মানুষ সব বুঝেও চুপ থাকে কেনো?
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আজকাল মানুষ অনেক সময় মানুষ সব কিছু বুঝেও চুপ থাকে, কারণ চুপ থাকাটাই হয়তো তখন সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। আপনি ভাবতে পারেন, কেউ কিছু বলছে না মানে সে বোঝে না কিন্তু আসলে ব্যাপারটা উল্টো। অনেকেই বোঝে, কিন্তু কথা বললেই হয়তো পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে, কারো আত্মসম্মানে লাগবে, বা সম্পর্কটাই নষ্ট হয়ে যাবে।চুপ থাকা একেক সময় একেক রকম মানে বহন করে। কেউ কেউ চুপ থাকে কারণ সে ক্লান্ত হয়ে গেছে বারবার বোঝাতে গিয়ে, কেউ হয়তো নিজের অনুভূতি আর প্রকাশ করতে চায় না, আবার কেউ চুপ থাকে কারণ সে নিজের শান্তিটা আর হারাতে চায় না। সব সময় মুখ খুললেই তো সমাধান আসে না, মাঝে মাঝে চুপ থাকাটাই হয় আত্মরক্ষা।
অনেক সময় মানুষকে এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয় যেখানে সত্যি বললেও কেউ শুনবে না, উল্টো তাকে ভুল বোঝাবে। তখন সে ভাবে, নিজের কথা বলেও লাভ নেই, বরং দূরত্বই ভালো। আবার কেউ কেউ চুপ থাকে অন্যকে রক্ষা করার জন্য। সে জানে, কিছু বললে হয়তো সামনের মানুষটা ভেঙে পড়বে, কষ্ট পাবে। তখন নিজের কষ্ট নিজের মধ্যে পুষে রাখাটাকেই সে বেছে নেয়।চুপ থাকা সব সময় দুর্বলতা নয়। অনেক সময় চুপ থাকা মানে হচ্ছে সহনশীলতা, পরিণত চিন্তা, অথবা নিজের ভেতরের যুদ্ধের একটা অংশ। অনেকে চুপ থাকে কারণ তারা জানে, এখন কিছু বললে সামনে হয়তো আর কিছুই বলার জায়গা থাকবে না। আর কেউ চুপ থাকে কারণ সে জানে, সময়ই একমাত্র উত্তর দিতে পারবে যেটা সে বলতে পারছে না।

