নিজেকে ভালবাসা কেন জরুরি?
পৃথিবীতে যেমন প্রত্যেকটা মানুষই আলাদা, ঠিক তেমনি ভাবে সেসব মানুষের চিন্তাশক্তিও আলাদা সেসব মানুষ যে ভালোবাসে তার ভালোবাসার সংজ্ঞাও কিন্তু ভিন্ন হতে পারে। এই ভিন্ন ধর্মী বিষয় থেকেই সৃষ্টি হয় এক আলাদা অনুভব। আলাদা এক অনুভূতি যেটা সর্বাত্মই আমাদের নিজেদেরকে সবসময় হাসিখুশি রাখার চেষ্টা করে। তবে ভালোবাসার অর্থ এটাই যে মানুষটাকে ছাড়া আপনি অসহায় যে মানুষটাকে ছাড়া আপনি নিজে কষ্ট পাবেন আপনার নিজেকে ভালো রাখার জন্যই আপনি অপর মানুষকে ভালোবাসেন।
ঠিক তেমনিভাবে এই বিষয়টা যদি আমরা একটু ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করি তাহলে কিন্তু আমরা নিজেকেই ভালো রাখার জন্য যে সব বিষয়বস্তু দরকার সেসব বিষয় বস্তুকে ভালোবাসি অর্থাৎ আমরা নিজেকে সবসময় ভালো রাখতে চাই। নিজেকে ভালোবাসতে চাই। কিন্তু এই বিষয়টা আমরা কখনোই প্রকাশ্যে আনতে পারিনা। কারণ আমাদের চিন্তাধারা সেরকম থাকে না। বরং আমাদের চিন্তাভাবনা একটি অন্যরকম হয়ে যায়। কিন্তু সর্বোপরি নিজেকে আগে ভালোবাসতে হবে নিজের সবকিছুকেই ভালবাসতে হবে এবং যে মানুষটা নিজেকে ভালোবাসতে পারে সে মানুষটা অপরকেও তত বেশি ভালবাসতে পারে।
আমরা যদি নিজেদেরকে ভালোবাসতে না পারি সে ক্ষেত্রে কিন্তু কোন কিছুই সঠিকভাবে হবে না বলে আমি মনে করি। কারণ যেই মানুষটা নিজেকেই ভালোবাসতে পারে না সেই মানুষটা কিভাবে অন্যের উপর বিশ্বাস করবে, কিভাবে অন্যের উপর ভালবাসবে। সেই বিষয়টাই আমার বোধগম্য হয় না। তাই নিজের পরিবারকে ভালো রাখতে গেলে নিজের কাছের মানুষজনকে ভালো রাখতে গেলে অবশ্যই সর্বপ্রথম নিজেকে ভালো রাখতে হবে। নিজেকে ভালবাসতে হবে তাহলেই আপনি আপনার সব কাছের মানুষকে ভালো রাখতে পারবেন।

