হৃদয়ের স্পন্দন'গল্প পর্ব:৭

in আমার বাংলা ব্লগ2 days ago

হ্যালো বন্ধুরা,

আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, আপনারা সবাই ভাল আছেন সুস্থ আছেন। আজ আমি আপনাদের মাঝে হৃদয়ের স্পন্দন গল্পের আর একটি নতুন পর্ব উপস্থাপন করছি। আশা করি, গল্পের এই পর্বটি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। তাই বিলম্ব না করে আমার পোস্ট লেখাটি শুরু করছি।


pexels-pixabay-258421 (6).jpg
সোর্স


রকি রিমির সব কথা শুনে কিছুক্ষণ পর রকি পূজাকে বলে, দেখো পূজা আমি তো তোমাদের সব কথা শুনলাম। তুমি আমাকে মনে মনে ভালোবাসো কিন্তু আমি তো এখনো এই সব বিষয়ে কখনো ভাবিনি।তাই বলছিলাম আমাকে কিছুটা সময় দেও‌। তখন পূজা বলে, ইটস ওকে আমি যে আপনার দেখা পেয়েছি। আর আমার মনের কথা গুলো বলতে পেরেছি। আর আপনি সেই গুলো শুনেছেন এটাই আমার কাছে অনেক বলো পাওয়া।রকি বলে,আমার কিন্তু ভালো লেগেছে। আমি তো জানতাম না যে এত দিন ধরে আমাকে কেউ তার মনে জায়গা দিয়েছে এবং সে আমাকে খুঁজছে।পূজা বলে, আজ আমরা এখন উঠি আর আপনি আমার বোনের ব্যবহারে কিছু মনে করেন না। রকি বলে, আরে আপনি কি বলেছেন ও তো খুব মিষ্টি একটা মেয়ে ওর জন্য তো আমি সব কিছু জানতে পারলাম 🙂🙂। রিমি তখন রকিকে বলে আপনি খুব ভালো। পূজা ও রিমি তখন চলে যেতে লাগে তখন রকি পূজাকে ডাক দিয়ে বলে, কিছু যদি মনে না করলে আমি কি আপনার নাম্বারটা পেতে পারি? পূজা তখন বলে এতে মনে করার কি আছে লিখুন নাম্বার।পূজা নাম্বার দিয়ে বাই বলে চলে যায়।


রকি পূজার নাম্বার তো নিলো কিন্তু সে একটু চিন্তায় ও পরে গেল কারন পূজাকে সে তার জীবনের কিছু কথা বলেনি।তাই সে ভাবতে থাকে পূজার সঙ্গে সম্পর্কে পা বাড়ানোটা ঠিক কাজ হবে আবার ভাবে যা হবার পরে দেখা যাবে এত সুন্দর মেয়ে হাত থেকে চলে গেলে আর আমি পাব না কখনো এই ভাবে আর হাসতে থাকে 😄😄। এরপর রকি খাবারের বিল মিটিয়ে সেখান থেকে চলে আসে‌।


পূজা ও রিমি বাড়িতে আসতে দেয়নি হয় তখন তাদের মা বলে ,কি বেপার আজ বাড়িতে আসতে দুজনের লেট হলো কোথায় গিয়েছিলে শুনি? পূজা বলে,মা রাস্তায় অনেক জ্যাম ছিল তাই লেট হয়ে গেল। রাস্তায় তো জ্যাম ছিলনা অন্য কোনো দিন তো হয় না আজ হঠাৎ করে? সত্যি কথা বলো কোথায় গিয়েছিলে? তখন রিমি রাগান্বিত কন্ঠে বলে, মা তুমি কি আমাদেরকে সন্দেহ করছো? মা বলে, আমি তোমাদেরকে সন্দেহ করছি না কিন্তু তোমরা আমাকে মিথ্যা বলছো তাই তোমাদের কাছে জিজ্ঞাসা করছি। রিমি বলে, মার্কেট থেকে আমরা একটা রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছিলাম সেখান থেকে আসতে আমাদের লেট হয়েছে। মা বলে, আচ্ছা ঠিক আছে কিন্তু এটা তো প্রথমে বলতে পারতে।রেস্টুরেন্টে খেয়েছ ঠিক আছে রাতে খাওয়া দাওয়া করে ঘুমাবে মনে থাকে যেন যাও এখন।


এরপর পূজা ও রিমি দুজনে রুমে যে ফ্রেশ হয়ে নেয়। পূজা রিমিকে বলে তুই মার সঙ্গে এমন ভাবে কেন কথা বললি ভালোভাবে তো বলা যেত। রিমি বলে, আরে মাথা মোটা আমি এমন করে কথা না বললে মা বিশ্বাস করত না। পূজা বলে তাও এমন করে বলাটা ঠিক হয়নি তোর। রিমি বলে আচ্ছা বাবা ঠিক আছে হাত জোর করে ক্ষমা চাচ্ছি হয়েছে খুশি। পূজা বলে,এই রিমি শোন না। রিমি বলে, কি বলবি বল। পূজা বলে, তুই রাগ করে থাকলে আমি বলি কি করে বল তো। রিমি বলে, আচ্ছা রাগ করছি না বল। পূজা বলে, ও তো আমার ফোন নাম্বার নিয়েছে সে আমাকে কি ফোন করবে আর যদি করে আমি কি বলবো বল না একটু। রিমি বলে, যতসব ঢং। পূজা বলে, লক্ষী বোন আমার বল না কি বলবো। রিমি বলে, আচ্ছা ভালো কে বাসে তুই। পূজা বলে হ্যাঁ । রিমি বলে, তাইলে আমি কি করে বলবো তোর ভালোবাসার মানুষটা ফোন করলে তুই কি বলবি। সব সময় কি আমার বলতে হবে। পূজা বলে, তোর কি মনে হয় ফোন করবে তো। আরে দিদি টেনশন করিস না ফোন ঠিক করবে করবে।

আজ গল্পটি এখানে শেষ করছি। খুব শীঘ্রই এই গল্পের আর একটি নতুন পর্ব আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করব। এই পর্যন্ত আপনারা সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সৃষ্টিকর্তার কাছে এটাই প্রার্থনা করি।

Coin Marketplace

STEEM 0.06
TRX 0.29
JST 0.046
BTC 72857.05
ETH 2129.74
USDT 1.00
SBD 0.50