স্মার্ট যুগে ভেতরের একাকীত্ব

আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।

IMG_0378.jpeg


আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।

আজকের এই লিখাটি লিখার আসলে বিশেষ কারণ রয়েছে। কারণ আমার মনে হয় যে আমরা সকলেই এই সমস্যায় রয়েছে। অর্থাৎ এই সমস্যার ভুক্তভোগী তো স্বাভাবিকভাবেই আসলে এই সমস্যা গুলো যেহেতু আমাদের সকলের মধ্যে রয়েছে। সেক্ষেত্রে সমাধান গুলো সম্পর্কে আমাদের সকলেরই অবগত থাকতে হবে কিংবা সমাধান গুলো আসলে আমাদের সকলের ভাবতে হবে।

আজকের যুগে আমরা সবাই অনেক স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার করি। মোবাইল, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া সবকিছু আমাদের জীবনের অংশ হয়ে গেছে। আমরা অনেক তথ্য জানি, অনেক লোকের সঙ্গে অনলাইনে কানেক্টেড, কিন্তু তাও আমাদের ভেতরে এক ধরনের একাকীত্ব কাজ করে।

আগে মানুষ যখন যোগাযোগের মাধ্যম কম ছিল, তখন কিন্তু একে অপরকে সময় দিতো। গল্প করত, একসাথে বসে খেত, হাঁটত। এখন সবাই ফোনে ডুবে থাকে। সামনেই কেউ বসে থাকলেও আমরা ফোনেই ব্যস্ত। এতে করে ধীরে ধীরে আমাদের সম্পর্কগুলো দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। কারো মনের কথা শুনতে আমরা সময় দিই না। ফলে মানুষ মনে মনে একা হয়ে যাচ্ছে।

এই একাকীত্ব অনেক সময় হতাশা, মানসিক চাপ, এমনকি বিষণ্নতা তৈরি করে। মানুষ ভাবে,সবাই তাকে ভুলে গেছে বা কেউ তার খবর রাখে না। অথচ ফেসবুকে হাজারজন ফ্রেন্ড, ইনস্টাগ্রামে অনেক ফলোয়ার। কিন্তু সেই আসল সম্পর্কটা নেই। সত্যি কথা বলার মতো একজন মানুষও অনেকের থাকে না।

এই কারণে আমাদের দরকার বাস্তব সম্পর্ক গড়ে তোলা।স্মার্ট ডিভাইস হোক, কিন্তু মন যেন একা না থাকে। সময়ে সময়ে প্রিয়জনের সাথে সময় কাটানো, মুখোমুখি কথা বলা, মনের কথা শেয়ার করাটা দরকার। তাহলেই স্মার্ট যুগে থেকেও আমরা মনের দিক থেকে একা হব না

ABB.gif