" ছেলেকে নতুন স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দিতে নিয়ে যাওয়া "

in আমার বাংলা ব্লগ5 hours ago

প্রিয় বন্ধুরা,

মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি "আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় ও বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশাকরি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে বেশ ভালো আছি।

আমি @shimulakter,"আমার বাংলা ব্লগ"এর একজন নিয়মিত ইউজার।আমি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করি নতুন নতুন বিষয় নিয়ে পোস্ট শেয়ার করার।আজ ও এর ব্যতিক্রম হয়নি।আমি আজ শেয়ার করবো একটি ভ্রমণ পোস্ট।আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।

ছেলেকে নতুন স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দিতে নিয়ে যাওয়াঃ


22443.jpg

বন্ধুরা,আজ আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।আজ শেয়ার করে নেবো একটি ভ্রমন বিষয়ক পোস্ট।আশাকরি আজকের ভ্রমন বিষয়টি পড়ে আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।বাড়িতে এসেছি বেশ কিছুদিন হলো।একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এখানে আসা।আজ সেই বিষয়টিই আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নেবো।

22447.jpg

ছেলেকে বরিশাল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজে ভর্তি করানোর জন্য ই মূলত বাড়িতে এবার আসা।গত ১৩ তারিখ ছিল সেই স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা।তাই এখানে আসা হয়েছিল।ভর্তি পরীক্ষা ১৩ তারিখ হবে জেনে ছেলেকে নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত ছিলাম এ কয়টা দিন।১৩ তারিখ ভোরে নামাজ আদায় করে আর ঘুমাইনি।আমি উঠে ছেলেকে রেডি করিয়ে সামান্য কিছু নাস্তা করিয়ে ওর পাপাকে নিয়ে বের হয়েছিলাম স্কুলের উদ্দেশ্যে।স্কুলের বাস আসে সকাল ৭ টার সময়।আমরা স্কুলের বাসে করেই সকালে রওনা হয়ে যাই।

স্কুল আমার শ্বশুরবাড়ি থেকে অনেকটা ই দূরে।ঝালকাঠি আমার শ্বশুরবাড়ি আর স্কুল হচ্ছে পটুয়াখালীর মধ্যে পরেছে।খুব ইচ্ছে ছিল এই স্কুলে দেয়ার তাই ঢাকা থেকে চলে এসেছি শ্বশুরবাড়িতে।স্কুলে পৌঁছাতে প্রায় ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট সময় লেগেছিল।যদিও ঢাকার মতো এখানে জ্যাম নেই।এরপরেও এতোটা সময় লেগেছিল।

22454.jpg

স্কুলে পৌঁছে দেখি স্কুল অনেকটা ই বড়।খেলার মাঠটা তো আরো বড়।এখানে বাচ্চারা বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারে আমার এমনটাই মনে হলো।আমরা যদিও অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করেছিলাম আগেই।কিন্তু সেদিন গিয়ে সবাই ফর্ম কিনে ফিলাপ করে বাচ্চাদের এক্সাম রুমে পাঠিয়ে দিলাম সব অভিভাবকরা।দুই ঘন্টার এক্সাম হলো।সেদিন সিক্স থেকে ক্লাস নাইন পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা হয়েছিল।

22427.jpg

বাংলা ও ইংলিশ ভার্সন দুটো ভার্সনেই সেদিন এক্সাম নেয়া হয়েছিল।পরীক্ষা শুরু হলে আমি হাঁটাহাঁটি করছিলাম আর বেশকিছু ফটোগ্রাফি করে নিয়েছিলাম স্কুল ও স্কুলের চারিপাশের।তাই আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিলাম। আশা করছি স্কুলের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আপনারা বুঝতে পারছেন স্কুল কতেটা বড় আর খোলামেলা।

22475.jpg

যেহেতু আমার বাড়ি স্কুল থেকে অনেকটা দূরে তাই আমি স্কুল বাসে আমার ছেলেকে আনা নেয়া করবো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।আর এই কারনে বাস গুলো দেখে ড্রাইভারদের সাথে কথা বলে নিয়েছিলাম।তারা সবাই খুবই আন্তরিক।এই স্কুলে চান্স পেলে ছেলেকে স্কুল বাসেই আসা যাওয়া করতে হবে।আপনাদের সাথে শেয়ার করে নেবো তাই বেশ কিছু ফটোগ্রাফি আমি করে নিয়েছিলাম।তাই কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করে নিলাম।

সেদিন এক্সাম শুরু হয়েছিল সকাল ১০ টার সময়।আর শেষ হয়েছিল বেলা ১২ টায়।আমরা স্কুলে হালকা নাস্তা ও চা পান করেছিলাম।তাও যেনো সময় কাটছিলই না।এরপর এক্সাম শেষ হলে আরো কিছু সময় বসে অপেক্ষা করতে হলো আমাদের।কারন বাস সব এক সাথে বেলা ২ টার সময় ছেড়ে যায়।আমরা বাসে করে রওনা করে এসে বাসায় ৩ ৩০ শে পৌঁছে গেলাম।সারাটি দিন সেদিন খুব ব্যস্ত ও টেনশনে কেটেছে।কিন্তু ভ্রমনটা ছিল খুব সুন্দর। না ছিল জ্যাম না ছিল কোন সিগন্যাল।

পোস্ট বিবরন


শ্রেণীভ্রমন পোস্ট
ক্যামেরাGalaxy A16
পোস্ট তৈরি@shimulakter
লোকেশনবরিশাল,বাংলাদেশ

আজ আর নয়।এখানেই আজ ইতি টানছি, নতুন কোন ব্লগ নিয়ে হাজির হব। সবাই সুস্থ থাকবেন,ভাল থাকবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে

@shimulakter

আমার পরিচয়


আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।আমি বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি (জিওগ্রাফি)কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ।ভালোবাসি বই পড়তে,নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।

20764.png

20765.gif

22200.png