গল্প পর্ব:১ ( মেয়েদের জীবন)
আমি @rahimakhatun
from Bangladesh
১৪ই মে ২০২৬
মেয়ে মানুষের লাইফটাই কেমন জানি সবার উপর ডিপেন্ডেবল।সবার কাছে জবাবদিহি কিংবা পারমিশন এর ব্যাপার।তারপর ও কেন জানি সব দোষই হয় মেয়েদের।উনিশ থেকে বিশ হলে মেয়েদের।গল্পের নাবিলা নামের মেয়েটির বিয়ে হয়েছে ব্যাংকার একটা ছেলের সাথে।রাজি ছিলো না কিন্তু গার্ডিয়ান তার রাজি কিংবা অরাজি কে জিজ্ঞেস করে।কারন মেয়েদের কোন ইচ্ছে থাকতে হয় না।যাই হোক তারপর ও ভেবেছিলো হয়তো সুখী হবে কিন্তু কিসের কি যেখানে বাবা মা তাকে দাম দেয়নি তেমনি জামাই ও।
সে কোনটা পছন্দ করবে কিংবা কোনটা মানাবে এসব এর ধার ধারে না।এমন একটা অবস্থা ইচ্ছে হলে থাকবে না ইচ্ছে থাকবে না।এত অবহেলার পর আছে কোন একদিন হয়তো স্বামী বুঝবে কিন্তু কিসের কি। এমন করতে করতে বেবি কনসেভ করে,এবার হয়তো নিজের বেবির জন্য হলেও নাবিলাকে দাম দিবে।তার কথা মূল্যায়ন করবে।
এটা নাবিলা মনে মনে ভাবে কিন্তু কিসের কি বাচ্চা হওয়ার পর আরো বাধা পরে গেলো।অর্থাৎ আরো একটা বাড়তি শিকল।এই সমাজটার জন্যই আমরা কত কিছু ই সহ্য করি।
অথচ একবেলা না খেয়ে থাকলে কিংবা বিপদে এই সমাজটা এগিয়ে আসে না।এই সমাজটা আমরা কত ভয় পাই।
জীবন টা বেশ অদ্ভুত। আসলে মেয়েদের একটু মূল্যায়ান কিংবা ভালোবাসলে একটা মেয়ে হাসিমুখে কত কিছু মেনে নেয়,আর যখন মূল্যায়ন হয় না কিংবা না ভালোবাসলে মেয়েটার চোখের জলে সব ভেসে যায়।কতটা মানসিক অশান্তিতে ভোগে সেটা কি কোন পুরুষ জানে। সেটা জানে না।তখন মেয়েরা চাই মৃত্যুর স্বাদ।
যাই হোক আজকে এতটুকু পরবর্তী পর্ব আবার আসবো বাকি পর্বগুলো নিয়ে সে অব্দি ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই প্রত্যাশায়

