অপরের ভালোমন্দ বিচার না করে নিজের উন্নতির দিকে মন দেওয়া উচিত
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আমরা অনেক সময় এমন একটা অভ্যাস তৈরি করে ফেলি যেটা হলো সব সময় অন্যের দিকে তাকিয়ে থাকা।কে কী করছে, কার কতো উন্নতি হলো,কে কী পরছে,কে কোথায় যাচ্ছে এইসব ব্যাপারে আমরা এতোটাই ব্যস্ত হয়ে পরি যে নিজের দিকে ফিরে তাকানোই ভুলে যাই।অথচ আসল কাজটা তো হওয়া উচিত নিজের উন্নতির দিকে মন দেওয়া।কারণ দিনশেষে অন্য কেউ এসে আমাদের জীবনটা গুছিয়ে দেবে না,সেটা একমাত্র আমাদের নিজেদেরই করতে হবে।
অনেকে আছে যারা সারাক্ষণ অন্যের ভালো মন্দ বিচার করে বেড়ায়।এই বিচার করা থেকে কোনো উপকার হয় না বরং এতে সময় নষ্ট হয় আর নিজের মনটাও খারাপ হয়।আমরা যদি এই সময়টা অন্যের দোষ খোঁজার বদলে নিজের ভুলগুলো ধরতে ও ঠিক করতে দিতাম,তাহলে অনেক ভালো কিছু অর্জন করতে পারতাম।নিজের ভেতরের খুঁতগুলো চিনে সেগুলোকে শুধরে নেওয়াই হলো উন্নতির প্রথম ধাপ।
আরেকটা ব্যাপার হলো,আমরা যখন অন্যকে নিয়ে বেশি ভাবি তখন নিজের লক্ষ্য থেকে অনেক সময় সরে যাই।নিজের স্বপ্ন,নিজের পরিকল্পনা সবই ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ে।অন্যের সঙ্গে তুলনা করলেই হীনমন্যতা আসে,মনে হয় সে কত এগিয়ে গেছে আর আমি কত পিছিয়ে আছি।অথচ সবাই নিজের মতো করে চলছে,সবার গন্তব্যও আলাদা।তাই অন্যের সঙ্গে নিজের তুলনা না করে বরং নিজের গতিতে নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়াটাই বেশি দরকার।
যখন আমরা নিজের দিকে মন দিই,নিজের প্রতিটা পদক্ষেপ বুঝে চলি,তখন নিজের উন্নতিটা চোখে পড়ে।নিজের ভেতরের ভালো গুণগুলো বের করে আনা যায় আর খারাপ গুলোকে ঠিক করে নেওয়া যায় বা নিজের ভুল থেকে শেখা যায় এবং ভবিষ্যতে যাতে সেই ভুল না হয় সেটা নিয়ে ভাবা যায়।
সবশেষে বলতে হয়,আমরা যদি সত্যি চাই জীবনে কিছু করতে,তাহলে আমাদের প্রথম কাজ হওয়া উচিত নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকা।কে কী করল সেটা দেখে সময় নষ্ট না করে বরং আমি কী করছি,আমি কতোটা এগোচ্ছি,আমি কী শিখছি এইসব নিয়ে ভাবাই অনেক বেশি জরুরি।কারণ নিজের উন্নতিই আসলে সবচেয়ে বড় অর্জন আর সেটা তখনই সম্ভব যখন আমরা নিজের দিকে মন দিই, অন্যের নয়।

