পোস্ট পড়ে অনেক কিছু জানতে পারবেন।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।





https://x.com/i/status/2027015740835115192