সবেতেই আজকাল বেঈমানী!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আজকের সময়টা যেনো এমন হয়ে গেছে যেখানে বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে পরেছে। একসময় মানুষ কথার উপর ভরসা করতো।এখন সেই জায়গায় এসেছে সন্দেহ।বন্ধুত্বে,ভালোবাসায় এমনকি আত্মীয়তার সম্পর্কেও এখন যেনো এক অদ্ভুত বেঈমানির ছোঁয়া লেগে আছে।সবাই নিজের স্বার্থটাই আগে দেখে,অন্যের অনুভূতি বা বিশ্বাসের মূল্য খুব কমই কেউ বোঝে।একসময় মানুষ বিশ্বাস ভাঙার ভয় পেতো এখন মনে হয় কেউ তা নিয়ে ভাবে না।বন্ধুত্বে এখন মিশে গেছে প্রতিযোগিতা,ভালোবাসায় এসেছে স্বার্থ আর হিসাব নিকাশ। কেউ সাহায্য করলে মনে প্রশ্ন জাগে এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে!অথচ বিশ্বাসের এই জায়গাটাই তো একসময় আমাদের সম্পর্কের ভিত্তি ছিল।
সমস্যাটা হচ্ছে আমরা সবাই এখন এমন এক দৌড়ে আছি যেখানে সবাই নিজের সুবিধাটাই আগে দেখে। মানুষ এখন সম্পর্ককেও ব্যবহার করছে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী।কারও সুখে অভিনয় করে খুশি হওয়া আবার পেছনে গিয়ে কটু কথা বলা এসব এখন খুব সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।বেঈমানি যেন এখন একধরনের স্বাভাবিক আচরণে পরিণত হয়েছে।কিন্তু সবাই যে এমন,তা নয়।এখনও কিছু মানুষ আছে যারা সত্যিকার অর্থে আন্তরিক যাদের মন পরিষ্কার যারা সম্পর্ককে ভালোবাসা আর বিশ্বাসের জায়গা থেকে দেখে।কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তাদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে।ফলে যারা সত্যিকারের তারাই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায়।আমাদের সমাজে এই বেঈমানির সংস্কৃতি থামাতে হলে প্রথমেই দরকার আত্মসমালোচনা।অন্যকে দোষারোপ করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করা আমি কি কারও বিশ্বাস ভেঙেছি? আমি কি সম্পর্ককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেছি? যদি উত্তর হ্যাঁ হয় তাহলেই পরিবর্তনটা শুরু করতে হবে নিজেকে দিয়েই।আসলে সবেতেই আজকাল বেঈমানির ছাপ দেখা গেলেও পৃথিবীটা এখনো সম্পূর্ণ অন্ধকার হয়ে যায়নি।যতোদিন কিছু মানুষ সত্যিকারের মন নিয়ে বেঁচে থাকে ততোদিন বিশ্বাস ভালোবাসা আর সততা বেঁচে থাকবে এই পৃথিবীতে।

