কৃতজ্ঞতা কি সত্যিই সুখ এনে দিতে পারে?
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আমি যত দিন যাচ্ছে, একটা ব্যাপার খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছি কৃতজ্ঞতা একটা অসাধারণ জিনিস। মানে, আমরা অনেক সময় খুশির জন্য বড় কিছু খুঁজি, ভাবি এই জিনিসটা পেলে সুখী হবো, ওই জায়গাটায় পৌঁছাতে পারলে শান্তি পাবো। কিন্তু দিনশেষে দেখি, যেগুলোর জন্য আমরা প্রতিদিন অভিযোগ করি, তার অনেক কিছুই হয়তো একদিন আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো থাকবে।
আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলি, ছোট ছোট জিনিসের জন্য কৃতজ্ঞ থাকা শুরু করার পরেই বুঝেছি, মনটা অনেক বেশি হালকা লাগে। যেমন সকালবেলা সূর্যের আলো গায়ে লাগা, মা-বাবার হাসিমুখ দেখা, একজন বন্ধুর একটু বুঝে কথা বলা কিংবা খুব ক্লান্ত একটা দিনে শান্তভাবে একটা ঘুম দেওয়া।এই জিনিসগুলো যখন আমি গভীরভাবে অনুভব করি আর মনে মনে বলি আলহামদুলিল্লাহ বা ধন্য আমি।তখন একটা শান্তি অনুভব হয়।
এটা ঠিক, আমাদের জীবন সবসময় পরিপূর্ণ না। অনেক অভাব আছে, অনেক না-পাওয়া, অনেক যুদ্ধ, অনেক কষ্ট। কিন্তু তবুও, তার মাঝেও যেগুলো আছে, যেগুলো আমার জীবনে এখনো রয়েছে, সেগুলোকে যদি আমি একটু মূল্য দিতে শিখি, তাহলে কষ্টগুলোর ওজন একটু হলেও কমে যায়।
আর একটা ব্যাপার খেয়াল করেছি।যখন আমি কৃতজ্ঞ থাকার অভ্যাস করি, তখন হিংসে, হতাশা কিংবা তুলনায় অনেক কম জড়াই। কারণ তখন আমার মনটা পুরোপুরি অন্যের দিকে না তাকিয়ে নিজের জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো ধরতে শিখে। এটা একটা অভ্যাস, যেটা শুরুতে খুব কঠিন লাগতে পারে। কিন্তু যখন শুরু হয়, তখন ধীরে ধীরে মনে হয়, সত্যিই তো, আমি তো অনেক দিক দিয়ে সৌভাগ্যবান।

