জিম শুরু করার আগে যেসব বিষয় জানা দরকার
Image Created by OpenAI
ফিটনেস বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা যে কেবল একটা অভ্যাসের ব্যাপার তা কিন্তু নয়, এটা প্রত্যেকের আলাদা আলাদা একটা লাইফস্টাইলের ব্যাপার। তাই ফিটনেসের দিকে লক্ষ্য রেখে সবাই নতুন ভাবে জিম শুরু করতে চায়। তবে জিম শুরু করতে চাইলে অনেক কিছু জানারও প্রয়োজন আছে। কারণ যারা নতুন ভাবে শুরু করবে, তারা আসলে কোথার থেকে কিভাবে শুরু করবে, সেটা জানে না। অনেকেই কোনো পরামর্শ ছাড়াই ইউটিউবে দেখে বা অন্যজন কি করছে সেটা দেখে ভুলভাবে শুরু করে দেয়।
কিন্তু আসলে প্রত্যেকের শরীরের গঠন অনুযায়ী আলাদা আলাদা ব্যায়াম থাকে। ফলে আমি যেটা করছি, অন্যজনের ক্ষেত্রে সেটা নাও থাকতে পারে। এইজন্য ট্রেইনারের কাছ থেকে প্রথমে সঠিক পরামর্শ নিয়ে তারপর ব্যায়াম শুরু করা উচিত। কিন্তু ট্রেইনারের কাছেও পরামর্শ নেওয়ার আগে, নিজের আসলে কোনদিকে ফোকাস করা উচিত অর্থাৎ শরীরের দিকে, সেটা আগে ঠিক করা উচিত। কারণ এক একজনের এক একটার দিকে আগ্রহ থাকে। যেমন-কেউ ওজন কমাতে চায়, কেউ মাশেল গেইন করতে চায় আবার কেউ শুধুমাত্র ফিট থাকার জন্য ব্যায়াম করে থাকে।
ফলে সর্বপ্রথম যদি এই বিষয়টা আগে নির্বাচন করা যায়, তাহলে সেই অনুযায়ী ট্রেইনার তাকে কি কি ব্যায়াম করা উচিত, তা বলে দেয়। আবার অনেকে আবেগের বশে বা অন্যের দেখাদেখি ওয়েট নিয়ে ব্যায়াম করার সময়ে প্রথম অবস্থায় বেশি ওয়েট নিয়ে শুরু করে দেয়। নতুন অবস্থায় প্রথম ২-৩ সপ্তাহ কম ওয়েট দিয়ে ব্যায়াম করা উচিত আর এটা প্রত্যেক ট্রেইনারই বলে থাকে। সবকিছুই নতুন অবস্থায় ব্যাসিক ফরম্যাটে শুরু করা উচিত। আর আসলে সবকিছুই যে জিমে গিয়ে ব্যায়াম করলেই হয় তা কিন্তু নয়, কারণ জিমে মাত্র ২০-৩০% কাজ করে আর বাকি কাজটা ডায়েট এর উপরে নির্ভর করে।
