সন্দ্বীপ ভ্রমণ- পর্ব ০২
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। সুস্থ আছি সত্য তবে কিছুটা অসুস্থতা নিয়ে হি হি হি। তিক্ত হলেও সত্যটা প্রকাশ করা উচিত, কারো পছন্দ হোক বা না হোক, কেউ মন খারাপ করুক কিংবা না করুক তাতে আমার কিছু আসে যায় না। অবশ্য এটা আমরা মুখে বললেও কাজের ক্ষেত্রে সেটার প্রয়োগ করতে পারি না। ঐ যে আমরা সম্পর্কের মায়ায় অনেক কিছু যেমন ছেড়ে দেই ঠিক তেমনি অনেক কিছু তেমনি আড়াল করে রাখি, কিন্তু দিন শেষে আমাদের প্রাপ্তিটা থাকে শূন্য।
আজকে সন্দ্বীপ ভ্রমণের দ্বিতীয় পর্ব শেয়ার করবো। সিএনজিতে উঠে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম, দারুণ একটা অনুভূতি সেখানে ভীষণভাবে কার্যকর ছিলো। অবশ্য পথে একটু বিরতি নিয়েছিলাম কারণ কিছু মিষ্টি কিনতে হয়েছিলো। আমাদের সন্দ্বীপে এখনো সংখ্যায় মিষ্টি বিক্রি করা হয় অর্থাৎ কেজি হিসেবে নয়। মিষ্টিগুলোর সাইজ অবশ্য কিছুট ছোট সাইজের হয়ে থাকে, তবে খেতে অসাধারণ। না না না মুখে বললে আপনারা বুঝতে পারবেন না, তবে সুযোগ পেলে অবশ্যই আপনাদের সেখার স্বাদ নেয়ার ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ। মিষ্টি কেনার সময় অবশ্য আমিও দুটো টপ করে খেয়ে নিয়েছিলাম।
অনেক দিন পর আসা বলে কথা, সেই ছোটবেলায় খেয়েছিলাম আর পুনরায় সুযোগ পেলাম প্রায় আঠারো বছর পর। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আগ্রহটা কেন অবস্থায় ছিলো। তিন বাড়ির জন্য আলাদা আলাদা মিষ্টি নিলাম, সাথে পান সুপারিও নিয়েছিলাম। তারপর পুনরায় আবার সিএনজিতে উঠে বসলাম এবং গন্তব্যে পুনরায় ছুটতে লাগলাম। সিএনজি অবশ্য তিনটি নিতে হয়েছিলো মানুষ বেশী বলে। আর মিষ্টি কেনার সুবাদে দুটো সিএনজি আগে চলে গিয়েছিলো, সেই কারণে আমাদের কিছুটা অস্বস্তিতে ভোগতে হয়েছিলো বাড়ি চেনার ক্ষেত্রে।
আঠারো বছরে অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে, খালি জায়গাগুলোতে বাড়িতে ভরে গেছে, কৃষি জমি পরিবর্তন হয়ে সেখানে কারখানা তৈরী হয়ে গেছে, বিশেষ করে কাঁচা সড়কগুলো পাকা হয়ে গেছে। যার কারণে আন্দাজ করাটাও অনেকটা কঠিন হয়ে গিয়েছিলো আমাদের জন্য। কিন্তু তবুও ঠিকভাবেই এগিয়েছিলাম। শেষ মুহুর্তে গিয়ে একটু দ্বিধায় পড়ে গিয়েছিলাম, না না না এটা আমাদের জন্য স্বাভাবিক ছিলো। কারণ আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশী পরিবর্তন হয়েছিলো চারপাশে, আর এই কারণেই কিছুটা দ্বিধায় পড়তে হয়েছিলো। কিন্তু শেষে ঠিক বাড়িতে পৌঁছে ছিলাম ভিন্ন অনুভূতি নিয়ে।
তারিখঃ অক্টোবর ০৩, ২০২৫ইং।
লোকেশনঃ সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR
Sort: Trending
Loading...








