জেনারেল রাইটিং পোস্ট ||| নারী তুমি অনন্যা ||| original writing by @saymaakter
আসসালামু আলাইকুম। আমার বাংলা ব্লগের সকল ভাই-বোনেরা আশা করছি পরিবারকে নিয়ে সুস্থ সুন্দরভাবে দিন যাপন করছেন।আমি আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।তবে খুবই ব্যস্ততার সাথে সময়গুলো পার করছি।রমজান মাস মানে অনেক ব্যস্ততম সময় সবার।আসলে একদিকে রোজা রাখা তারপর রোজা রেখে রান্নার আয়োজন আর রমজান মাসে রান্নার আয়োজনটা প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে অনেক বেশি হয়ে থাকে। তারপর এত ব্যস্ততায় থেকেও আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি।বরাবরের মতো আবারো হাজির হলাম আপনাদের মাঝে নতুন আরেকটি ব্লগ নিয়ে আজ আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি জেনারেল রাইটিং "নারী তুমি অনন্যা"।
৮ই মার্চ International Women's Day। সারা পৃথিবীতে পালিত হয় নারীর সম্মান অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। নারী সত্যিই অনন্যা, আমি নারী জন্য বলছি না আমরা যদি ছেলেরা অথবা যেকোনো স্বাভাবিক কোন মানুষ যদি নারীর সারাদিনের কাজকর্ম খেয়াল করি তাহলেই বুঝতে পারব নারী কি।যে ঘরে নারী নেই সেই ঘরটাই মনে হয় অমসৃণ।নারীর হাত এমন যেখানে সে যায় এবং যে কাজগুলো করে সেই কাজগুলো অতি নিমিষেই জায়গাগুলো দেখতে সুন্দর লাগে এবং আকর্ষণীয় লাগে। কারণ একটাই সে নিজের মনের মত করে সব কাজগুলো গুছিয়ে নেয়।
তার নিজের দিকে তাকানোর সময় টুকু তার নেই। সে পরিবারের জন্য এবং পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিজেকে যে কোনো কষ্টে রাখতে প্রস্তুত তাইতো বলা হয় নারী তুমি অনন্যা। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে নারী শুধু পরিবার নয় পুরো সমাজ ও মানব সভ্যতার একটি অপরিহার্য শক্তি। ইতিহাসসাক্ষী নারী তার সাহস মেধা ধৈর্য এবং ভালোবাসা দিয়ে সুন্দর করেছে এই পৃথিবীকে।
নারী মানেই মমতাময়ি।নারী মানে তার ত্যাগ। নারী জীবনে তার পরিবারের জন্য অনেক কিছুই ত্যাগ করতে পারে সেটার প্রমাণ প্রত্যেকটি ফ্যামিলির মা। সে নিজে না খেয়ে তার সন্তানের জন্য স্বামীর জন্য সবকিছু সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখে।হয়তো এমনো বলতে শোনা গেছে আমার ক্ষুধা নেই আমি খেয়েছি তোমরা খেয়ে নাও। ত্যাগ ও ভালোবাসার এক অনন্য প্রতীক। একজন নারী যখন মা হন, তখন তিনি নিজের সব কষ্ট ভুলে সন্তানের জন্য জীবন উৎসর্গ করেন। একজন বোন পরিবারের বন্ধনকে আরও শক্ত করে।একজন স্ত্রী সংসারের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেয়।আর একজন কন্যা পরিবারের আনন্দের আলো হয়ে থাকে। নারীর এই প্রতিটি পরিচয় মানব জীবনের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।
নারী শুধু সংসারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষা, বিজ্ঞান, চিকিৎসা, সাহিত্য, রাজনীতি, ক্রীড়া প্রতিটি ক্ষেত্রেই নারীরা আজ নিজেদের যোগ্যতা ও প্রতিভা দিয়ে বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে তারা কোনো অংশেই পিছিয়ে নেই। অনেক বাধা, কষ্ট ও বৈষম্য পেরিয়ে নারীরা আজ নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছেন।
আমার পরিচয়
আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার।আমি একজন ব্লগার, উদ্যোক্তা।কবিতা লিখতে, নতুন কোনো রেসিপি তৈরি করতে এবং নতুন নতুন ডিজাইন সৃষ্টি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।আমি উদ্যোক্তা জীবনে সব সময় গ্রামের অবহেলিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি।আর এই অবহেলিত মহিলাদের কাজ নিয়ে দেশের স্বনামধন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রোভাইড করি এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে বিদেশেও রপ্তানি করছি।আর এসব কিছুর পিছনে আমার এই অবহেলিত মহিলাদের উৎসহ এবং উদ্দীপনায় সম্ভব হয়েছে।তাই সব সময় আমি অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে এবং অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে খুব ভালো লাগে।এজন্যই সব সময় অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি এবং তাদের সহযোগিতায় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখি।আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে স্টিমিটে যুক্ত হই।আমার বাংলা ব্লগে শুরু থেকে আছি এবং এখন পর্যন্ত আমার বাংলা ব্লগেই ব্লগিং করে যাচ্ছি।
🇧🇩আল্লাহ হাফেজ🇧🇩




