এনফিল্ডে ধরাশায়ী রিয়াল মাদ্রিদ!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
ফুটবল বিশ্বে বিশেষ একটা জায়গা নিয়ে আছে লিভারপুলর এনফিল্ড স্টেডিয়াম। শুধু ফুটবলের দিক থেকে না। বিশ্ববিখ্যায় মিউজিক ব্রান্ড বিটেলস এর জন্ম এর এনফিল্ডেই। লিভারপুলের খেলোয়ার থাকাকালীন শাবি আলানচো একবার বলেছিলেন আমি মারা গেলে আমার দেহ এনফিল্ডে নিয়ে এসো এমনটাই ছিল এনফিল্ডের প্রতি তার ভালোবাসা। সেই শাবি আলানচো এখন রিয়াল মাদ্রিদের কোচ। গতরাতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন লীগে রিয়াল মাদ্রিদের খেলা ছিল এই এনফিল্ড স্টেডিয়ামে লিভারপুলের সাথেই। গতবছর এখানে হারতে হয়েছিল মাদ্রিদ কে। এইজন্য এই সিজেনে তারা পুরো প্রস্তুতি নিয়ে যায় ম্যাচটা জয়ের জন্য। এই সিজেনে চ্যাম্পিয়ন লীগের এটাই সবচাইতে বড় ম্যাচ বলা যায়। এর আগে ২০১৮ এবং ২০২২ দুইটা চ্যাম্পিয়ন লীগ ফাইনাল লিভারপুল হেরেছিল রিয়াল মাদ্রিদের কাছেই। সেদিক থেকে তারা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে ছিল।
ঘরের মাঠে লিভারপুল পুরোপুরি ৪-৩-৩ ফর্মেশনে মাঠে নামে। যদিও এই বছর তারা লীগে খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই। টানা কয়েকটা ম্যাচ তারা হেরে বসেছে। রিয়াল মাদ্রিদের ফর্মেশন ছিল ৪-৪-২। ইঞ্জুরি থেকে ফিরলেও আর্নল্ড স্টার্ট করেনি। তার পরিবর্তে রাইট ব্যাক পজিশনে শুরু করেছিল ভালভার্দে। আর্নল্ড এই বছরই রিয়াল মাদ্রিদে পাড়ি জমিয়েছে। এর আগে সে জীবনের ২২ টা বছর কাটিয়েছে এই লিভারপুলে। সেই লিভারপুল একাডেমি থেকে। খেলা শুরু হয় বাংলাদেশ সময় রাত ২ টার সময়। একটু বেশি রাতেই ছিল খেলাটা। খেলা শুরুর প্রথম কয়েক মিনিট লিভারপুল বেশ কয়েকটা আক্রমণ করে। কিন্তু সুবিধা করতে পারেনি। এরপর রিয়াল মাদ্রিদ বেশ খেলায় ফিরে আসে। বল নিজেদের দখলে রেখে আক্রমণে যাচ্ছিল।
তবে রিয়াল মাদ্রিদ খুব একটা সুবিধা মোটেই করতে পারছিল না। লিভারপুলের সলিড ডিফেন্সের কাছে বার বার ব্যর্থ হচ্ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু লিভারপুল খুব দ্রুতই আবার খেলায় ফিরে আসে। একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা করে দিতে থাকে। অনেক গুলো সুযোগ তৈরি করেও গোল করতে পারেনি শুধুমাত্র রিয়াল মাদ্রিদ গোলকিপার থিবো কর্তোয়ার জন্য। প্রথমার্ধেই থিবো কর্তোয়া অসাধারণ চারটা সেভ দেয় যেগুলো গোল হওয়ার মতোই ছিল। কর্তোয়া জানান দেয় আমি আছি। প্রথমার্ধে কোন গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের খেলার শুরু থেকেই লিভারপুল তাদের সেই চাপ অব্যাহত রাখে। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম কয়েক মিনিটেই লিভারপুল কয়েকটা কর্ণার কিক পেয়ে যায়। সেখানে থেকে বল পেয়ে দারুণ হেড দিলেও কোন লাভ হয়নি। কারণ সেই থিবো কর্তোয়া।
তবে থিবো কর্তোয়া বেশিক্ষণ রিয়ালের গোলের দরজা বন্ধ রাখতে পারেনি। ম্যাচের ৬১ মিনিটের সময় সেট পিচ থেকে নেওয়া বলে হেড দিয়ে দারুণ একটা গোল করে ম্যাক এলিস্টার। ম্যাচে এগিয়ে যায় লিভারপুল। পরবর্তীতে রিয়াল মাদ্রিদ পুরো সময় গোলের সন্ধানে আক্রমণ করেছে। কিন্তু ফলাফল একেবারে শূণ্য। অনেক চেষ্টা করেও রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচে কোন গোল করতে পারেনি। তবে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছে মাদ্রিদ গোলকিপার থিবো কর্তোয়া। পুরো ম্যাচে সে ৮ টা সেভ দিয়েছে। ম্যাচ শেষ হয় ১-০ গোলেই। এনফিল্ডে ধরাশায়ী হয় রিয়াল মাদ্রিদ। এটা এই সিজেনে চ্যাম্পিয়ন লীগে রিয়াল মাদ্রিদের প্রথম হার। চ্যাম্পিয়ন লীগে ৪ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ৫ এ রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ঠিক সেই সমান সংখ্যক ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে মাদ্রিদের পরেই রয়েছে লিভারপুল।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।












.png)



Daily task
https://x.com/Emon423/status/1985979297413366181?t=gNraHbKunB3xEBkexkVlzA&s=19
https://x.com/Emon423/status/1985979558655562239?t=_SY-Z706LfSABpyEhKjasA&s=19