মোয়ার টানে জয়নগর: জটার দেউল থেকে পথে পথে জয়নগর
নমস্কার বন্ধুরা,
জটার দেউল যে শুধুমাত্র একটি প্রাচীন বাঙালি মন্দির শৈল্পি নয়, এটি বঙ্গের ও বাঙালির ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। উপযুক্ত রূপে সংরক্ষণ এবং দেউল নিয়ে গবেষণা হলে এটি বাংলার ইতিহাসের এক মূল্যবান অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে। যা বঙ্গের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দূরত্ব এবং খারাপ পথের কষ্ট দেউল দেখে কেটে গেলো। তারপর জটার দেউলকে বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে পড়লাম জয়নগরের দিকে। যদিও শেষবার বিদায় নেওয়ার আগে মন্দিরের বাইরে থেকে ঝাল মুড়ি নিয়ে নিলাম। সকাল থেকে পেটে কিছু পড়েনি, ঝাল ছাড়া মুড়ি আমার পাথেয় হলো।
জয়নগর জটার দেউল থেকে প্রায় ৩৫ কিমি দূরত্বে। তবে মাঝের রাস্তাটা ৩৫ কিমির পরিবর্তে ৪৫ কিমি বললেই বেশি মনে হবে। মূলত খারাপ রাস্তা সেটার জন্য দায়ী। টানা চলা শুরু করলে থামা যাবে না, তার আগে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ আশপাশের সবুজ পরিবেশ অনুভব করে নিলাম। গ্রামের দিকটায় এটা সবচাইতে ভালো লাগে সেই সাথে এদিকটার শান্ত পরিবেশ। কোনো আওয়াজ নেই। রাস্তা যদি আরেকটু মসৃণ হত তাহলে যাত্রাটা আরো বেশি ভালো লাগতো। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার এই অঞ্চলে প্রচুর শশা চাষ হয় তারই বাগান চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। ক্ষেতে গিয়ে সসা তুলে নিয়ে আসার মতন কোমরের পরিস্থিতি ছিল না। তাই স্কুটারে চড়ে যাত্রা শুরু করে দিলাম।
মন্দির থেকে বেরিয়ে দূর পথের রাস্তা ধরলাম। ঘুর পথের রাস্তা তুলনামূলক ভালোই ছিল। তবে প্রচন্ডই আঁকাবাঁকা, যেখানে সেখানে S ও L আকৃতির বাঁক। তাই ধীরে ধীরে চললাম। ধীরে ধীরে পথের চারপাশের সবুজ মাঠ অনুভব করতে করতে ফের মনি নদীর ওপর রাইদিঘি ব্রিজের উপরে পৌঁছে গেলাম। সেখান থেকে পথ ধরলাম জয়নগরে। রাস্তাটা এখান থেকে অল্প চওড়া। জয়নগর ৩০ কিমি। স্কুটার ছুটিয়ে দিলাম।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS









Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
জটার দেউলের ঐতিহ্য ও যাত্রাপথের বর্ণনা অসাধারণ লাগল ভাই।ইতিহাস, প্রকৃতি ও ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বিশেষ করে গ্রামের নিস্তব্ধতা ও শশার ক্ষেতের দৃশ্য যেন চোখের সামনে ভেসে উঠল।
আসলে রাস্তা ভালো না হলে যেকোনো জায়গায় পৌঁছাতে সময় বেশি লেগে যায়। তাছাড়া আঁকাবাকা রাস্তা দিয়ে খুব সাবধানে ড্রাইভ করতে হয়। যাইহোক ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভীষণ ভালো লাগলো দাদা। শশা ক্ষেত থেকে কিছু শশা খেয়ে, এনার্জি বাড়িয়ে আবারও সামনের দিকে রওনা দিলে আরও ভালো হতো দাদা হা হা হা। যাইহোক এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।