সুস্থ থাকার উপায়।
আশাকরি " আমার বাংলা ব্লগ " পরিবারের সবাই ভালো আছেন। আশাকরি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আপনারা সবাই সুস্থ আছেন। মহান সৃষ্টিকর্তা এবং আপনাদের আশীর্বাদে আমিও সুস্থ আছি। আজ আপনি আপনাদের সাথে সুস্থ থাকার উপায় সম্পর্কে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট করলাম।
লিংক
আসলে সুস্থ থাকার তো অনেক উপায় রয়েছে। কিন্তু মানুষ এই উপায় গুলো কখনো কি পালন করে চলে। অর্থাৎ আমরা অনেকেই দেখতে পাই যে ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য সবথেকে বেশি ক্ষতিকর এবং সেই জিনিসগুলো কিন্তু মানুষ সব থেকে বেশি গ্রহণ করে। একটা জিনিস আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে যে জিনিসগুলো যত বেশি আকর্ষণীয় এবং নেশার যোগায় শরীরে সে জিনিসগুলো কিন্তু সবসময় আমাদের জন্য সবথেকে বেশি ক্ষতিকর। সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের উপায় অবলম্বন করতে পারি। তার মধ্যে সবথেকে বড় একটি উপায় হল আমরা সবসময় শারীরিক পরিশ্রম করার চেষ্টা করব। কেননা শারীরিক পরিশ্রম করলে এক দিকে যেমন মন ভালো থাকে তেমনি অন্যদিকে আমাদের শরীর সুস্থ থাকে।
আসলে আমাদের এই সমাজে এখন আমরা বিভিন্ন ধরনের মানুষদের দেখতে পাই যারা কিনা অল্প বয়সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাদের দ্বারা তেমন কোন কঠিন কাজ কখনো সম্পন্ন হয় না। কিন্তু আগের অনেক মানুষদের আমরা দেখতে পাই তারা কি না আমাদের থেকে অনেক গুণ বেশি পরিশ্রম করতে পারে এবং তাদের শরীরে কোন ধরনের অসুস্থতা থাকে না। এই মানুষগুলো সুস্থ থাকার প্রধান কারণ হলো তারা সঠিকভাবে খাবার গ্রহণ করে এবং সব সময় কঠোর পরিশ্রম করতে থাকে। আসলে একটা জিনিস আমাদের মনে রাখতে হবে যে আমরা যদি শারীরিকভাবে সবসময় অক্ষম থাকি অর্থাৎ অলসের মতো পড়ে থাকে তাহলে আমাদের শরীরের সাথে সাথে আমাদের মনটাও সব সময় খারাপ হয়ে যাবে।
এইসব দিক বিবেচনা করে সব সময় আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখা অবশ্যই দরকার। একটা মানুষ যখন সুস্থ শরীর নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে যাবে তখন সেই কাজে ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা আসলেও তারা সেই সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারবে খুব দ্রুত। এছাড়াও সুস্থ মানুষের বুদ্ধির বিকাশ অনেক বেশি হয় এবং অন্যান্য মানুষদের থেকে তারা সব সময় এগিয়ে থাকার চেষ্টা করে। এজন্য সুস্থ থাকার বিভিন্ন ধরনের সঠিক উপায় আমরা অবশ্যই অবলম্বন করব এবং সব সময় নেশা জাতীয় দ্রব্য থেকে নিজেদেরকে দূরে থাকার চেষ্টা করব। আসলে এভাবে যদি আমরা সবাই মিলে একটা সুস্থ শরীর গঠন করতে পারি তাহলে কিন্তু আমাদের শরীরে তেমন কোন জটিল রোগ কখনো বাসা বাঁধতে পারবে না।
এজন্য সব সময় বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করতে হবে এবং বিভিন্ন ভাবে নিজেদের শরীরকে ব্যস্ত রাখতে হবে। কেননা অলস ব্যক্তি যারা তাদের শরীর যেমন খারাপ থাকে ঠিক তেমনি তাদের মনের দিক থেকে তারা সব সময় অনেক বেশি পিছিয়ে থাকে। এজন্য আমরা সব সময় সুস্থ থাকার চেষ্টা করব এবং যারা অসুস্থ এবং বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্ত তাদেরকে সবসময় ভালো পথের দিকে এগিয়ে নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা করব। আর এভাবে যদি আমরা একটা সুস্থ সমাজ গঠন করতে পারি তাহলে কিন্তু আমাদের সমাজটা আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং সমাজের কোন ধরনের সমস্যা আসলে আমরা সবাই মিলেমিশে একসঙ্গে সেই সব সমস্যার সমাধান অবশ্যই করতে পারব।

লিংক
আশাকরি আপনাদের সবার খুব ভালো লেগেছে আজকের পোস্টটি । ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না।
আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে।
