শীতের সকালের কিছু ফটোগ্রাফি
বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুল্লিাহ ভাল আছি।
শীতের তীব্রতা বেড়ে গিয়েছে বাংলাদেশ সহ ইংল্যান্ডেও।হ্যাঁ বন্ধুরা আমাদের এখানে লাস্ট দুইদিন মাইনাসে ছিল তাপমাত্রা, আজকে রয়েছে ওয়ান ডিগ্রিতে, একটুখানি বেড়েছে।এই তীব্র শীতের তীব্রতা সেই অনুভব করতে পারবে যে একটু বাইরে বের হবে।এদেশে ঘরের মধ্যে কেউ অতটা শীত অনুভব করে না, কারণ 24 আওয়ারস সকলেই হিটার অন করে ঘর উষ্ণ করে রাখে।তাই ঘরের মধ্যে গরম কাপড় চোপড় না পড়লেও হয়। কিন্তু বাইরে বের হলে বোঝা যায় শীত কাকে বলে।বাচ্চাদের স্কুল খুলে ফেলেছে, আর অন্যদিকে আমাদের গাড়ির ঝামেলাটাও এখনো মেটেনি।টেম্পোরারি যে গাড়িটি দিয়েছিল সেটা নিয়ে গিয়েছে। আর আমাদের গাড়িটি ফেরত দিয়েছে, সাথে কিছু টাকা পয়সা রিটার্ন পেয়েছে কারণ যেহেতু ইন্সুরেন্স এর ব্যাপার রয়েছে, এছাড়া আমার হাজবেন্ডের কোন ফন্ট ছিল না। এখন আপাতত গাড়িটি ঠিক করার জন্য দেয়া হয়েছে।আশা করছি আগামী সপ্তাহের মধ্যেই গাড়িটি পেয়ে যাব।
যেহেতু গাড়ি নেই তাই আপাতত মেয়েদেরকে স্কুলে আনা নেওয়ার ব্যাপারে একটু প্রবলেম হচ্ছে। বড় মেয়ে নেইবারের সাথে স্কুলে যাচ্ছে।আর ছোট মেয়ের যেহেতু স্কুল ট্যাক্সি রয়েছে সে ওটাতেই স্কুলে যাচ্ছে। কিন্তু প্রবলেম হচ্ছে তাকে ৪-৫ মিনিট রাস্তা হেঁটে দিয়ে আসতে হয়।এই শীতের মধ্যে বের হয়ে ৪-৫ মিনিট রাস্তায় হাঁটা বুঝতেই পারছেন কেমন অবস্থা! তীব্র শীতে আমি ঘর থেকে বের হই না। কিন্তু এখন বাধ্য হয়ে আমাকেই যেতে হচ্ছে তাকে দিয়ে আসতে।নরমালি হাজব্যান্ডই তার গাড়িতে করে মেয়েকে ট্যাক্সিতে উঠিয়ে দিয়ে আসে।যাইহোক আমাকেই এখন যেতে হচ্ছে, সেই সুবাদে কিছু ফটোগ্রাফি করে ফেললাম।আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।
রাস্তার অবস্থা দেখুন কি হয়ে রয়েছে। লাস্ট দুই দিনে কিছুটা স্নো পড়েছিল তাই রাস্তা পুরো সাদা হয়ে ছিল। যদিও এ বছর তেমন অতটা স্নো পড়েনি। স্নো দেখতে কিন্তু বেশ ভালই লাগে কিন্তু প্রবলেম হচ্ছে রাস্তায় হাঁটা খুবই রিস্কি। রাস্তা স্লিপারি হয়ে থাকে।তাই খুবই সাবধানে পথ চলতে হয়। আমি তো গত দিন স্লিপ খেয়ে প্রায় পড়েই গিয়েছিলাম।এদিকে ছোট মেয়ে যে ট্যাক্সিতে করে স্কুলে যায় সেই ট্যাক্সি ড্রাইভার এভাবে স্লিপ খেয়ে পড়ে গিয়ে খুব ইনজুরি হয়েছে। তাই এখন আর সে আসতে পারছে না, তাই বিকল্প আরেকটি গাড়ি দেওয়া হচ্ছে এখন।যাইহোক এটাই হচ্ছে আমাদের এখানকার বর্তমান অবস্থা। শুনেছি বাংলাদেশেও নাকি প্রচন্ড ঠান্ডা পড়েছে।এতো ঠান্ডা লাস্ট ৮-১০ বছরের মধ্যে মনে হয় পড়েনি। শুনেছি শীতের তীব্রতা নাকি আরও বাড়বে। তাহলে তো অনেক প্রবলেমে পড়ে যাবে অনেকেই, বিশেষ করে হতো দরিদ্র, শিশু ও বয়স্ক মানুষেরা।দোয়া করি যেন খুব শীঘ্রই আবার স্বাভাবিক আবহাওয়া ফিরে আসে।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 15 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,

👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
[
](https://steemitwallet.com/~witnesses











সত্যি ই আপু এবার বাংলাদেশে ও ভীষণ শীত পরেছে।গাড়ি না থাকার কারনে আপনার এখন কিছুদিন কষ্ট করে মেয়েকে স্কুলের গাড়িতে তুলে দিয়ে আসতে হচ্ছে। আর সেই সুযোগে চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি আপনি করেছেন।পথ বরফে সাদা হয়ে আছে।এই সময় খুব সাবধানে রাস্তায় চলাচল করতে হয়।সবাই সাবধানে থাকবেন এমনটাই আশা করছি।
0.00 SBD,
0.66 STEEM,
0.66 SP
ভাই আমার আইডিটা একটু ভেরিফাই করে দেন