খারাপ সময় সাময়িক
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি আপনারা সবাই ভালো ও সুস্থ্য আছেন। তো সুস্থ্য থাকাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনি সুস্থ্য না থাকলে কোনো কাজই সঠিকভাবে করতে পারবেন না! আসলে আপনি যদি খেয়াল করেন তাহলে দেখতে পাবেন প্রত্যেক মানুষের জীবনে কোনো না কোনো খারাপ সময় পার হয়েছে বা হচ্ছে! আর খারাপ সময়ে সবচেয়ে কঠিন হয়ে যায় নিজেকে কন্ট্রোলে রাখা। কারণ ঐ সময় সবকিছুই এলোমেলো মনে হবে আপনার কাছে।
যেমন ধরেন আপনি একটা রিলেশনে আছেন। রিলেশনের শুরুর দিনগুলো আপনার কাছে অনেক ভালো লাগবে। কতো কথা জমা হবে। একজন আরেকজনকে ছাড়া থাকতে পারবেন না। এমনটা হয়! কারণ সম্পর্কটা যখন অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় তখন আমরা আসলে সে সময়টা ভুলতে পারি না। সম্পর্কের শুরুতে সবকিছু রঙিন লাগবে। কিন্তু দিন যত যেতে থাকবে ততো দুজনের মাঝে একটা গ্যাপ সৃষ্টি হতে থাকবে।
আর আমরা সে সময়টাকে ধরে নেই খারাপ সময়! আসলে মামুষ দুইভাবে শরীরের ক্ষতি হয়। এক মানসিকভাবে আর দুই শারীরিকভাবে। আমরা যখন কোনো সম্পর্কে থাকি তখন আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে শুরুতে। কিন্তু যতই দিন যেতে থাকে ততই যেন তিক্ততা বাড়তে থাকে। আর মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখাটাই বর্তমান সময়ে সবচেয়ে কঠিন একটি কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আমরা শরীরের ক্ষত হলে চিকিৎসা নেই ঠিকই কিন্তু মনের ক্ষত হলে চিকিৎসা নিতে ভুলে যায়। মনে করি ঠিকই হয়ে যাবে দুদিন পরে। কিন্তু আদতে কি আসলে ঠিক হয়! আসলে মানুষের জীবনে খারাপ সময়টা সাময়িক। এটা জীবনের সবসময় থাকবে এমনটাও নয়! আপনি যেটার জন্য আজ মন খারাপ করে বসে আছেন একটা সময় সেটার কথায় আপনার মনে থাকবে না! এজন্য বর্তমান সময়টাকে উপভোগ করাই শ্রেয়!
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি কে?
আমার নাম হায়দার ইমতিয়াজ উদ্দিন রাকিব। সবাই আমাকে ইমতিয়াজ নামেই চিনে। পেশায় আমি একজন ছাত্র। বর্তমানে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর বিএসসি করছি ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয় (ডুয়েট) থেকে । পাশাপাশি লেখালেখি করে আসছি গত চার বছর ধরে। ভালো লাগার জায়গা হলো নিজের অনুভূতি শেয়ার করা, আর সেটা আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। নিজেকে সবসময় সাধারণ মনে করি। অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয় এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করি। বাংলা ভাষায় নিজের অভিমত প্রকাশ করতে ভালো লাগে। তাছাড়া ফটোগ্রাফি,কবিতা লেখা,গল্প লেখা ,রিভিউ,ডাই এবং আর্ট করতে ভালো লাগে। অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ভালো লাগে। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি। ভবিষ্যতে প্রিয় মাতৃভূমির জন্য কিছু করতে চাই।


