পদ্মা নদীর চরে এক মনকাড়া খামারবাড়ি পর্ব-১৮
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সবার দোয়ায় অনেক ভাল আছি। আজ আমি চলে এসেছি আরো একটি নতুন পর্ব নিয়ে আশা করি আগের পর্ব গুলোর মতই এই পর্বটিও আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লাগবে। আজ আমি হাজির হয়েছি ১৮ নাম্বার পর্ব নিয়ে। আশা করি এই পর্বটি আপনাদের সবার কাছে ভালো লাগবে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলন শুরু করা যাক আমার আজকের পর্বের গল্প।
চরের বড় শক্তি হলো সবজি চাষ। এখানে লাউ কুমড়া মিষ্টি কুমড়া চাল কুমড়া বেগুন টমেটো ফুলকপি বাঁধাকপি শাক অনেক কিছু হয়। লাউয়ের মাচা দূর থেকে খুব সুন্দর লাগে। কুমড়ার লতা মাটির উপর ছড়িয়ে থাকে। শাকের ক্ষেত সবুজ কার্পেটের মতো দেখায়। আমি যখন মাঠে হেঁটে যাই দেখি কৃষকরা খুব যত্ন করে গাছ দেখছেন। কেউ পানি দিচ্ছেন কেউ আগাছা তুলছেন। তারা বলেন গাছও সন্তানের মতো। যত্ন না নিলে ফলন ভালো হয় না। চরের সবজির বড় গুণ হলো এগুলো টাটকা। সকালে তোলা সবজি দুপুরে বাজারে যায়। অনেকেই কম রাসায়নিক ব্যবহার করেন। কেউ কেউ জৈব সার ব্যবহার করেন। তাই এই সবজি খেতে স্বাদও ভালো।
সবজির পাশেই আছে মাছের পুকুর। কেউ রুই চাষ করেন কেউ কাতলা কেউ তেলাপিয়া। মাছ বড় হতে সময় লাগে। নিয়মিত খাবার দিতে হয়। পানি ঠিক রাখতে হয়। মাছ ধরার দিনটা খুব আনন্দের। জাল তুললে যখন মাছ লাফায় তখন সবার মুখে হাসি ফুটে ওঠে। এটাই ছিল আমার আজকের পর্বের গল্প আশা করি পুরো গল্পটি আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। পরবর্তীতে আমি আপনাদের মাঝে আবার হাজির হবো ১৯ নম্বর পর্ব নিয়ে। তাহলে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনাই রইল আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



