উন্নতির আগেই আমাদের অহংকার!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আন ভাবলাম একটু অন্যবিষয়ে লেখি আর সেটা হলো আমাদের জীবনে উন্নতি আসলেই আনন্দের বিষয়। পড়াশোনা,ক্যারিয়ার বা ব্যক্তিগত জীবনে সামান্য সাফল্য পেলেই আমরা গর্ববোধ করি,আত্মবিশ্বাসী হই। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় তখনই যখন আসল উন্নতি হওয়ার আগেই আমাদের ভেতরে অহংকার ঢুকে পড়ে। সামান্য কিছু অর্জন করেই আমরা যেন ভেবে বসি সবকিছু জেনে ফেলেছি, অন্যরা আমাদের চেয়ে ছোট।
অহংকারের এই প্রবণতা আসলে আমাদের অগ্রগতির পথে বড় বাধা। যে মানুষ এখনো শেখার পর্যায়ে আছে সে যদি অহংকারে ভরে ওঠে তবে তার শেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। সে ভাবে,আমি তো অনেক কিছু জানি আর শেখার দরকার কী!অথচ বাস্তবে শেখার কোনো শেষ নেই। বিনয়ী মানুষই বারবার শিখে বড় হয় আর অহংকারী মানুষ ছোট জায়গায় আটকে যায়।সমাজে আমরা প্রায়ই দেখি,কেউ সামান্য ভালো ফল করলেই অহংকারে ভরে ওঠে,অন্যকে তুচ্ছ করে কথা বলে। কেউ হয়তো একটু ভালো চাকরি পেল, তখন সে মনে করে, বাকি সবাই তার চেয়ে কম। অথচ সত্য হলো এগুলো উন্নতির শুরু মাত্র। আসল উন্নতি তখনই হবে,যখন মানুষ জ্ঞান,অভিজ্ঞতা আর মানবিকতায় বড় হয়ে উঠবে।
অহংকার শুধু আমাদের ব্যক্তিগত উন্নতিকে আটকায় না, বরং সম্পর্ককেও নষ্ট করে। অহংকারী মানুষকে কেউ দীর্ঘদিন পছন্দ করে না। তার ভেতরের গর্ব মানুষকে দূরে ঠেলে দেয়। ফলে সাফল্য থাকলেও প্রকৃত সম্মান আর ভালোবাসা মেলে না।উন্নতির আগে অহংকার দেখানো মানে নিজের পায়ে কুড়াল মারা। সত্যিকারের উন্নতি কখনো অহংকারে নয়, বরং বিনয় আর ধৈর্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে। আমাদের মনে রাখতে হবে,ত বড়ই অর্জন হোক না কেনো শেখার মতো অনেক কিছু সবসময়ই রয়ে যায়। তাই অহংকার নয়,বিনয়ী মনোভাবই হতে হবে উন্নতির আসল সঙ্গী।

