অজানার উদ্দেশ্যে পর্ব-৬
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি। আজ আমি চলে এসেছি অজানের উদ্দেশ্যের ৬ নম্বর পর্ব নিয়ে। আশা করি আমার এই পুরো পরবর্তী আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আমি সবসময় চেষ্টা করি সুন্দর ভাবে আপনাদের মাঝে পর্বগুলো উপস্থাপনা করার। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আমার আজকের পর্বে গল্প।
পানির ওপর হালকা বাতাস বয়ে গেলে ছোট ছোট ঢেউ তৈরি হয়। সেই পানির দিকে তাকিয়ে থাকলে মনে হয় সময় যেন একটু ধীরে চলে। গ্রামের ভেতরের জীবন খুব সহজ। মানুষজন ধীরে ধীরে নিজের কাজ করে। কেউ মাঠে কাজ করছে কেউ আবার বাড়ির সামনে বসে গল্প করছে। রাস্তার পাশে ছোট ছোট দোকান থাকে। চায়ের দোকান থেকে ভেসে আসে চায়ের গন্ধ আর মানুষের গল্পের শব্দ। অনেক সময় আমি বাইক থামিয়ে একটু বসে পড়ি কোনো চায়ের দোকানে। এক কাপ গরম চা হাতে নিয়ে চারপাশের দৃশ্য দেখতে ভালো লাগে। গ্রামের মানুষ খুব সহজভাবে কথা বলে। তারা জানতে চায় কোথা থেকে এসেছি কোথায় যাচ্ছি। এই ধরনের মুহূর্তগুলো খুব সাধারণ কিন্তু খুব সুন্দর। কারণ এখানে কোনো তাড়াহুড়া নেই কোনো বড় চিন্তা নেই। শুধু আছে সময় আর মানুষের সরলতা।
বাইক নিয়ে ঘুরতে গেলে অনেক সময় এমন কিছু পুরনো জায়গা চোখে পড়ে যেগুলো দেখলে মনে হয় ইতিহাসের একটা অংশ সামনে দাঁড়িয়ে আছে। কোনো পুরনো বাড়ি যেটা হয়তো একসময় খুব সুন্দর ছিল এখন ভেঙে গেছে। তার দেয়ালে লতা গাছ উঠে গেছে। কিন্তু তবুও সেই বাড়ির মধ্যে একটা আলাদা সৌন্দর্য আছে। কখনো আবার কোনো পুরনো মন্দির বা মসজিদ দেখা যায় গ্রামের ভেতরে। অনেক সময় সেগুলো খুব ছোট কিন্তু খুব শান্ত। চারপাশে গাছপালা আর পাখির ডাক শোনা যায়। এটাই ছিল আমার আজকের পর্বের গল্প আশা করি পুরো গল্পটি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। তাহলে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনাই রইল আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



