সন্দ্বীপ ভ্রমণ- পর্ব ০৬
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। আল্লাহর অশেষ রহমতে রমাদানের রোজাগুলো সুস্থতা নিয়ে রাখার চেষ্টা করছি। রহমতের দশদিন শেষ করে এখন মাগফেরাতের দশদিনের মাঝে রয়েছি, আশা করছি মাগফেরাতের দশদিনও সুন্দরভাবে সুসম্পন্ন করার সুযোগ পাবো। যাইহোক, আজকেও সন্দ্বীপ ভ্রমণের অনুভূতি শেয়ার করবো, এর আগে পাঁচটি পর্ব শেয়ার করেছি। আর সেই হিসেবে আজকে হবে সন্দ্বীপ ভ্রমণের ষষ্ঠ পর্ব। চলুন তাহলে শুরু করা যাক।
বেশ আগ্রহ নিয়ে সেই মসজিদের সম্মুখে গেলাম, মসজিদের সাথে সাথে সেখানে ছোট একটা মাদ্রাসাও রয়েছে দেখলাম। মসজিদের ডিজাইনটা বেশ পছন্দ হয়েছিলো আমার। ভিতরে মানে মসজিদের সীমানায় প্রবেশ করি এবং কিছুটা সময় সেখানেও ব্যয় করি। খুব বেশী সময় ছিলাম যেহেতু সাথে মেয়ে এবং স্ত্রী ছিলো। তারা বাহিরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। যদিও শহর হলে ভেতরের ঢোকার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা ছিলো না। কিন্তু গ্রামীন পরিবেশে সব কিছু আবার সবাই স্বাভাবিক দৃষ্টিকোন হতে গ্রহণ করে না। এরপর পুনরায় সেই একই পথ ধরে আবার পিছনের দিকে আসতে শুরু করলাম, কারণ এবার লক্ষ্য হলো সমুদ্র পাড়ে যাওয়া।
এই দিক হতে সমুদ্র খুব কাছাকাছি চলে আসছিলো। আমাদের অনেক আত্মীয় স্বজন তাই এই গ্রাম ছেড়ে চলে গিয়েছিলো। কাছে মানে একদমই আমাদের বাড়ির সম্মুখে চলে আসছিলো, প্রায় বাড়ি হতে সমুদ্রের গর্জন শুনা যেতো এমন কাছাকাছি। কিন্তু এখন বিশাল চর জেগেছে এই পাশ দিয়ে। যার কারণে সমুদ্র এখন অনেক দূরে। আমার যাত্রা এখন সেই দিকে। তবে তার জন্য অনেকটা পথ আবার পিছনে যেতে হবে। সেই দৃশ্যগুলো দেখতে দেখতে সম্মুখে গিয়েছিলাম সেই দৃশ্যগুলো পুনরায় সঙ্গী করে হাঁটা শুরু করেছি। একটা সুন্দর ড্রাগনফ্লাই দেখে তার কিছু দৃশ্য ক্যাপচার করে নিয়েছি। সুযোগের সুন্দর ব্যবহার করার চেষ্টা আর কি।
একটু পেছনের দিকে আসার পর আরো একটা দৃশ্য চোখে পড়লো, হয়তো যাওয়ার সময় এটা ঠিক মতো খেয়াল করা হয় নাই। একটা বড় আকারের সবজি বাগান ছিলো এটা, শুকিয়ে একদম ক্রাঞ্চি হয়ে গেছে। জাস্ট একটু আগুনের ছোঁয়া পেলে হয়তো দাউ দাউ করে জ্বলে উঠবে। অনেকটা জায়গা নিয়ে সবজির মাচাটা তৈরী করা হয়েছিলো। হয়তো বিনা যত্ন কিংবা অবহেলায় এটাও নিঃশেষ হয়ে গেছে। অথবা ভালো ফলন হয় নাই বিদায় বিনা আগ্রহে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অনেক কিছুই হতে পারে আবার নাও হতে পারে তাই খুব বেশী অনুমান করা ঠিক হবে না এখানে।
যেহেতু চারপাশের জমিগুলো অনাবাদি এবং আগাছায় ভরে আছে, সেহেতু অনুমানগুলো সঠিক হওয়ার একটা আশু সম্ভাবনা রয়েছে। এমনিতে প্রচুর রোদ ছিলো, তার উপর শুকনো গাছ, বুঝতেই পারছেন পরিবেশটা কেমন। আমরা তাই দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছি। সেখান হতে একটু সামনে গিয়ে আবার বাম দিকে হাঁটা শুরু করেছি। একদম নিরিবিলি পরিবেশের সাথে সতেজ প্রকৃতির নির্মল ছোঁয়া। বেশ দারুণ একটা অনুভূতি আমাদের সঙ্গি হয়েছিলো তখন।
তারিখঃ অক্টোবর ০৩, ২০২৫ইং।
লোকেশনঃ সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR
Sort: Trending
Loading...









