পদ্মা নদীর চরে এক মনকাড়া খামারবাড়ি পর্ব-১৯
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ সবার দোয়ায় অনেক ভালো আছি। আজ আমি চলে এসেছি আরও একটি নতুন পর্ব নিয়ে আজ আমি আপনাদের বাসায় শেয়ার করব ১৯ নম্বর পর্ব। আশা করি আগের পর্ব গুলোর মতই এই পর্বটিও আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লাগবে। তাহলে বেশি কথা না বাড়িয়ে চলন শুরু করা যাক আমার আজকের পর্বের গল্প।
অনেক পরিবার গরু ছাগল ভেড়া পালন করে। সকালে মাঠে চরতে নিয়ে যায়। বিকেলে আবার ঘরে আনে। গরুর দুধ বিক্রি করে কিছু আয় হয়। ছাগল বড় হলে বিক্রি করা যায়। এতে সংসারে সাহায্য হয়। চরের নারীরা খুব পরিশ্রমী। তারা রান্না করেন সন্তান দেখেন আবার খেতেও কাজ করেন। শাক তোলেন ধান শুকান গরুকে খাবার দেন। কেউ কেউ হাঁস মুরগি পালন করেন। ছোট আকারে হলেও তারা সংসারে বড় অবদান রাখেন। চরের বাচ্চারা খোলা মাঠে বড় হয়। তারা দৌড়ায় নদীর পাড়ে খেলে। স্কুলে যেতে অনেক সময় কাঁচা রাস্তা পাড়ি দিতে হয়। বর্ষায় কখনো নৌকায় যেতে হয়। তবুও তাদের মুখে হাসি থাকে।
বর্ষায় চরের জীবন বদলে যায়। পানি বাড়ে। অনেক জমি ডুবে যায়। তখন কৃষিকাজ বন্ধ থাকে। মানুষ মাছ ধরে বা অন্য কাজ করে। কেউ জাল মেরামত করে। কেউ বাড়ি মজবুত করে। পানি নেমে গেলে আবার নতুন করে চাষ শুরু হয়। শীত হলো চরের সেরা সময়। সবজি হয় সরিষা ফুল ফোটে। বাতাস ঠান্ডা থাকে। দূরে কুয়াশা ভাসে। এই সময় চর খুব সুন্দর লাগে। অনেকেই বেড়াতে আসে। এটাই ছিল আমার আজকের পর্বের গল্প পরবর্তীতে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ২০ তম পর্ব। তাহলে সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনাই রইল আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



