পদ্মা নদীর চরে এক মনকাড়া খামারবাড়ি পর্ব-১০
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভাল আছি। আজ আমি চলে এসেছি আবার নতুন আরেকটি পর্ব নিয়ে আজ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব দশ নাম্বার পর্ব। আপনারা জানেন ইতিমধ্যে আমি প্রথম থেকে নবম পর্ব পর্যন্ত শেয়ার করেছি। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আজ আমি চলে এসেছি দশম পর্ব নিয়ে। আশা করি আগের পর্ব গুলোর মতই এই পর্বটিও আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লাগবে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আমার আজকের দশম পর্বের গল্প।
সবজি খেতের পাশেই দেখা মিলল মাছের আবাদ। ছোট ছোট জলাশয় পুকুর আর খালের মতো জায়গায় মাছ চাষ করা হচ্ছে। পানিতে মাছের নড়াচড়া দেখেই বোঝা যায় এখানে মাছ ভালোভাবেই বেড়ে উঠছে। মাছ আর সবজির এই পাশাপাশি আবাদ চরের জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। কৃষি আর মৎস্য এই দুইয়ের যেন চরের মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনা এনে দিয়েছে। আমি বেশ সময় নিয়ে চারিদিকে ঘুরে ঘুরে দেখতে থাকলাম। কখনো সবজি খেতের ভেতর দিয়ে হাঁটছি কখনো পুকুরের পাড়ে দাঁড়িয়ে মাছের খেলা দেখছি। কোথাও কৃষকরা জমিতে কাজ করছেন কেউ গাছ পরিষ্কার করছেন কেউ আবার পানি সেচ দিচ্ছেন।
তাদের মুখে ক্লান্তি থাকলেও চোখে ছিল সন্তুষ্টির ছাপ। কারণ তারা জানেন এই পরিশ্রমই একদিন তাদের জীবনে স্বচ্ছলতা নিয়ে আসবে। চরের প্রকৃতি খুব শান্ত কিন্তু সেই শান্ততার মধ্যেই আছে জীবনের স্পন্দন। পাখির ডাক বাতাসে পাতার মর্মর শব্দ দূরে নদীর ঢেউ সব মিলিয়ে এক ধরনের সুর তৈরি হয়। এখানে দাঁড়িয়ে মনে হয় প্রকৃতি যেন নিজেই কথা বলছে। এটাই ছিল আমার আজকের দশম পর্বের গল্প। আশা করি পুরো গল্পটি আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। পরবর্তীতে আমি আবার হাজির হব ১১ নম্বরপর্ব। তাহলে কথা না বাড়িয়ে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনাই রইল আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |









