মানুষের মুখোশ আর তার আসল চেহারা
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আমাদের চারপাশে এমন কিছু কিছু মানুষ দেখবেন, যারা যেনো একটা আলাদা রকমের মুখোশ পরে থাকে। যে মুখোশটিকে টেনে ছিঁড়ে ফেলা অনেক সময় অসম্ভব হয়ে পড়ে, কারণ তারা মুখোশের মধ্যে এমনভাবে জড়িয়ে থাকে যে আপনি তাদের আসল রূপ ধরতে পারবেন না। অর্থাৎ অনেক সময় আসলে কিছু কিছু ব্যাপার দেখবেন, যে কোন কোন নায়ক নায়িকা তার কোন ক্যারেক্টার করতে করতে, তার ক্যারেক্টারের মধ্যে এমনভাবে ঢুকে যায় যে তার ব্যক্তিত্ব কিংবা ব্যক্তিগত আচরণ আর ক্যারেক্টারের আচরণ অনেক সময় একই হয়ে যায়। তাই, যেই মানুষগুলো বেশিরভাগ সময় মুখোশ ধারণ করে থাকে, আমার যেটা মনে হয়, সেটা হলো সেই মানুষগুলো আসলে একটা সময় আর আসল চরিত্রে ফিরে আসতে পারে না।
তবে এখানে একটা কিন্তু রয়েছে, সেটা হলো যারা আসলে অনেক বেশি খারাপ মানুষ, তারা আসলে ভেতরে ভেতরে কিন্তু খারাপ মানুষই থাকে। অর্থাৎ তারা হয়তো ভালো মানুষের মুখোশ পরে থাকে, কিন্তু তাই বলে যে তারা ভালো হয়ে যায়, আবার এমন অনেক সময় হয় না। অর্থাৎ দুটোই হতে পারে। হতে পারে একটা মানুষ ভালো মানুষের মুখোশ পরে থাকতে থাকতে, সে নিজেই ভালো মানুষ হয়ে গেল। আবার অনেক সময় এমনটাও হতে পারে যে ভালো মানুষের মুখোশ পরে থাকলেও, সে আসলে অত্যন্ত খারাপ একজন মানুষ। আসলে দুটোই হতে পারে, এবং দুটোর সম্ভাবনাই থাকে একই। কিন্তু যেটা আমরা আসলে আমাদের জীবনে দেখতে পাই, সেটা হলো মুখোশ পরা মানুষগুলো অত্যন্ত ভয়ঙ্কর হয়।
কারণ তারা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপারটি কখনোই সামনে আসতে দেয় না, কারণ তারা সবসময় চায় মানুষ যেনো তাদের মুখোশটিকেই দেখে এবং তাদের মুখোশ থেকেই ভালোবাসে। আর যে মানুষগুলো অনেক ভালো মানুষের মুখোশ পরে থাকে, তারা আসলে সব সময় সমাজ থেকে সুযোগ লুটে নেওয়ার চেষ্টা করে এবং নেয়ও। আসলে তারা যখন দেখতে পায় কিংবা বুঝতে পারে যে তারা এই মুখোশের আড়ালে খুব ভালোভাবে সুযোগ-সুবিধা নিতে পারছে, তখন তারা আসলে এই মুখোশ পরার যে মজা, সেটা পেয়ে যায়। অবশ্যই সেটা পৈশাচিক আনন্দ। কারণ যখন তারা দেখে যে তাদের মাধ্যমে কিংবা তাদের জন্য কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তখন সেটা তাদের কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায় না, তখন সেটা তাদের অনেকটা সুখের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর যেটা সত্যিই খুব ভয়ংকর।

