প্রবাসীদের নিয়ে কিছু কথা এবং কাজের কিছু মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও অনেকটা ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। অনেক ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে তবু চলছে জীবন অনেক সুন্দর। খুব বেশি সময় না দিতে পারলেও আজ আবারো চলে আসলাম আপনাদের মাঝে নতুন একটি লেখা নিয়ে।
আজ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব মালয়েশিয়ার প্রবাসীদের নিয়ে কিছু কথা এবং কাজের কিছু মুহূর্ত। প্রবাসী প্রত্যেকটি মানুষ এক জন জীবন যোদ্ধা বলে আমার মনে হয়। আমি প্রবাসী হয়ে আছি বলে বলছি না নিজের চোখে দেখা যেটা সেটাই বলছি।
আপনারা ছবি গুলো দেখে অনুভব করতে পারছেন তারা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তা নিয়ে কাজ করছে। এমন হাজারো মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ তা নিয়ে কাজ করে চলেছে এই দূর প্রবাসে। মাঝে মধ্যে তো আমাদেরও এমন ভাবে কাজ করতে হবে। তবে আমাদের বাংলাদেশে থাকা মানুষেরা এটা হয়তো বা বুঝতে পারে না।
প্রত্যেকটি প্রবাসী নিজের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ইনকাম করছে এই দূর প্রবাসে। ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন আপনারা এখানে কাজ করছে প্লাস্টারের। আমি কাজ করছিলাম অন্য আরেকটি সাইডে তবে তাদের এই কাজ দেখে কয়েকটি ছবি ধারণ করেছিলাম।
আমি আগে যেখানে ছিলাম সেখানে অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে এসেছি। যে কাজের জন্য আমার হাতও কেটে গিয়েছিল। তবে মানুষ মনে করে অনেক সুখের ভাত খাচ্ছি এই দূর প্রবাসে। মানুষকে বোঝাতে পারে না এই প্রবাসীরা তারা কি ভাবে চলছে। অনেক মানুষ আছে অসুস্থ শরীর নিয়ে ডিউটিতে চলে যায় শুধু নিজের পরিবারকে ভালো রাখার জন্য।
মাস শেষে অল্প কিছু টাকা যেনো বেশি পাঠাতে পারে সেই চিন্তা নিয়ে অসুস্থ শরীর নিয়ে তারা কাজে যায়। অনেক সময় চিকিৎসা নিতে চাই না খরচের ভয়েতে। যদি বাংলাদেশে টাকা কম পাঠায় তাহলে হয়তোবা পরিবার সমস্যার মধ্যে থাকতে পারে। তাই চেষ্টা করে কিছু টাকা সঞ্চয় করার জন্য যেনো মাস শেষে বেশি টাকা পাঠাতে পারে নিজের পরিবারের কাছে।
তবে খারাপ লাগাটা তখন লাগে যখন তারা টাকার চিন্তা করে এই মানুষটার জন্য না। অনেক মানুষকে দেখেছি এই অল্প কয়েক দিনে যারা আফসোস করে এখন বাংলাদেশেই যেতে চায় না। কারণ ১০ থেকে ২০ বছর অনেক মানুষ বাহিরের দেশে পার করেছে কিন্তু এক টাকাও পরিবারের মানুষ দেখাতে পারেনা।
তখন সেই মানুষটা চিন্তা করে বাংলাদেশে গিয়ে কি হবে এখানেই তো সারাটা জীবন পার করে দিয়েছি। যতদিন বেঁচে থাকি ততদিন এই বিদেশের মাটিতে থেকে যায়। গিয়ে তো সেই আবারো জন দিয়ে চলতে হবে কারণ কিছুই তো করতে পারলাম না। এমন মানুষ আমার দেখা চোখে অনেক পড়েছে এমনও মানুষ দেখেছি বিয়ে না করে ১৫-২০ বছর কাটিয়ে দিয়েছে বাহিরের দেশে।
মাঝে একটি মানুষের সাথে পরিচিত হয়েছিলাম আমাদের এলাকার দিকেই বাড়ি তার সাথে কথা বলে জানতে পারি ১৮ বছর বিদেশ করেছে পরিবারের বড় ছেলে সে এখনো বিয়ে-শাদী করে নাই ছোট ভাই বোন সবাই বিয়ে করে চাকরি করে সংসার করছে তার টাকা দিয়ে তবে সে বাংলাদেশে গিয়েছিল শুধু একটি ভাঙ্গা ঘর পেয়েছে তার টাকায় যে বিল্ডিং তৈরি করেছে সেটা তার কপালে নাই।
এমন মানুষ অনেক আছে এই কষ্ট গুলো কোন মানুষ বুঝতে চায় না বা পায় না যদি প্রবাসীদের কষ্ট একটু বুঝতো তাহলে এমন ধরনের ঘটনা আমরা দেখতে পেতাম না যারা বাহিরে আছে তারা সত্যিই অনেক পরিশ্রম করে দিনের পর দিন অসুস্থ শরীর নিয়ে কাজে যাই শুধু নিজের পরিবার ভালো রাখার জন্য।











Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Congratulations
This post has been curated by
Team #5
@damithudaya
Congratulations
This post has been curated by
Team #5
@damithudaya
@damithudaya অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ।
যারা বিদেশে কাজ করে তাদের জীবন সত্যিই খুব কঠিন। তারা সারা বছর রোদ ঝড় বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে কাজ করে যাই। তাদের পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য। মাসের শেষে তার পারি শ্রমিকের টাকা পরিবারের হাতে তুলে দেয় তাদের মুখে হাসি দেখার জন্য কিংবা ভালো থাকার জন্য। তবে আপনারা যে সব কাজ করেন সত্যিই খুব ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। প্রাণের মায়া ত্যাগ করে সারাদিন রাত পরিশ্রম করে যান। বিদেশিদের কাজে কিছু মুহূর্ত কথা শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
যারা বাহিরে আছে তাদের শরীর এই দূর প্রবাসে পড়ে আছে মনটা পড়ে থাকে সবসময়ই নিজের পরিবারের কাছে পরিবারের মানুষ যেটা করলে সুখে থাকবে তারা সেটাই করতে চায় আজ এত টাকা লাগবেই হাসিমুখে দিয়ে দেয় তারা যেন সব সময় ভালো থাকে কিন্তু তারা বোঝে না কি করে এই টাকা গুলো আছে।
প্রবাসীদের অবদানের কথা আসলে বলে কখনোই শেষ করা যাবেনা তবে কিছু কিছু পরিবার আছে যারা কিনা শুধুমাত্র টাকার কথা চিন্তা করে মানুষটা কেমন আছে সেটা জানার কথা কখনোই চিন্তা করে না। বিশেষ করে যারা রাজমিস্ত্রি কাজ করে থাকে বা এসি কারেন্টের কাজ করে থাকে তাদের জন্য এই কাজগুলো অনেক বেশি ভয়ংকর অনেক উপরে উঠে তাদের কাজ করতে হয় যেটা আজকে আপনার ফটোগ্রাফি দেখেও বুঝতে পারলাম আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করি তিনি যেন সবসময় আপনাদেরকে ভালো রাখে।