যেভাবে চেয়েছিলাম সেভাবে এবার হলো না গার্ডেনিং করা
বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুল্লিাহ ভালো আছি।
আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন প্রতি বছরই আমরা টুকটাক কিছু ভেজিটেবলস এর গার্ডেনিং করে থাকি।এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি কয়েক মাস আগে একটি পোস্ট করেছিলাম যেখানে দেখিয়েছিলাম ঘরে কিভাবে চারা তৈরি করা হয়েছিল।বীজ থেকে অলরেডি চারাগুলো উঠে গিয়েছিল।এরপর যখন চারা গুলো বড় হওয়ার পর গার্ডেনে নেয়ার প্রস্তুতি চলছিল ঠিক সেই সময় বাংলাদেশ থেকে ব্যাড নিউজ এলো আমার শাশুড়ি হসপিটালে ভর্তি হয়েছে ব্রেন স্ট্রোক করে।আর ওই নিউজ পাওয়ার পরপরই হাসব্যান্ড দ্রুত চলে যায় বাংলাদেশে।আর যাওয়ার আগে যতদূর সম্ভব চারাগুলো গার্ডেনে লাগিয়েছিল। কিন্তু তারপরও যথেষ্ট বাকি ছিল। তাই রেস্টুরেন্টের দুজন স্টাফকে বলে গিয়েছিল চারাগুলো লাগাতে।কিন্তু তারা সেভাবে তেমন লাগাতে পারেনি।আর বাকিগুলো সবাইকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।আর আমি এই কাজে মোটেও এক্সপার্ট নই, কখনো লাগাইনি, সবসময়ই হাসব্যান্ড করে।যাইহোক চলুন তাহলে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক চারাগুলোর বর্তমান অবস্থা।
এগুলো সীম গাছ।
লাউ গাছ।
এটি বোম্বাই মরিচ, সিলেটি ভাষায় বলে নাগা মরিচ।দুঃখের বিষয় হচ্ছে এই মরিচ গাছের চারা গুলো হয়নি, এজন্য হাজব্যান্ড শপ থেকে কিনে এনেছিল দুটি চারা।
উপরের এই চারাগুলো শুধু হাসব্যান্ড লাগিয়ে দিয়েছিল, বাকি চারাগুলো রেস্টুরেন্টের সট্যাফ লাগিয়ে দিয়ে গিয়েছে।
এগুলো পুঁইশাক, পুঁই শাকগুলো তারা একই জায়গায় সবগুলো লাগিয়ে রেখেছে, একটু আলাদা আলাদা করে লাগালে ভালো হয়।
এগুলো করলা গাছ, করলা গাছগুলোও সব একই জায়গায় লাগানো হয়েছে।
এগুলো শসা গাছ।
এগুলো টমেটো গাছ।
এভাবে তারা যতগুলো পেরেছে গাছগুলো লাগিয়ে রেখেছে। বাকি চারা গুলো সবাইকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আশপাশে আরো অনেক বাঙালি রয়েছে তাদেরকে দিয়ে দিয়েছি।আপাতত গাছে পরিচর্যার মধ্যে শুধু গাছে পানি দেওয়া হচ্ছে। আপাতত পানি দেওয়ার কাজটি বৃষ্টিপাত সেরে দিচ্ছে, কারণ প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কয়েকদিন পর পরই বৃষ্টি, তেমন বেশি পানি দিতে হচ্ছে না।
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,

👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
[
](https://steemitwallet.com/~witnesses










গাছের চারা গুলো খুব তরতাজা হয়ে বেড়ে উঠেছে।ভাইয়া থাকলে চারাগুলো আরো সুন্দর করে ফাঁকা ফাঁকা করে লাগাতো।যেহেতু ভাইয়া বাংলাদেশে এসেছে তাই স্টাফদের দিয়ে যা করিয়েছেন তা ভালো ই হয়েছে।আশাকরা যায় ফলন ভালো ই হবে।