নিজের উপর ভারসা করাটাই বড় ব্যাপার
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
নিজের উপর ভরসা করাটা খুব সহজ কথার মতো শোনালেও, বাস্তবে সেটা খুব কঠিন একটা ব্যাপার। কারণ আমরা সবসময় চাই কেউ একজন বলুক, তুমি পারবে, আমি আছি।এই কথাগুলো শুনলে আমরা সাহস পাই। কিন্তু বাস্তব জীবনে তো সবাই সবসময় পাশে থাকে না। তখন নিজের উপর ভরসা করাটাই একমাত্র উপায়। আমি নিজেই বুঝেছি, অন্য কেউ না থাকলেও নিজের মনটা যদি বলে, তুমি পারবে, তাহলে সেটা অনেক শক্তি দেয়।
অনেক সময় এমন হয়, চারপাশে সবাই সন্দেহ করে, হাসে, বিশ্বাস করে না। এমনকি কাছের মানুষও বলে, তুমি পারবে না, বা এটা তোমার জন্য না। তখন নিজের উপর ভরসা রাখা ছাড়া আর কোনো রাস্তা থাকে না। আমি সেই অবস্থায় ছিলাম, যেখানে আমার একটাই ভরসা ছিলাম আমি নিজেই। ভয় লাগতো, ভুল হবার আশঙ্কা ছিল, কিন্তু তাও ভেতর থেকে একটা আওয়াজ বলতো, চেষ্টা না করলে তুমি জানবে না কেমন হতো। সেই ভরসা আমাকে ধাক্কা দিয়ে সামনে এগিয়ে দিয়েছে।
নিজের উপর ভরসা মানে এই না যে সবসময় ঠিক হবে কিংবা সবকিছু পারতে হবে। এর মানে হলো, ভুল হলেও নিজেকেই সামলাতে হবে, নিজেকেই আবার উঠে দাঁড়াতে হবে। বাইরে থেকে কেউ এসে বাঁচাবে না। আমি সেটা খুব ভালো করে শিখেছি। একবার যখন নিজের উপর ভরসা রাখার সাহস জন্মায়, তখন বাইরের কথাগুলো আর তেমন ভয় দেখায় না। তখন মনে হয়, হ্যাঁ, আমি একা হলেও কিছু একটা করতে পারবো।
নিজের উপর ভরসা থাকলে মানুষের চোখে চোখ রেখে কথা বলা যায়। সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এত দ্বিধা লাগে না। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, নিজের ভুল নিজের কাঁধে নিতে সাহস হয়। আর এই সাহসই তো মানুষকে আস্তে আস্তে শক্ত করে তোলে। আমি এখনো শিখছি, প্রতিদিন নিজের উপর একটু বেশি করে ভরসা রাখার চেষ্টা করি। এখনও ভয় পাই তবু নিজেকেই বলি, তুমি পারবে।

