কর্মব্যস্ত জীবন
বিগত দুই–তিন বছর ধরে গ্রামীণ এলাকায় থাকাতে বেশ কয়েকটি অভিজ্ঞতা হয়েছে, বিশেষ করে কৃষিকাজের প্রতি নিজের আগ্রহ এবং কৃষি–সম্পর্কিত কাজে মনোনিবেশ করার চিন্তা–চেতনা তৈরি হয়েছে।
যেহেতু অল্প কিছু জমি আছে, তাই চেষ্টা করি কৃষক ভাইদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত সশরীরে জমিতে উপস্থিত থাকার। যদিও টুকটাক তদারকি করি, তারপরও যে বাস্তবিক অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেটা আরকি ঘরে বসে থাকলে হতো না।
এখন মূলত আলু লাগানোর সময় চলছে। যদিও গত বছরের শেষের দিকে যেসব কৃষক ভাই কোল্ড স্টোরে আলু রেখেছিল, তারা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল; তারপরেও যারা শুরুতে বিক্রি করে দিয়েছিল, তারা বলতে গেলে লাভবান ছিল।
লাভ–লোকসান সব জায়গাতেই বিদ্যমান। তবে যারা মাঝামাঝি চিন্তা করে, তাদের হয়তো লাভ কম হয়, তবে লোকসান তেমনটা হয় না।
কৃষিজমিগুলোতে পুরোদমে এখন সবাই ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছে। নিজেও সেসব জায়গায় কয়েকদিন সশরীরে থাকার কারণে বেশ ভালোই অভিজ্ঞতা হয়েছে।
কৃষক ভাইদের পরিশ্রম দেখার পরে বারবার মনে হয়, তাদের সঙ্গে যদি সিন্ডিকেট না করা হতো কিংবা তারা যদি ফসলের ন্যায্য দাম পেত, তাহলে ভালো লাগার পরিমাণটা হয়তো একটু বেশি কাজ করত।
একটা তিতা কথা বলি—এই কৃষক ভাইয়েরা যদি ফসল উৎপাদন না করে, তাহলে কিন্তু আমাদের মতো তথাকথিত ভদ্রলোকদের পেটে ভাত ঢুকবে না।
সুতরাং সময় ও সুযোগ থাকলে কৃষকের ন্যায্য পাওনার ব্যাপারে সবার একটু সোচ্চার ও সচেতন হওয়া জরুরি।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR






কৃষকেরা ন্যায্য দাম পেলে অবশ্যই কৃষিকাজের প্রতি তাদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেতো। এতে করে দেশের সবাই উপকৃত হতো। কিন্তু এই ব্যাপারে আসলেই কারো মাথা ব্যথা নেই। বাহিরের দেশের কৃষকেরা এখন ডিজিটাল যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে থাকে। অথচ আমাদের দেশের কৃষকেরা এখনও পুরনো যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে। এই ব্যাপারে অবশ্যই সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।
ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পড়ে ভাই।