সন্দ্বীপ ভ্রমণ- পর্ব ০৮
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। প্রকৃতি ও পরিবেশের সাথে সাথে নিজেকেও কিছুটা পরিবর্তন করার চেষ্টা করছি। যদিও সেটা আমার দ্বারা হওয়ার সম্ভাবনা খুব একটা নেই। কারণ কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা সবাই কোন না কোনভাবে দুর্বল, শত চেষ্টা করেও কেন জানি আমরা সেই দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারি না। এই ক্ষেত্রে আমিও ঠিক তেমন।
যাইহোক, আজকে সন্দ্বীপ ভ্রমণের অষ্টম পর্ব আপনাদের সাথে শেয়ার করবো, যদিও বিষয় এক কিন্তু ভাবনাগুলো বার বার পরিবর্তন হয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্য এবং চারপাশের দৃশ্যাবলীতে কখনো কখনো হৃদয়ে আঘাত হেনেছে, একটা অন্য রকম ঝড় হৃদয়ের সীমানায় বয়ে গেছে। আবার কখনো কখনো দারুণ এক চঞ্চলতা খুঁজে পেয়েছি এবং মুগ্ধতা নিয়ে সব কিছু উপভেঅগ করার চেষ্টা করেছি। যেহেতু এই গ্রামটার সাথে আমার দারুণ একটা সংযোগ ছিলো।
তাই কিছু কিছু দৃশ্য আঘাত করলেও কিছু কিছু দৃশ্য আবার বেশ তৃপ্ত করেছে। এর আগে বলেছিলাম, সাগর পাড়ের ভাঙ্গন শুরু হলে কিছু কিছু মানুষ যেমন সেখান হতে দ্রুত চলে যায় আবার কিছু কিছু মানুষ ভিন্ন এক আশা নিয়ে সেখানে একটু ঠাই খুঁজার চেষ্টা করে। তো যেহেতু এবার সেই দিকের ভাঙ্গন থেমে গিয়েছিলো আর প্রান্তিক লেভেলের মানুষগুলো স্বস্তির নিঃশ্বাস ছেড়েছিলো। কিন্তু পরিবর্তন যেমনটা আশার কথা ছিলো তার কিছুই ঘটে নাই। অর্থাৎ ভাঙ্গন শুরু হওয়ার আগে যেমন চাষাবাদে কৃষকগণ ব্যস্ত থাকতেন সেই ব্যস্ততা আর ফিরে আসে নাই।
আমি শুরুর দিকে আরো বলেছিলাম, দারুণ সকল ফসল এই দিকে আমি দেখেছি, উপভোগ করেছি এবং ফসল কেটে নেয়ার পর সেখানে ফুটবলও খেলেছি। কারণ এক ফসল ঘরে তোলার পর বেশ কিছু সময়ের জন্য সেই জমিটা ফাঁকা থাকে মানে খালি থাকে। আর তখনই আমাদের মতো দুষ্ট ছেলেরা সেখানে গিয়ে দারুণভাবে আড্ডা দেয় এবং খেলাধুলা করার চেষ্টা করে।
আজকের দৃশ্যগুলোও দেখুন, যে পথ ধরে আমরা সোজা হেঁটে গিয়েছিলাম, তার চারপাশের দৃশ্যগুলো দেখতে সুন্দর কিন্তু বাস্তবে ভীষণ হতাশাজনক। বিশেষ করে আমার কাছে দৃশ্যগুলো ভালো লাগলেও এর আড়ালের অনুভূতিটা ছিলো বেশ কষ্টের। কারণ মানুষজন এখন আর চাষাবাদ করে না, জমিগুলোর দৃশ্যগুলো হয়তো সবুজ দেখাচ্ছে কিন্তু এগুলো সবই আগাছ বা গরুর খাবার মাত্র। ধীরে ধীরে যা আমাদের আরো বেশী দুর্বল/ কমজোর করে দিচ্ছে ফসল উৎপাদনের দিক হতে।
তারিখঃ অক্টোবর ০৩, ২০২৫ইং।
লোকেশনঃ সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR










যেহেতু কমিউনিটির অ্যাডমিন ও মডারেটরদের সরাসরি যোগাযোগের কোনো উপায় জানি না, তাই এই কমেন্ট করছি।
আমার পোস্টটি দেখুন: https://steempro.com/@sazidur312/9e6add98201a6
দয়া করে রিভিউ করে বলবেন কি আমি কোথায় উন্নতি করতে পারি। ধন্যবাদ!