সন্দ্বীপ ভ্রমণ - পর্ব ০৯
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। সুন্দর ও সুস্থভাবে ঈদের ছুটি উপভোগ করে, পুনরায় কর্ম জীবনে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। পরিবার ও প্রিয় মানুষগুলোর সান্নিধ্যে মানসিক প্রশান্তি নিয়ে হৃদয়ের চঞ্চলতাগুলোকে যথাযথভাবে ধরে রাখতে পেরেছেন। কারণ সুন্দর মুহুর্তগুলো আমাদের চঞ্চলতা বৃদ্ধি করে দেয়, হৃদয়ের স্পন্দনকে বাড়িয়ে দেয়, যা মানসিকভাবে আরো বেশী সুস্থ ও সবলতা নিশ্চিত করে। আর এটা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই আমাদের কাছে।
যাইহোক, আজকে সন্দ্বীপ ভ্রমণের নবম পর্ব শেয়ার করবো, যা এখনো আমাদের দারুণভাবে চঞ্চল রাখছে এবং স্মৃতিগুলোর প্রভাব এখনো হৃদয়ের মাঝে দারুণভাবে অনুভব করছি। সাগর পাড়ে যাওয়ার মুহুর্তগুলো শেয়ার করতেছিলাম, সাথে কৃষি জমির দৃশ্যগুলো শেয়ার করার চেষ্টা করেছি। যেখানে প্রকৃতপক্ষে কৃষকের কোন ভূমিকা নেই, নেই সতেজতার সেই সুন্দর চঞ্চলতা এবং সবুজের মাঝে থাকা ফসলের স্নিগ্ধময় হাসি। সব কিছু কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে।
আসলেই আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন হয়ে গেছে, আমরা অর্থ প্রাপ্তির কল্যাণে অনেকটাই প্রকৃতি হতে দূরে সরে গেছি। হয়তো এখন আমরা অর্থের কল্যাণে ভীষণ ভালো আছি কিন্তু ধীরে ধীরে যেদিকে এগিয়ে যাচ্ছি, সেটা হয়তো আমাদের জন্য কিংবা আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য খুব একটা সুখকর হবে না। কারণ সন্দ্বীপের অধিকাংশ মানুষ, প্রতিটি পরিবারের কোন না কোন সদস্য মধ্যপ্রাচ্যে বসবাস করেন।
তারা যে অর্থ ইনকাম করেন তার পুরোটাই রেমিট্যান্স হিসেবে আমাদের দেশে ফেরত আসে, আর সেটার কল্যাণেই সন্দ্বীপাবাসী আজ ভীষণ রকমের বিলাসি জীবন যাপন করছেন। জমিগুলোকে ফেলে রেখেছেন, চাষাবাদ করার কোন প্রয়োজন অনুভব করছেন না, যার কারণেই চারপাশে এমন আগাছায় ভরে গেছে, ফসলের পরিবর্তে জমিগুলোতে এখন কেবল এসব সবুজ ঘাসের হাসিই ফুটে থাকে।
আমি আনমনে এবং কিছুটা দুঃখ ভরাক্রান্ত হৃদয়ে হাঁটতে ছিলাম আর চারপাশের দৃশ্যাবলী উপভোগ করার চেষ্টা করেছিলাম। যদিও অনুভূতিগুলো মোটেও ভালো ছিলো না, প্রকৃতির এই দৃশ্যগুলো যদিও মুগ্ধকর ও সুন্দর ছিলো কিন্তু আড়ালে থাকা বাস্তবতা যেন সব কিছুকে উলট পালট করে দিচ্ছিলো। আগামী দিনের ভাবনাগুলো বার বার হৃদয়ের মাঝে আঘাত করতেছিলো। কি হওয়ার কথা ছিলো আর কি হচ্ছে এখন!
তারিখঃ অক্টোবর ০৩, ২০২৫ইং।
লোকেশনঃ সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR









High-Yield Curation by @steem-seven
Your content has been supported!
Maximize your passive income!
Delegate your SP to us and earn up to 0.45 STEEM / 1000 SP.
Click here to see our Tiered Reward System
We are the hope!
The scenery is beautiful. If it were really possible, I think it would be better to stay in my hometown. Nobody wants to leave their hometown, but there's no other way; it's all for the sake of making a living.